28.7 C
Dhaka
Home Blog

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সব স্থাপনাই বৈধ লক্ষ্যবস্তু: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ব্যবহৃত সব স্থাপনাকে ইরানের জন্য ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, শনিবার ইরানি টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্টদের যে সব স্থান থেকে অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং ইরানের প্রতিরক্ষা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে যেসব স্থানে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেসব স্থানকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করে।’

তিনি আরও জানান, ইরানের প্রতিরক্ষার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত যেকোনো স্থাপনার বিষয়ে সশস্ত্র বাহিনী নিজস্ব মূল্যায়নের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে।

 

The destroyed building is a primary school for girls in the south of Iran. It was bombed in broad daylight, when packed with young pupils.

Dozens of innocent children have been murdered at this site alone.

These crimes against the Iranian People will not go unanswered. pic.twitter.com/AVqiuolgWm

— Seyed Abbas Araghchi (@araghchi) February 28, 2026

 

এদিকে বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, মেয়েদের স্কুলে ইসরায়েলের প্রাণঘাতী হামলার জবাব দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন আরাঘচি।

বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানায়, এ বিষয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন আরাঘচি।

ল্যাভরভ বলেন, ইরানের ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইনের নীতিমালা লঙ্ঘন করেছে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাতে রাশিয়া প্রস্তুত রয়েছে, প্রয়োজনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদেও উদ্যোগ নেওয়া হবে। ল্যাভরভ হামলা অবিলম্বে বন্ধ করে কূটনৈতিক সমাধানে ফেরার আহ্বান জানান।

আনাদোলু জানায়, বিবৃতিতে বলা হয়, আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘আগ্রাসন’ প্রতিহত করতে ইরানের নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে রাশিয়াকে অবহিত করেছেন।

শনিবার ভোরে ইসরায়েল হামলা শুরু করে ইরানে এবং দেশে বিশেষ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সালিম সামাদ মারা গেছেন

পুরস্কারপ্রাপ্ত অনুসন্ধানী জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সালিম সামাদ মারা গেছেন। দীর্ঘদিন তিনি ক্যানসারে ভুগছিলেন।

আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে তিনি মারা যান।

সালিম সামাদ ছিলেন পুরস্কারপ্রাপ্ত অনুসন্ধানী সাংবাদিক, পেশাদার লেখক, গবেষক ও গণমাধ্যম অধিকার রক্ষা কর্মী।

তিনি ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য নিউজ টাইমস’, ‘বাংলাদেশ অবজারভার’ ও ‘দ্য এশিয়ান এজ’-এর বিশেষ সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তার লেখা নিবন্ধ বিশ্বখ্যাত ‘টাইম’ ম্যাগাজিন, ভারতের ‘ইন্ডিয়া টুডে’ ও ‘আউটলুক’ ম্যাগাজিন এবং পাকিস্তানের ‘সাউথ এশিয়া’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে।

এ ছাড়া, তিনি ঢাকা ট্রিবিউন, শুদ্ধস্বর, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স রিভিউ, হেলথ অ্যানালিটিক এশিয়া, নিউইয়র্ক এডিটোরিয়াল এবং প্রেসেনজা ইন্টারন্যাশনাল প্রেস এজেন্সিতে নিয়মিত কলাম লিখতেন।

তিনি বাংলাদেশের মফস্বল সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক বিষয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন।

তিনি কাঠমান্ডু (নেপাল), করাচি (পাকিস্তান), ঢাকা (বাংলাদেশ) ও কলম্বোতে (শ্রীলঙ্কা) দক্ষিণ এশীয় সাংবাদিকদের জন্য পরিবেশ ও উন্নয়ন সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা পরিচালনা করেছেন।

মার্কিন অলাভজনক সংস্থা একাডেমি ফর এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্ট (এইডি), এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও), বাংলাদেশ সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট, জার্নালিজম অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিসিডিজেসি), বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস জার্নালিস্ট ফোরাম (বিএমএসএফ) এবং ফোরাম অব এনভায়রনমেন্টাল জার্নালিস্টস অব বাংলাদেশ (এফইজেবি)-এর গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
 

জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি পুনর্গঠন

জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম (এনআইসিটিএফ)-এর জরুরি সাধারণ সভায় সংগঠনের কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত ক্লাব নটরডেমিয়ান্স বাংলাদেশ লিমিটেডের অডিটরিয়ামে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রম, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের গঠনতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয়। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও শৃঙ্খলাবদ্ধ, গতিশীল ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছে।

গঠনতন্ত্র অনুমোদনের পর সংগঠনের বর্তমান কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। এতে পুরনো দায়িত্বশীল সদস্যদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে এবং কার্যক্রমে নতুন গতি আনয়নের লক্ষ্যে নতুন কিছু যোগ্য ও সক্রিয় সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পুনর্গঠিত কমিটিতে প্রফেসর ড. শাহ জে. মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, রওশন কামাল জেমসকে সাধারণ সম্পাদক, রিয়াদ হাসনাইনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জুয়েলকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

সভায় সর্বমোট ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর ফলে সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী হবে এবং আইসিটি খাতের পেশাজীবী, উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিবিদদের নিয়ে ফোরামের কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়াও সভায় জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের সাধারণ সদস্য অন্তর্ভুক্তির জন্য সদস্য নিবন্ধন ফরম উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মাধ্যমে দেশের আইসিটি খাতের আগ্রহী পেশাজীবী, উদ্যোক্তা, প্রযুক্তিবিদ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সদস্য হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।

বক্তারা বলেন, জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন, পেশাজীবীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, নীতিনির্ধারণী আলোচনায় সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সভা শেষে সংগঠনের ঐক্য, শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা বজায় রেখে আগামী দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

আইফোন ১৮ কবে আসছে, নতুন কী থাকছে, দাম কত

অ্যাপলের নতুন আইফোন ঘিরে প্রযুক্তিপ্রেমীদের আগ্রহ যেন কখনোই কমে না। ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন বাজারে আসার পর থেকে প্রতিবছরই নতুন সংস্করণ উন্মোচন করেছে অ্যাপল। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালেও আসছে বহুল প্রতীক্ষিত আইফোন ১৮ সিরিজ।

যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবু বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র ও প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের তথ্য বলছে, এ বছর অ্যাপল শুধু নতুন আইফোন ১৮ সিরিজই নয়, তাদের প্রথম ভাঁজ করা (ফোল্ডেবল) আইফোনও উন্মোচন করতে পারে।

তাহলে আইফোন ১৮-তে নতুন কী থাকছে? দাম কত হতে পারে? আর ক্যামেরা, ডিসপ্লে ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর সিরিতে কী পরিবর্তন আসছে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

অ্যাপল দীর্ঘদিন ধরেই সেপ্টেম্বর মাসে নতুন আইফোন উন্মোচন করে আসছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের ধারণা, সেপ্টেম্বরের শেষ ভাগ কিংবা অক্টোবরের শুরুতেই বাজারে আসবে নতুন আইফোন ১৮ সিরিজ।

এবারের আয়োজন আরও বিশেষ হতে পারে। কারণ, অ্যাপলের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জন টারনাস প্রথমবারের মতো নতুন আইফোন উন্মোচন করবেন।

আইফোনপ্রেমীদের জন্য সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ হতে পারে এর দাম।

বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে বিশ্বজুড়ে র‌্যাম চিপের চাহিদা বেড়েছে। ফলে স্মার্টফোন, ল্যাপটপ ও গেমিং ডিভাইসের উৎপাদন ব্যয়ও বেড়েছে।

বিদায়ী সিইও টিম কুক ইতোমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, এবার আইফোনের দাম বাড়বে।

বিশ্লেষকদের মতে, শুধু মেমোরি চিপের খরচই আগের মডেলের তুলনায় প্রায় ১৫০ ডলার বেশি পড়ছে।

তবে বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, অ্যাপল কেবল বাড়তি উৎপাদন খরচই যোগ করবে না, লাভের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখবে।

প্রযুক্তি সাময়িকী ম্যাশেবল জানিয়েছে, সে ক্ষেত্রে আইফোন ১৮ প্রোর সম্ভাব্য দাম হতে পারে প্রায় ১ হাজার ২৯৯ মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২০০ ডলার বেশি।

এবারও তিনটি প্রচলিত মডেল আসার সম্ভাবনা আছে। আইফোন ১৮, আইফোন ১৮ প্রো, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স। এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় চমক হতে পারে অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন, যার সম্ভাব্য নাম আইফোন ফোল্ড অথবা আইফোন ফোল্ড আল্ট্রা।

প্রাথমিক তথ্য বলছে, এবার আইফোনের ডিজাইনে আমূল পরিবর্তন আসছে না। তবে কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।
সম্ভাব্য ডিসপ্লের আকার হবে আইফোন ১৮ ৬ দশমিক ৩ ইঞ্চি, আইফোন ১৮ প্রো ৬ দশমিক ৩ ইঞ্চি এবং আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স ৬ দশমিক ৯ ইঞ্চি।

যদিও আকার প্রায় একই থাকছে, তবে ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা আগের যেকোনো আইফোনের চেয়ে বেশি হতে পারে।

এবারের আইফোনে সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন হতে পারে ডায়নামিক আইল্যান্ড। খবরে বলা হচ্ছে, নোটিফিকেশন ও ক্যামেরার জন্য ব্যবহৃত পিল-আকৃতির অংশটি আগের তুলনায় আরও ছোট হতে পারে। বেস মডেলে ক্যামেরা বাম্পও কিছুটা ছোট হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

আইফোন ১৮ প্রোর সম্ভাব্য রঙগুলো নিয়েও বেশ আলোচনা চলছে। গুঞ্জন অনুযায়ী রঙ হতে পারে—সিলভার, ধূসর, হালকা নীল, ডার্ক চেরি (গাঢ় লাল)। অর্থাৎ দীর্ঘদিনের জনপ্রিয় কালো রঙটি এবারও নাও থাকতে পারে।

আইফোন ১৮ সিরিজে উল্লেখযোগ্য কিছু প্রযুক্তিগত উন্নয়ন আসতে পারে। সম্ভাব্য পরিবর্তনের মধ্যে আছে—সব মডেলেই ১২ জিবি র‌্যাম, নতুন এ২০ ও এ২০ প্রো প্রসেসর, আরও দ্রুতগতির সি২ মডেম, উন্নত ওয়াইফাইয়ের জন্য নতুন এ২ চিপ, স্যাটেলাইটভিত্তিক ৫জি সংযোগের সুবিধা।

আগের বছর বেস মডেলে ৮ জিবি র‌্যাম থাকলেও এবার সব মডেলেই সমান র‌্যাম দেওয়ার সম্ভাবনা আছে।

আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্সে ৫ হাজার এমএএইচের বেশি ক্ষমতার ব্যাটারি থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি আগের মডেলের তুলনায় দীর্ঘ সময় ব্যাটারি ব্যাকআপ দেবে।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, আইফোন ১৮ প্রোর সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হতে যাচ্ছে ক্যামেরায়। বিশেষ করে যুক্ত হতে পারে ভ্যারিয়েবল অ্যাপারচার প্রযুক্তি। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্যামেরা প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেই আলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। এর ফলে কম আলোতে আরও ভালো ছবি, ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার, আরও বাস্তবসম্মত পোর্ট্রেট, উন্নত ডিটেইল এবং রঙ পাওয়া যাবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি আইফোন ক্যামেরার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলোর একটি হতে পারে।

আইফোন ১৮-এর সঙ্গে আসবে আইওএস ২৭। এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হতে পারে নতুন এআইচালিত সিরি। নতুন সিরি স্ক্রিনে কী দেখা যাচ্ছে তা বুঝতে পারবে, আরও স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নের উত্তর দেবে, বিভিন্ন কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সাহায্য করবে, গুগলের জেমিনাইয়ের কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করবে।

তবে অ্যাপল পরিষ্কার করে জানিয়েছে, নতুন সিরি কখনোই মানুষের বন্ধু বা সঙ্গী হওয়ার চেষ্টা করবে না। বরং এটি কেবল একজন দক্ষ ডিজিটাল সহকারী হিসেবেই কাজ করবে।

এখন পর্যন্ত আইফোন ১৮ নিয়ে যত তথ্য প্রকাশ হয়েছে, তার বেশির ভাগই বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র, প্রযুক্তি বিশ্লেষক এবং ফাঁস হওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে।

চূড়ান্ত সত্য জানা যাবে সেপ্টেম্বরে অ্যাপলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর।

তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য বলছে, আইফোন ১৮ সিরিজে বড় ধরনের নকশাগত পরিবর্তন না এলেও ক্যামেরা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রসেসিং ক্ষমতা, ব্যাটারি এবং পারফরম্যান্সের দিক থেকে এটি হতে পারে অ্যাপলের অন্যতম শক্তিশালী স্মার্টফোন।

সূত্র: ম্যাশেবল, টেকক্রাঞ্চ
 

৩ লাল কার্ডের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাল মেক্সিকো

একটি কিংবা দুটি নয়, তিন তিনটি লাল কার্ড দেখা গেল ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে! ঘটনাবহুল এই খেলায় মেক্সিকোর সঙ্গে মোটেও লড়াই জমাতে পারল না দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে জয় তুলে নিয়ে শুভ সূচনা করল টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক মেক্সিকো।

বৃহস্পতিবার রাতে মেক্সিকো সিটির অ্যাজতেকা স্টেডিয়ামে স্বাগতিকরা জিতেছে ২-০ গোলে। কানায় কানায় পূর্ণ ৮০ হাজারের বেশি দর্শক ধারণ ক্ষমতার গ্যালারির সামনে ম্যাচের দুই অর্ধে একবার করে লক্ষ্যভেদের উল্লাস করে তারা। হুলিয়ান কিনিয়োনোনেস নবম মিনিটে দলকে এগিয়ে দেওয়ার পর ৬৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অভিজ্ঞ তারকা স্ট্রাইকার রাউল হিমেনেজ।

কোনো দলই পুরো ১১ জন নিয়ে ম্যাচ শেষ করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে রেফারি উইলতন সাম্পাইও দেখান তিনটি সরাসরি লাল কার্ড— দুটি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ও একটি মেক্সিকোকে। ৪৯তম মিনিটে স্ফেফেলো সিথোলে ও ৮৪তম মিনিটে থেম্বা জোয়েন মাঠ ছাড়লে নয় জনের দলে পরিণত হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে সেজার মন্তেস লাল কার্ড দেখলে মেক্সিকো নেমে আসে ১০ জনের দলে।

সবশেষ ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে মাত্র চারটি লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল। আর এর আগে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে কখনোই তিনটি লাল কার্ড দেখানো হয়নি।

এসব নাটকীয় ঘটনার অনেক আগেই মেক্সিকো দল তাদের সমর্থকদের আনন্দে ভাসায়। ম্যাচের মাত্র নবম মিনিটের মাথায় তারা প্রথম গোলটি করে। ডি-বক্সের সামনে দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার সিথোলের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ট্যাকল করেন এরিক লিরা। বল গিয়ে পড়ে কিনিয়োনেসের সামনে। তার জোরালো শট গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামসের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে জড়ায়।

বিরতির ঠিক আগে কিনিয়োনেস ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু ১২ গজ দূর থেকে নেওয়া তার শটটি ডান পাশের পোস্টের নিচের দিকে লেগে ফিরে আসে।

দ্বিতীয়ার্ধের চতুর্থ মিনিটে সিথোলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। গোল করার উদ্দেশ্যে এগিয়ে যাওয়া ব্রায়ান গুতিয়েরেজকে তিনি ফাউল করে ফেলে দিয়েছিলেন। একজন খেলোয়াড় বেশি থাকায় আয়োজক মেক্সিকোর কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।

১৭ বছর ২৪০ দিন বয়সী তরুণ মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা এই টুর্নামেন্টের কনিষ্ঠতম খেলোয়াড়। ৬৬তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে তিনি এক নতুন কীর্তি গড়েন। তিনি মেক্সিকোর ইতিহাসে বিশ্বকাপে খেলা সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়ে পরিণত হন। দেশটির হয়ে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে খেলার রেকর্ড দীর্ঘ ৯৬ বছর ধরে ছিল মানুয়েল রোসাসের। ১৯৩০ সালে ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপে তিনি মাঠে নেমেছিলেন ১৮ বছর ৮৭ দিন বয়সে।

পরের মিনিটেই ৩৫ বছর বয়সী হিমেনেজ মেক্সিকোর জয় অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলেন। রবার্তো আলভারাদোর ক্রস থেকে দূরের পোস্টে জোরালো হেডে তিনি জাল কাঁপান। বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজের প্রথম গোল করার আবেগঘন মুহূর্তে তার চোখে পানিও চলে এসেছিল।

২০১০ সালে বিশ্বকাপ আয়োজন করার পর এবারই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকা মূল পর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছে। তবে উপলক্ষটি রাঙাতে না পেরে তাদের ম্যাচটি শেষ করতে হয় নয় জন খেলোয়াড় নিয়ে। বদলি খেলোয়াড় জোয়েনকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। আলভারাদোর মুখে আঘাত করায় তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়।

ম্যাচের শেষদিকে মেক্সিকোও একটি লাল কার্ড পায়। কারণ, ডি-বক্সের বাইরে মন্তেস ফাউল করে বসেন খুলিসো মাদাওকে। তবে শেষ বাঁশি পর্যন্ত হাভিয়ের আগুইরের শিষ্যরা তাদের দুই গোলের ব্যবধান ধরে রেখে আনন্দে মাতে।

সরকারি মালিকানায় আর কোনো টেক্সটাইল মিল স্থাপনের পরিকল্পনা নেই: পাটমন্ত্রী

সরকারি মালিকানায় আর কোনো টেক্সটাইল মিল স্থাপন বা পরিচালনার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

আজ শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রোমোশন সেন্টারে ‘কর্মসংস্থানে টেকসই উত্তরণ: টেক্সটাইল শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ও পথচলা’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, সরকার নতুন করে সরকারি মালিকানায় কোনো মিল স্থাপন বা পরিচালনার পরিকল্পনা করছে না। ব্যবসা করবে ব্যক্তি খাত। সরকার নীতি সহায়তা ও প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরিতে কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, টেক্সটাইল শিল্পকে টেকসই করতে হলে আগে শিল্প খাতকেই প্রতিযোগিতা সক্ষম ও আধুনিক করতে হবে। শিল্প যদি সংকটে থাকে, তাহলে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানও টেকসই হবে না।

বিদ্যমান টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোর কারিকুলাম সময়োপযোগী করা এবং প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিতভাবে তা হালনাগাদ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মুক্তাদির বলেন, টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়নে বিটিএমএ ও সক্ষম বেসরকারি মিলগুলোকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে শিক্ষকের ঘাটতি কমবে, প্রযুক্তিগত আপগ্রেডেশন বাড়বে এবং শিক্ষার্থীরা বাস্তব শিল্প অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে।

জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা, উৎপাদন ব্যয়, কস্ট অব ফান্ড এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা টেক্সটাইল খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তিনি জানান, এসব সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে।

পাশাপাশি ম্যানমেইড ফাইবার, নতুন পণ্য উন্নয়ন এবং ভ্যালু চেইনে আপগ্রেডেশনের মাধ্যমে খাতটিকে আরও প্রতিযোগিতা সক্ষম করা হবে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গুপ্ত রাজনীতি করে না: ফয়জুল করীম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গুপ্ত রাজনীতি করে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।

তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন যা মুখে বলে, বাস্তবে তাই করে।’

আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

ফয়জুল করীম বলেন, ‘নির্বাচনের পরে অনেকের প্রশ্ন যে, ঐক্যের জন্য আহ্বান করেছেন আপনারা, প্লাটফর্ম গড়েছেন আপনারা, আবার শেষ পর্যন্ত নাইও আপনারা।’

‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোটে ছিল ইসলামের জন্য, বের হয়েছে ইসলামের জন্য। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জনগণের সাথে ধোঁকাবাজি করতে পারে না, প্রতারণা করতে পারে না,’ যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলামের জন্য ক্ষমতা ত্যাগ করতে পারে, কিন্তু ক্ষমতার জন্য ইসলাম ত্যাগ করতে পারে না,’ বলেন তিনি।

করীম বলেন, ‘আজকে আমরা সংসদে কী দেখছি? আবারও কে রাজাকার কে রাজাকার না—এটা প্রমাণ করার জন্য সময় ব্যয় করা হচ্ছে। আবার কেউ শিশু মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করছে। এগুলো হাস্যকর। আবার কেউ মুক্তিযোদ্ধার পরিবার হিসেবে নিজেকে পেশ করছেন।’

‘সত্য বললেই হয়, আপনার পরিবারের মধ্যে কে কে মুক্তিযোদ্ধা ছিল? তাহলে জাতি স্পষ্ট বার্তা পাবে যে অমুক অমুক মুক্তিযোদ্ধা ছিল। আমার পরিবারের লোক মুক্তিযোদ্ধা—কে কে মুক্তিযোদ্ধা? কোথায় যুদ্ধ করেছেন? কোথায় শহীদ হয়েছেন? বলে দেন। তাহলে অস্পষ্ট থাকবে না,’ জামায়াত আমিরকে ইঙ্গিত করে বলেন তিনি।

বিরোধীদল সংসদে শরিয়াহ আইনের পক্ষে বিল উত্থাপন করবে এবং পাস না হলে ওয়াক আউট করবে এটা আমরা দেখতে চাই—প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই ফাঁকিবাজি আমরা দেখতে চাই না।’

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর বক্তব্যের জের ধরে করীম বলেন, ‘জনসভা থেকে বিরোধীদলকে স্পষ্ট বক্তব্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি, আপনারা কী চান?’

‘আপনারা এখানেও লুকোচুরি করবেন, এটা হতে পারে না,’ যোগ করেন তিনি।

করীম বলেন, ‘কেউ কেউ বলেছেন, ছাত্রলীগের মধ্যে যে হেলমেট বাহিনী ছিল, তারা কারা। এই প্রশ্ন আসছে।
যদি কোনো একদিন কেউ বলে যে, হেলমেট পরতো লোকগুলো অমুক ছিল, আপনারা কী জবাব দেবেন?’

‘সব ভালো ভালো না, বেশি ভালো ভালো না, বেশি রাজনীতি ভালো না’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘ইদানীং আমরা দেখেছি, আপনাদের অতি রাজনীতিতে বিভিন্ন চোরাবালিতে আটকে যাচ্ছেন। এর থেকে বের হতে পারবেন না। আগে বক্তব্য স্পষ্ট করুন।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আজ বা কাল দেশে ইসলামের শাসন চায় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচন জনগণের নির্বাচন হয় নাই, চুক্তিবদ্ধ নির্বাচন হয়েছে।’

‘হাজারো বক্তা এবং জ্ঞানীরা, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বশীলরা বলেছে যে, গত নির্বাচনটা কীভাবে হয়েছিল। এটা তারা স্পষ্ট করেছেন,’ যোগ করেন তিনি।

ইসলামের পক্ষে থাকার কারণে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনকে ষড়যন্ত্র করে হারানো হয়েছে বলেও দাবি করেন এই বক্তা।

জঙ্গি নাটক সাজিয়ে আবারও দেশকে ধ্বংস করার চক্রান্ত চলছে অভিযোগ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কোনো জঙ্গি ছিল না। হঠাৎ জঙ্গি কোথায় থেকে এসেছে?’

এ সময় ফয়জুল করীম ইসলামের পক্ষে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ধ্বংস হওয়ার জিনিস নয়।

আশা ভোসলের কণ্ঠে কালজয়ী হিন্দি ও বাংলা গানগুলো

ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলের বিদায়কে সংগীতপ্রেমীরা দেখছেন এক যুগের অবসান হিসেবে। 

গতকাল রোববার দুপুরে ৯২ বছর বয়সে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

আজ সোমবার বিকেলে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্ক শ্মশানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয় তার শেষকৃত্য। শ্রদ্ধা ও অগণিত মানুষের ভালোবাসায় শেষ বিদায় জানানো হয় এ কিংবদন্তিকে। 

এর আগে তার মরদেহ মুম্বাইয়ের লোয়ার পারেলের বাসভবন থেকে শোভাযাত্রার মাধ্যমে শিবাজি পার্কে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তার ছেলে আনন্দ ভোসলেসহ পরিবারের সদস্যরা। 

শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হন আমির খান, শচিন টেন্ডুলকার, এ আর রহমান, জ্যাকি শ্রফ, রিতেশ দেশমুখ, রণবীর সিং, রাকেশ রোশন, হেলেন, পুনম ধিল্লন, মীনাক্ষী শেশাদ্রি, টাবুসহ আরও অনেকে।

তার জনপ্রিয় হিন্দি গানগুলোর মধ্যে রয়েছে—  

‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘মেরা কুছ সামান’, ‘ও হাসিনা জুলফোওয়ালি’, ‘পিয়া তু আব তো আজা’, ‘দাম মারো দাম’, ‘রঙ্গিলা রে’, ‘রাধা ক্যায়সে না জালে’, ‘কাহিঁ আগ লাগে’, ‘রোজ রোজ আঁখো তলে’, ‘এক ম্যায় অউর এক তু’, ‘জাওয়ানি জানে মান’, ‘দো লফজো কি কাহানি’, ‘রাত আকেলি হ্যায়’, ‘ও মেরি সোনা রে’, ‘ঝুমকা গিরা রে’, ‘তুমসে মিলকে’,  ‘তু হ্যায় ওহি’, ‘এক হাসিনা থি’, ‘ইন আঁখো কি মাস্তি’, ‘অ্যায় মেহেরবান’, ‘ক্যায়া গাজব করতে হো জি’, ‘ইয়ে মেরা দিল ইয়ার কা দিওয়ানা’, ‘হাঙ্গামা হো গ্যায়া’, ‘রাত বাকি বাত বাকি’, ‘পারদে মে রেহনে দো’, ‘কই সেহেরি বাবু’, ‘এ লাড়কা হায় আল্লাহ’, ‘খুল্লাম খুল্লা পেয়ার কারেঙ্গে’, ‘ভোলি ভোলি সি এক সুরাত’, ‘ও সাথি রে’ ইত্যাদি। 

বাংলা গানের মধ্যে রয়েছে— 

‘তোমারই চলার পথে আমি’, ‘কিনে দে রেশমি চুড়ি’, ‘কথা দিলাম আমি কথা দিলাম’, ‘আর কত রাত একা থাকব’, ‘ফুল কেন লাল হয়’, ‘ছোট্ট একটা ভালোবাসা’, ‘কত না ভাগ্য আমার’, ‘আমি মন দিয়েছি’, ‘মায়াবী এ নেশা’,  ‘একটা দেশলাই কাঠি জ্বালাও’, ‘আকাশে সূর্য আছে যতদিন’, ‘বন্ধ মনের দুয়ার’, ‘প্রেম কিসে হয়’, ‘নাগর আমার কাঁচা পিরিত’, ‘আজ আকাশে রঙের খেলা’, ‘মধুবনে বাঁশি বাজে’, ‘নাচ ময়ূরী নাচ রে’, ‘আধো আলো ছায়াতে’, ‘তুমি আমার নয়ন গো’, ‘জানা অজানা পথে চলেছি’, ‘আরো কাছাকাছি’, ‘চোখে নামে বৃষ্টি’, ‘কি জাদু তোমার চোখে’, ‘আমি জানি না কেন’, ‘আমি অন্ধকারের যাত্রী’, ‘খুব চেনা চেনা মুখখানি তোমার’, ‘শোনো এইতো সময়’, ‘যেতে যেতে পথে হলো দেরি’, ‘শোনো মন বলি তোমায়’ প্রভৃতি। 

১৯৩৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন আশা ভোসলে। মাত্র ১০ বছর বয়সে মারাঠি চলচ্চিত্রে প্রথম গান রেকর্ড হয় তার। শুরুতে মূলত নাচের গান বা হালকা ধরনের গানের জন্য পরিচিতি পেলেও, পরে গজল এবং ধ্রুপদী সংগীতেও সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি।

ক্যারিয়ারে বহু সম্মাননা পেয়েছেন আশা ভোসলে। এর মধ্যে আছে—১৯৮১ সালে প্রথমবার জাতীয় পুরস্কার, ১৯৮৮ সালে দ্বিতীয়বার জাতীয় পুরস্কার, ২০০০ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার ও ২০০৮ সালে পদ্মবিভূষণ। 

২০২২ সালে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রের শেষ গানটি রেকর্ড করেন। ৯১ বছর বয়সে ‘সাইয়াঁ বিনা’ নামে একটি একক গান প্রকাশ করে প্রয়াত স্বামী রাহুল দেব বর্মনকে উৎসর্গ করেন।

মধ্যপ্রাচ্যে ‘সংঘাত’ বন্ধ চায় কাতার-সৌদি, আলোচনায় বসার আহ্বান জাতিসংঘের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার পর ফোনে কথা বলেছেন কাতারের আমির শেখ তামিম ও সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।

আজ শনিবার তাদের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয় বলে আল জাজিরা জানিয়েছে।

ফোনে দুই রাষ্ট্রপ্রধান যেকোনো ধরনের উত্তেজনা ‘অবিলম্বে বন্ধ’ এবং আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার ওপর জোর দেন।

কাতারে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। একইসঙ্গে কাতারের প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়ে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সব পদক্ষেপে সম্ভাব্য সহায়তা দেওয়ার অঙ্গীকার করেন সৌদি যুবরাজ।

কাতারের আমির প্রতিবেশী হিসেবে সৌদি আরবের দৃঢ় অবস্থানের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আমিরাতের রাষ্ট্রপ্রধান শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদকেও ফোন করেন।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যে সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘হামলায় শুধু মৃত্যু, ধ্বংস ও মানবিক দুর্দশাই বাড়বে। আমি আজ সকালে ইরান জুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পরবর্তীতে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার নিন্দা জানাই।’

‘সব সময় যেকোনো সশস্ত্র সংঘাতে বেসামরিক নাগরিকদেরই চূড়ান্ত মূল্য দিতে হয়,’ বলেন তিনি।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় আমি সবাইকে ধৈর্য্য ধরে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার অনুরোধ করছি।’

গাইবান্ধায় মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে যুবককে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা

গাইবান্ধা শহরের জিইউকে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসনকেন্দ্রে এক যুবককে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগে ওই কেন্দ্রের পাঁচ কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

আজ রোববার গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ-আল মামুন দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গতকাল ভিকটিম মুর্শিদ হাক্কানীর (৩৭) বড় ভাই মো. আওরঙ্গ বাদী হয়ে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন।

মামলার পাঁচজন আসামি হলেন—বাঁধন (৩৫), লাবিব (৩২), শিহাব (৩৫), আতিফ (৩৬) ও তালহা (৩৫)।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, কেন্দ্রে ভর্তির প্রথম দিকে মুর্শিদের সঙ্গে পরিবারের সাক্ষাৎ করতে দিলেও পরবর্তী সময়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। গত ১১ ফেব্রুয়ারি বাদী মুর্শিদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রথমে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। পরে লোকজন ডাকলে দেখা করতে দেওয়া হয়। সে সময় মুর্শিদ জানান—চিকিৎসা না দিয়ে তাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করা হয়। আসামিরা গত ৯ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদের মুখে কাপড় গুঁজে গ্রিলের সঙ্গে দুই পা উল্টো করে বেঁধে মারধর করেন।

অভিযোগের বিষয়ে কেন্দ্রের কাউন্সেলর ও মামলার আসামি বাঁধন বলেন, মুর্শিদ আমাদের পুরোনো রোগী। পারিবারিক অশান্তির কারণে তিনি সব সময় খুবই এগ্রিসিভ ও ডিপ্রেসড থাকেন। এর আগে দুইবার তাকে ফেরত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষবার তার পরিবারের লোকজন জোর করে  তাকে এখানে ভর্তি করে।

নির্যাতনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মুর্শিদ প্রায় অন্য রোগীদের মারধর ও গালিগালাজ করেন। গত ৯ ফেব্রুয়ারি তিনি গালিগালাজ ও মারধর করলে ১৫-১৬ জন রোগী একত্রিত হয়ে তাকে মারধর করেন। সে সময় আমার স্টাফরা তাকে রক্ষা করতে পারেননি। তাদেরও গাফিলতি রয়েছে।

ওসি আব্দুল্লাহ-আল মামুন বলেন, মুর্শিদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। তিনি বর্তমানে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তিনি আরও বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।