-1.5 C
New York

ইরানের দাবি মেনে ওমানে পারমাণবিক আলোচনা করবে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি জোরদার হওয়ায় উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে ওমানে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

এক আঞ্চলিক কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার হতে যাওয়া আলোচনাকে শুধু পারমাণবিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতেই ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ করেছিল তেহরান।

ওই কর্মকর্তা জানান, ইরান চেয়েছিল বৈঠকটি ওমানে অনুষ্ঠিত হোক, যাতে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আগের দফার আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।

এর আগে বৈঠকটি তুরস্কে হওয়ার কথা থাকলেও ইরান তা সরানোর অনুরোধ জানায়।

তেহরানের আশঙ্কা ছিল, অন্য ভেন্যুতে আলোচনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ অতিরিক্ত ইস্যু যুক্ত হতে পারে।

ইরান আগেই জানিয়েছে, তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনার ‘লাল রেখা’ এবং এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

রয়টার্স জানিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইরান দাবি করেছে–তারা আবার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত করছে। এমনকি নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে তা ব্যবহারেও দ্বিধা করবে না।

ওই আঞ্চলিক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, শুরু থেকেই ইরান জোর দিয়ে বলেছে, আলোচনা কেবল পারমাণবিক ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র আলোচ্যসূচিতে আরও বিষয় যুক্ত করতে আগ্রহী ছিলো।

রয়টার্স জানিয়েছে, এই আলোচনার প্রস্তুতির মধ্যেই উত্তেজনা আরও বাড়ে। যুক্তরাষ্ট্র একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করে। এরপর হরমুজ প্রণালিতে একটি ইরানি নৌযান মার্কিন পতাকাবাহী ট্যাংকারের কাছে এগিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আকস্মিক তেলের দাম বেড়ে যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সমঝোতা না হলে ‘খারাপ কিছু’ ঘটতে পারে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অংশ নিতে পারেন।

এর আগে রয়টার্স জানায়, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মূল লক্ষ্য হলো সংঘাত এড়িয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা।

Related Articles

Latest Articles