26.9 C
Dhaka
Home Blog

বাংলাদেশ থেকে প্রথম নাইজেরিয়ায় ফুটানোর ডিম রপ্তানি

বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো ফুটানোর ডিম রপ্তানি শুরু হয়েছে। কাজী ফার্মস সম্প্রতি আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় ১০ হাজার ৪৪০টি ‘প্যারেন্ট হ্যাচিং এগ’ রপ্তানি করেছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ডিমগুলো ‘রস ৩০৮’ জাতের ব্রয়লার মুরগির। ডিমগুলোর মূল্য ১৮ হাজার ৭২৯ ডলার।

প্রথমবারের মতো ডিম রপ্তানি উপলক্ষে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পরই আন্তর্জাতিক বাজারে প্রাণিসম্পদ পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য নিয়েছে সরকার।

ডিমের প্রথম চালানটিকে ঐতিহাসিক মাইলফলক আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এই রপ্তানি জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশের রপ্তানি পণ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এটি কেবল বাণিজ্যিক উদ্যোগ নয়, দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য একটি বড় স্বীকৃতি। ভবিষ্যতে এ ধরনের রপ্তানি আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে কাজী ফার্মস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান বলেন, পরীক্ষামূলক এই চালানটি সফল হলে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে হ্যাচিং এগের পাশাপাশি নিয়মিত খাবার ডিমও রপ্তানি করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান জানান, আন্তর্জাতিক মানের একটি প্রাণিসম্পদ খাত গড়ে তুলতে তারা নিরলসভাবে কাজ করছেন।

সংবিধান সংশোধনে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই সনদকে পথনির্দেশক ধরে সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে সরকার ও বিরোধী দল সংসদের ভেতরে একসঙ্গে কাজ করতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি জানান, সংসদের বাইরে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে জনমত গড়ে তোলা ও সংস্কারমুখী কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, তাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে।

‘কিন্তু মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ও আস্থা ফিরিয়ে আনা, কৃষক, শ্রমিক, যুবক ও প্রবাসী উদ্যোক্তাদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার প্রশ্নে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব,’ বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আজ আমাদের অঙ্গীকার হোক—এই বাংলাদেশে আর কখনো ফ্যাসিবাদ বা স্বৈরাচারের শেকড় গজাতে দেওয়া হবে না এবং কেউ যেন আর কখনো এই দেশকে কোনো পরাশ্রয়ী রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে।’

নাগরিকদের আশ্বস্ত করে তারেক রহমান বলেন, ‘এই সরকার এবং সংসদ জনগণের।’

তার এই বক্তব্য এমন সময় এলো, যখন সরকারি দলের প্রস্তাব অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের জন্য গঠিত হতে যাওয়া সংসদীয় কমিটিতে বিরোধী দলের প্রতিনিধি মনোনয়নের বিষয়ে জামায়াত আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো জবাব দেয়নি।

এর আগে গত ১৬ জুন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, সরকারের প্রস্তাবিত সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে প্রতিনিধি দেবে না বিরোধী দল। তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমরা কেবল সংশোধন নয়, সংবিধানের সংস্কার চান।’

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, তিনি এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন, যেখানে উন্নয়ন হবে ন্যায়ভিত্তিক, অর্থনীতি হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, রাষ্ট্র হবে জবাবদিহিমূলক এবং নাগরিকদের জীবন হবে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সম্ভাবনাময়।

তিনি বলেন, ‘একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি তার সম্পদে নয়; বরং সুশাসন, ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও জনগণের আস্থায় নিহিত। টেকসই উন্নয়নের জন্য শুধু অর্থনৈতিক সংস্কার নয়, প্রশাসনের সব ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করাও জরুরি।’

মানুষ এখন ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি রাষ্ট্র চায় বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান।

‘এই প্রত্যাশা পূরণ করা শুধু বর্তমান সরকারের নয়, সংসদের প্রতিটি সদস্যের দায়িত্ব। নিজ নিজ অবস্থান থেকে একসঙ্গে কাজ করেই আমাদের তা বাস্তবায়ন করতে হবে,’ বলেন তিনি।

গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি স্বাধীন বিচারব্যবস্থা এবং মানুষের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চালু করা লিগ্যাল এইড কর্মসূচি এই সরকার আরও সম্প্রসারণ করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, চলতি অর্থবছরের বাজেটে বিচার বিভাগের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিচারকদের আবাসন, গবেষণা কার্যক্রম ও আদালত ভবনের সংকট মোকাবিলায় সুপ্রিম কোর্টের জন্য অতিরিক্ত ১০০ কোটি টাকা এবং আইন মন্ত্রণালয়ের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মানুষকে সেবা দিতে হলে প্রশাসনকে আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। প্রশাসনকে জবাবদিহিমূলক করার পাশাপাশি ন্যায্য বেতন কাঠামো, প্রশিক্ষণ ও অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করে রাষ্ট্রগঠনে তাদের পূর্ণ অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।’

দীর্ঘদিন ধরে অর্থনীতিকে পঙ্গু করে রাখা দুর্নীতি, অনিয়ম ও অপব্যবস্থা দূর করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এই চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দেশের জনগণের কাছে সেই অঙ্গীকারই করছি।’

 

প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই চমকের পথে থালাপতি বিজয়

দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার সুপরাস্টার থালাপতি বিজয় (সি. জোসেফ বিজয়) প্রথমবারের মতো তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচন অংশ নিয়েছেন। প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ের দল তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম (টিভিকে) চমক দেখানোর পথে আছে। থালাপতি বিজয় দুটি আসন থেকে নির্বাচন করছেন, পেরাম্বুর এবং তিরুচিরাপল্লি (পূর্ব)।

আজ সোমবার দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়, তামিলনাড়ুতে ভোট গণনা চলছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তার দল ১০১ আসনে এগিয়ে আছে। এআইএডিএমকে জোট এগিয়ে আছে ৭৮ আসনে এবং ডিএমকে এগিয়ে আছে ৫০ আসনে। এই রাজ্যে সরকার গঠনের জন্য ১১৮টি আসন লাগে।

নির্বাচনে তিনি নিজেকে ‘প্রত্যেক তামিল পরিবারের সদস্য’ হিসেবে প্রচারণা চালান। এছাড়া বর্তমান শাসক দল দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝগমকে (ডিএমকে) সরাতে ‘হুইসেল রেভলিউশনের’ ডাক দেন। তার এই সিদ্ধান্ত কিছুটা ১৯৯১ সালে জয়ললিতার দুই আসনে লড়ার কৌশলের মতো। তবে বর্তমান তৃতীয় উপ-মুখ্যমন্ত্রী উধয়নিধি স্ট্যালিন বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন।

বিজয়ের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছে সফল চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার থেকে। তবে তার পথে কিছু চ্যালেঞ্জও ছিল। যেমন ২০২৫ সালের কারুর স্ট্যাম্পিড-সংক্রান্ত তদন্ত। তবুও তিনি কোনো জোটে না গিয়ে একাই লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) ‘আদর্শগত শত্রু’ ও ডিএমকেকে ‘রাজনৈতিক শত্রু’ বলেছেন।

তিনি সম্পদের দিক থেকেও আলোচনায় ছিলেন। নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৬২৪ কোটি রুপি, যা দেখে বোঝা যায় এই নির্বাচনের সবচেয়ে ধনী প্রার্থীদের একজন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি আলোচনায় ছিলেন, বিশেষ করে তার স্ত্রী সঙ্গীতার সঙ্গে বিচ্ছেদের খবরের কারণে।

পেরাম্বুর আসনে ভোটার সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার এবং তিরুচিরাপল্লি (পূর্ব) আসনে প্রায় ২ লাখ ১৭ হাজার। এই দুটি এলাকাতেই শ্রমজীবী ও খ্রিস্টান ভোটারদের বড় অংশ আছে, যা বিজয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। পেরাম্বুরে তিনি লড়ছেন ডিএমকের আর. ডি. সেকারের বিরুদ্ধে, আর তিরুচিরাপল্লিতে (পূর্ব) তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডিএমকের ইনিগো ইরুদয়ারাজ এবং এআইএডিএমকের কে. রাজাসেকরান।

নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এর মধ্যে আছে, স্নাতকদের জন্য মাসে ৪ হাজার রুপি ভাতা, নারীদের জন্য ২ হাজার ৫০০ রুপি সহায়তা এবং বিয়ের উপহার হিসেবে সোনা ও শাড়ি। এছাড়া তিনি সরকারি পরীক্ষাগুলো সময়মতো নেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে এই দুই আসনই ডিএমকে জোট জিতেছিল। তাই এবার বিজয়ের একক লড়াই তামিলনাড়ুর ঐতিহ্যবাহী দুই দলের প্রতিযোগিতাকে ত্রিমুখী লড়াইয়ে পরিণত করেছে।

‘অপরাধের দলিল’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে নিহত ১৬৫ শিক্ষার্থীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার আল জাজিরা জানায়, মিনাব শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অনুষ্ঠিত এ জানাজায় অংশ নেন হাজারো নারী-পুরুষ।

একইসঙ্গে হামলায় নিহতদের স্মরণেও জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করলে সেদিনই ওই বিদ্যালয়টি বিধ্বস্ত হয় এবং স্কুলের ১৬৫ শিক্ষার্থী নিহত হয়।

জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন স্কুলে হামলার ঘটনার তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ হামলার জন্য স্পষ্টভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন।

তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা ওই এলাকায় কোনো ইসরায়েলি বা মার্কিন হামলার বিষয়ে অবগত নয়। 

গাজায় হামলায়ও ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর একাধিক হামলার কথা অস্বীকার করেছে ইসরায়েল।

মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে দেখা যায়, মিনাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নেওয়া পুরুষরা ইরানের পতাকা নেড়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। নারীরাও এক পাশে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ করেন।

নিহত এক শিক্ষার্থীরা মা তার মেয়ের ছবি উঁচু করে ধরে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তিনি বলছিলেন, ‘এটা আমেরিকার অপরাধের দলিল।’

ইরানের প্রেস টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, শোকার্ত নারী-পুরুষরা ছোট ছোট কফিন ও শিক্ষার্থীদের ছবি নিয়ে রাস্তায় আসেন। শহরজুড়ে কান্না ও প্রার্থনার শব্দ ভাসছিল। 

ওই প্রদেশের প্রধান বিচারপতি মোজতাবা কাহরেমানি জানান, এখন পর্যন্ত স্কুলের ১৪০ জন শহীদ শিক্ষার্থীর মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের দাফনের অনুমতিপত্র দেওয়া হয়েছে।

২৫টি মরদেহ এখনো শনাক্ত করা হয়নি। তীব্র বিস্ফোরণের কারণে বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়া এই মরদেহগুলোর ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

সেখানে বিস্ফোরণের অবশিষ্টাংশ জব্দ করা হয়েছে এবং এর ভিত্তিতে এ হামলার তদন্ত করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র নির্বিচারে আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। হাসপাতাল, স্কুল, রেড ক্রিসেন্ট স্থাপনা কিংবা সাংস্কৃতিক নিদর্শন—কিছুই বাদ যাচ্ছে না।’

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের ভলকার টুর্ক বিদ্যালয়ে বিমান হামলার ঘটনায় ইরানের অভিযোগের ‘দ্রুত, নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ’ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

এক বিবৃতিতে তিনি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোতে হামলায় ‘মর্মাহত’ বলে উল্লেখ করেন।

তার অফিসের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি হামলাকারীদের প্রতি অনুসন্ধান ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে স্কুলে হামলার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘যদি এটি আমাদের হামলা হয়ে থাকে, তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তা তদন্ত করবে।’

বিএনপির অনেক ‘জুলাই যোদ্ধা’ বঞ্চিত হয়েছেন: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

বিএনপির রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে আগের সরকারের আমলে অনেক ‘জুলাই যোদ্ধা’ বঞ্চিত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

আজ বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদেরকে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘কিছু বঞ্চিত পরিবার রয়েছে যাদেরকে অতীতে বিএনপির দলীয় পরিচয়ের কারণে যথাযথ পুনর্বাসন সহায়তা দেওয়া হয়নি। আমরা সেসব বিষয় পর্যালোচনা করছি। আমাদের কাছে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় আসবে না। আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হ‌বে এবং শহীদ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হ‌বে, তা‌দের প্রাপ্য সম্মান তা‌দের দেওয়া হ‌বে।’

প্রধানমন্ত্রী জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

ইশরাক বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসা, তাদের পুনর্বাসন, পরিবার-পরিজনের শিক্ষাসহায়তা এবং বিভিন্ন ভাতার বিষয়ে তিনি হালনাগাদ তথ্য জানতে চেয়েছেন।’

জুলাই ফাউন্ডেশন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অতীতে সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করেছিল। সেই অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় হয়েছে কি না, তা জানতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে আমরা তার নির্দেশনা গ্রহণ করেছি।’

ইনস্টাগ্রামের লোগোতে পরিবর্তন, বদলে গেল লেখার ধরন

ইনস্টাগ্রাম তাদের লোগোর লেখার অংশে পরিবর্তন এনেছে। প্রায় এক দশক পর নতুন ওয়ার্ডমার্ক উন্মোচন করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি। ওয়ার্ডমার্ক বলতে কোনো প্রতিষ্ঠানের নামকে শুধু অক্ষর বা লেখার মাধ্যমে তুলে ধরা লোগোকে বোঝায়।

প্রযুক্তিবিষয়ক সাময়িকী টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদনে এসব জানানো হয়।

ইনস্টাগ্রামের ভাষ্য, দীর্ঘদিন একই নকশা ব্যবহারের পর আগের ওয়ার্ডমার্কটি কিছুটা পুরোনো মনে হচ্ছিল। তাই নতুন করে সাজানো হয়েছে ‘Instagram’ লেখাটিকে।

বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রাম ও থ্রেডসে নতুন নকশাটি প্রকাশ করেন ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসেরি। 

তার ভাষায়, নতুন ওয়ার্ডমার্কটি আরও আধুনিক, তবে এতে ইনস্টাগ্রামের পুরোনো নকশার পরিচিতিও রাখা হয়েছে।

লোগো বদলানো নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ নতুন নকশার প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ পুরোনো লোগোটিই বেশি পছন্দ করেছেন। নতুন ফন্টের প্রশংসাও করেছেন অনেকে।

তবে ফন্টটি নিয়ে মজার মন্তব্যও আছে। কারও কারও চোখে নতুন ‘Instagram’ শব্দটি দেখতে ‘Instagzam’এর মতো লাগছে। বিশেষ করে ‘r’ অক্ষরের নকশার কারণে এমনটা মনে হচ্ছে। অবশ্য ইনস্টাগ্রাম এতটাই পরিচিত একটি নাম যে, নতুন নকশা দেখেও মানুষ সহজেই বুঝতে পারবে, সেখানে ‘Instagram’ লেখা।

নতুন ফন্টে হাতের লেখার মতো একটা ভাব রয়েছে। বিশেষ করে ‘s’, ‘r’ ও ‘g’ অক্ষরে পুরোনো দিনের কার্সিভ লেখার ছাপ দেখা যায়। বিষয়টি কিছুটা অদ্ভুতও মনে হতে পারে। কারণ এখনকার তরুণদের অনেকেই আর আগের মতো কার্সিভ হাতের লেখা শেখে না। ফলে ‘s’ অক্ষরটি কারও কারও কাছে ছোট নৌকার পালের মতোও মনে হতে পারে!

ইনস্টাগ্রাম এর আগে বড় ধরনের নকশা পরিবর্তন করেছিল ২০১৬ সালে। তখন তারা পুরোনো বাদামি রঙের ক্যামেরা ও রংধনু-ধারার আইকন বাদ দিয়ে রঙিন গোলাপি গ্রেডিয়েন্টের নতুন আইকন চালু করে। সেই আইকন এখনো ব্যবহার করা হচ্ছে।

নতুন ওয়ার্ডমার্কের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামের অ্যাপ আইকন বা অন্য কোনো ডিজাইনেও পরিবর্তন আসছে কি না, তা এখনো জানা যায়নি। এ বিষয়ে মেটা এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

স্মরণীয় জয়ের উদযাপনে আহত হয়ে হাসপাতালে ইংলিশ ফুটবলার

মেক্সিকোর বিপক্ষে তাদেরই মাঠে দুর্দান্ত জয়ের রেশে এখনও উত্তাল ইংলিশ ভক্ত-সমর্থকেরা। তবে এই আনন্দের মাঝে দুঃসংবাদ হয়ে এসেছে মিডফিল্ডার জর্ডান হেন্ডারসনের আহত হওয়ার খবর। ম্যাচ শেষে সতীর্থদের সাথে উদযাপন করতে গিয়ে বিজ্ঞাপন বোর্ডের উপর থেকে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন এই অভিজ্ঞ ফুটবলার। 

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান বলছে, কবজিতে ব্যথা পাওয়ায় হেন্ডারসনকে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এই ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপে তাকে আর পাওয়া যাবে কি না তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। 

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর ইংল্যান্ড ফুটবলাররা গ্যালারির কাছে তাদের সমর্থকদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে গিয়েছিলেন। এর মাঝেই মেডিকেল স্টাফদের স্ট্রেচার নিয়ে দ্রুতগতিতে সেদিকে দৌড়ে আসতে দেখা যায়। এরপর সেখানেই অক্সিজেন দেয়ার পর স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নেয়া হয় হেন্ডারসনকে। 

সাবেক এই লিভারপুল অধিনায়কের চোটের মাত্রা সম্পর্কে বলতে গিয়ে ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেল বলেছেন, ‘এই জয়ের পর আমার মিশ্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছে, কারণ জর্ডানের ইনজুরির কারণে আমি দুঃখিত ও আবেগী হয়ে পড়েছি। তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। চোটের মাত্রা বেশ গুরুতর। এরকম একটি স্মরণীয় সন্ধ্যায় সে আমাদের সাথে নেই, এটি একদমই মানানসই নয়। আমরা জয় উদযাপনের পাশাপাশি তার কথাও ভাবছি’। 

মেক্সিকোর বিপক্ষে মাঠে না নেমেও বেঞ্চে থাকা অবস্থায় হলুদ কার্ড দেখেছেন এই মিডফিল্ডার। চলতি বিশ্বকাপে কেবল পানামার বিপক্ষে ম্যাচে ৮৪ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন হেন্ডারসন।   

 

সুকুক বন্ডে বিনিয়োগে আগ্রহী, কেনার আগে যা জানা প্রয়োজন

ইসলামি শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগে উৎসাহীদের জন্য আছে সরকারি সুকুক বন্ড। বিভিন্ন মেয়াদের সুকুকের মাধ্যমে এর আগে ৪৮ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে সরকার।

গত ২৮ জুন প্রথমবারের মতো স্বল্পমেয়াদি সুকুকের নিলাম করা হয়। ২৭৩ দিন মেয়াদি এই বন্ডের নাম দেওয়া হয়েছে ‘বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট সুকুক’।

শরিয়াহভিত্তিক স্বল্পমেয়াদি এই বন্ড প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। সরকার এই নিলাম থেকে ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করলেও বিনিয়োগকারীরা ৫৬ হাজার ৬০৭ কোটি টাকার দরপত্র জমা দেন। অর্থাৎ, লক্ষ্যের চেয়ে ১০ গুণেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে।

বিনিয়োগকারীদের বিপুল আগ্রহের কারণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সুকুকের মাধ্যমে আরও তহবিল সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আগামী দিনে বিভিন্ন মেয়াদের সুকুক নিলামের মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা তোলা হতে পারে।

সুকুক সম্পর্কে যা জানা প্রয়োজন: সুকুক কী?

সুকুক হলো প্রচলিত বন্ডের বিকল্প ইসলামি শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগ। প্রচলিত বন্ডে যেখানে সুদ দেওয়া হয়, সেখানে সুকুকে কোনো সুদ থাকে না। বরং সুকুকের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ কোনো সম্পদ বা প্রকল্পে বিনিয়োগ করে সেখান থেকে যে আয় হয়, তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মুনাফা হিসেবে ভাগ করে দেওয়া হয়। সরকারের সর্বশেষ এই সুকুকটি ‘ইজারা সুকুক’ কাঠামোর। অর্থাৎ, এখানে বিনিয়োগকারীরা সুদের বদলে ইজারা বা ভাড়ার আয় থেকে মুনাফা পাবেন।

কারা বিনিয়োগ করতে পারবেন

ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারী, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এতে বিনিয়োগ করতে পারবেন।

কত বিনিয়োগ করা যাবে

সুকুকে সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করা যায়। তবে ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের কোনো সর্বোচ্চ সীমা নেই।

কীভাবে বিনিয়োগ করবেন

যেকোনো তফসিলি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সুকুকে বিনিয়োগের আবেদন করা যাবে। তবে যারা প্রথমবারের মতো সুকুকে বিনিয়োগ করবেন, তাদের ব্যাংক থেকে একটি ‘সুকুক ইনভেস্টর’ (এসআই) আইডি খুলে নিতে হবে। আর যারা আগে সুকুকে বিনিয়োগ করেছেন, তাদের নতুন করে আইডি খোলার প্রয়োজন নেই।

মুনাফায় উৎসে কর

বিনিয়োগকারীর হিসাবে টাকা জমা হওয়ার আগে মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ উৎসে কর কাটা হবে।

মেয়াদ পূর্তির আগে নগদায়ন বা বিক্রি

মেয়াদ পূর্তির আগেও প্রয়োজন হলে নগদায়ন করা যাবে। প্রচলিত বাজার পরিস্থিতি ও প্রযোজ্য নিয়মনীতি মেনে বিনিয়োগকারীরা মেয়াদ পূর্তির আগেই সুকুক ভাঙাতে বা বিক্রি করতে পারবেন।

সঞ্চয়পত্র ও এফডিআরের তুলনায় মুনাফা

সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংকের স্থায়ী আমানতে যে ধরনের মুনাফা পাওয়া যায়, সুকুকের মুনাফাও প্রায় কাছাকাছি। তবে মূল পার্থক্য হলো, সুকুকে সুদের বদলে নির্দিষ্ট সম্পদের আয় থেকে মুনাফা দেওয়া হয়। ইসলামি শরিয়াহসম্মত করতে মুনাফার হার নির্দিষ্ট থাকে না।

মেয়াদ শেষে কীভাবে আসল ও মুনাফা পাওয়া যাবে
মেয়াদ পূর্তিতে বিনিয়োগ করা মূল টাকা এবং এর বিপরীতে জমা হওয়া মুনাফা একসঙ্গে এককালীন পরিশোধ করা হবে। এই টাকা সরাসরি বিনিয়োগকারীর ব্যাংক হিসাবে জমা হয়ে যাবে।

‘আরও দুই-চারবার বিরোধী দলে থাকলে সমালোচনা করা শিখবেন’

বিরোধী দলের সমালোচনাকে খুব একটা আমলে নিচ্ছেন না বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘আপনারা এই প্রথম বিরোধী দল হয়েছেন। আমার বিশ্বাস, অনেক জায়গায় সমালোচনা করতে আপনারা ভুল করেছেন। আরও দুই-চারবার বিরোধী দলে থাকলে আস্তে আস্তে সমালোচনা করাটাও বুঝে যাবেন।’

আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রবিউল আলম বলেন, ‘আমি বিরোধী দলের সমালোচনাকে খুব একটা আমলে নিচ্ছি না। এই সরকার তাদের প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেছে। বাজেট হচ্ছে রাষ্ট্র কর্তৃক আহরিত অর্থের সম্ভাব্য ব্যবহারের চিত্র। সরকার এই বাজেট বাস্তবায়নের জন্যই জনগণের ম্যান্ডেট পেয়েছে।’

অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যয় বা অনুন্নয়ন ব্যয় আগের অর্থবছরে ছিল ৭২ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থমন্ত্রী সেখান থেকে কমিয়ে তা ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশে নিয়ে এসেছেন। অর্থাৎ তিনি অপচয় রোধ করেছেন এবং অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি উন্নয়ন ব্যয় বাড়িয়ে ৩৩ দশমিক ৭ শতাংশ করেছেন, যা গত অর্থবছরে ছিল ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ।’

তিনি বলেন, ‘পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকার এই জাতির জন্য কলঙ্ক হিসেবে প্রচুর ঋণ চাপিয়ে দিয়ে গেছে। সেই ঋণের সুদ দেওয়ার জন্যই বর্তমান সরকারকে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এটি না দিতে হলে অনুন্নয়ন ব্যয় আরও কমানো যেত।’

বিএনপি সরকার এর আগে কীভাবে প্রবৃদ্ধি বাড়িয়েছে, তার উদাহরণ দিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘২০০১ থেকে ২০০৬ সালে বিএনপি সরকারের আমলে প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ১ থেকে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ হয়েছিল। এবার আমাদের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে মাত্র ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। বিএনপি জানে কীভাবে লক্ষ্য অর্জন করতে হয়।’

‘রকস্টার’ সিনেমার ৫৪ সেকেন্ডের অ্যানিমেটেড ভিডিও

বাংলা সিনেমায় নতুন চমক নিয়ে আসছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। তার নতুন সিনেমা ‘রকস্টার’ নিয়ে এবার নতুন বার্তা দিলেন তিনি। আজ সকালে ৫৪ সেকেন্ডের একটি অ্যানিমেটেড ভিডিও প্রকাশ করেছেন। ক্যাপশনে শাকিব খান লিখেছেন, ‘একটা গল্প, যা বদলে দেবে সবকিছু! আসছে খুব শিগগিরই।’

অ্যানিমেটেড ভিডিওটির শুরুতেই দেখা যায় ঝুম বৃষ্টি। একটি উঁচু বিশাল দালানের দেয়ালে তখন আলো ছড়াচ্ছে ‘রকস্টার’ শাকিবের ছবি। স্ক্রিনে তখন ভেসে ওঠে রহস্যময় দুটি চরিত্র।

ভিডিওর শেষে দেখা যায়, কনসার্টে উপস্থিত অসংখ্য দর্শকের সামনে গান গাইছেন ‘রকস্টার’। ‘আমাকে পুড়িয়ে দাও, আমাকে ভাসিয়ে দাও’—এমন গানে মুগ্ধতা ছড়ানোর পর জানানো হয়, আগামী ৫ মে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে ‘রকস্টার’ সিনেমার টিজার।

সান কমিউনিকেশনসের প্রযোজনায় ‘রকস্টার’ পরিচালনা করছেন আজমান রুশো। সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে রয়েছেন অভিনেত্রী সাবিলা নূর। এ ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ বিজয়ী মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা।