26.5 C
Dhaka
Home Blog

জুলাই আপডেট ইনস্টল করে স্যামসাং গ্যালাক্সি ইউজাররা বিপাকে

বিপাকে পড়েছেন স্যামসাং ব্যবহারকারীরা। স্যামসাংয়ের ফ্ল্যাগশিপ ফোন গ্যালাক্সি এস২৪ আলট্রা এবং এস২৫ আল্ট্রা ইউজাররা সফটওয়্যার আপডেট করার পর থেকেই নানা সমস্যার মুখে পড়ছেন।

একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ও অনলাইন ফোরামে ইউজারদের পোস্ট থেকে বিষয়টি জানা গেছে।

চলতি মাসে প্রকাশিত আপডেট ইনস্টল করার পর অতিরিক্ত গরম হওয়া, অস্বাভাবিক দ্রুত ব্যাটারি শেষ হয়ে যাওয়া এবং চার্জিংয়ের গতি কমে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন ইউজাররা।

প্রযুক্তিবিষয়ক প্রকাশনা অ্যান্ড্রয়েড পুলিশ রেডিটে ব্যবহারকারীদের শেয়ার করা অভিজ্ঞতার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, স্যামসাং এই দুই ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসে জুলাই সফটওয়্যার আপডেট দেওয়ার পর এসব অভিযোগ সামনে আসে।

ইউজাররা জানিয়েছেন, সমস্যাগুলো দৈনন্দিন ব্যবহারে প্রভাব ফেলছে।

ইউজাররা ডিভাইসের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া, ব্যাটারির স্থায়িত্ব কমে যাওয়া এবং স্বাভাবিকের তুলনায় ধীরগতিতে চার্জ হওয়ার কথা জানিয়েছেন।

কিছু ইউজারের ধারণা, নতুন এই আপডেটটি হোয়াটসঅ্যাপের এনক্রিপ্টেড ব্যাকআপের সঙ্গে ঠিকমতো কাজ করছে না। যার ফলে অ্যাপটি বাড়তি সিস্টেম রিসোর্স ব্যবহার করছে। এতে ফোন দ্রুত গরম হয়ে যাচ্ছে।

অন্যরা জানিয়েছেন, এনক্রিপ্টেড ব্যাকআপ বন্ধ করলে অতিরিক্ত গরম হওয়ার সমস্যা কমেছে বলে মনে হয়েছে। তবে হোয়াটসঅ্যাপের কারণেই এই সমস্যা হচ্ছে—এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই।

প্রতিবেদনগুলো মূলত অনলাইনে ব্যবহারকারীদের শেয়ার করা অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। সমস্যাগুলো কতটা ব্যাপক আকারে ছড়িয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

কয়েকটি প্রযুক্তি ওয়েবসাইট এ বিষয়ে জরিপ পরিচালনা করেছে।

ফোনঅ্যারেনা ডট কমের জরিপে ৫২ শতাংশ ইউজার জানান, তারা তাদের গ্যালাক্সি ফোনে আপডেট ইনস্টল করার পর ‘বিরক্তিকর সমস্যার’ মুখে পড়েছেন। আরও ১৩ শতাংশ বলেছেন ‘মাঝেমাঝে সমস্যায় পড়েছেন’। ২৩ শতাংশ জানিয়েছেন, তারা কোনো সমস্যায় পড়েননি।

তবে গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা ও এস২৪ আল্ট্রার সব ব্যবহারকারী আপডেটের পর একই ধরনের সমস্যার মুখে পড়েছেন—এমন তথ্য কোনো ওয়েবসাইটেই পাওয়া যায়নি।

যেকোনো সফটওয়্যার আপডেটই রিলিজ করার আগে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যায়। তা সত্ত্বেও আপডেট করার পর মাঝে মাঝে ফোনে অপ্রত্যাশিত ত্রুটি দেখা দেয়।

স্যামসাংয়ের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য আসেনি।

ইউজারদের সমস্যার বিষয়টি নিশ্চিত হলে পরবর্তীতে নতুন কোনো আপডেটের মাধ্যমে এর সমাধান আসবে বলেই সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

শান মাসুদ বরখাস্ত: পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়কত্বে ফিরলেন বাবর আজম

পাকিস্তান টেস্ট দলের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে শান মাসুদকে। তার জায়গায় দ্বিতীয়বারের মতো টেস্ট অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন বাবর আজম। চলতি মাসের শেষের দিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শুরু হতে যাওয়া দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দল ঘোষণার সময় পিসিবি এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

শান মাসুদের বিদায়ের মাধ্যমে পাকিস্তান ক্রিকেটে একটি হতাশাজনক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। প্রায় তিন বছর আগে দায়িত্ব পাওয়া মাসুদের অধীনে ১৬টি টেস্ট খেলে ১২টিতেই হেরেছে পাকিস্তান। টেস্ট ইতিহাসের আর কোনো অধিনায়ক নিজের প্রথম ১৬ টেস্টের মধ্যে ১২টিতে হারেননি।

পাকিস্তানের হয়ে মাসুদের চেয়ে বেশি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন ১০ জন ক্রিকেটার, তবে হারের সংখ্যায় তার ওপরে আছেন কেবল মিসবাহ-উল-হক (৫৬ টেস্টে ১৯ হার)। এছাড়া টানা সাতটি টেস্টে হেরেছে পাকিস্তান, যা দেশটির ক্রিকেট ইতিহাসে যৌথভাবে সর্বোচ্চ হারের রেকর্ড।

মাসুদের অধিনায়কত্ব শুরু হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কঠিন এক সিরিজ দিয়ে, যেখানে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয় পাকিস্তান। সেই বাজে শুরুর ধাক্কা তারা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি।

এরপর ঘরের মাঠে বাংলাদেশের কাছে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হারে পাকিস্তান, যা বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের প্রথম টেস্ট সিরিজ হারের ঘটনা। মাসুদের অধীনে একমাত্র সাফল্য ছিল সে বছরই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ জয়। সেটিই ছিল তার অধিনায়কত্বে খেলা সাতটি সিরিজের মধ্যে একমাত্র জয়, বাকি চারটিতেই হেরেছে পাকিস্তান। ফলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (২০২৩-২৫) পয়েন্ট টেবিলে একদম তলানিতে গিয়ে ঠেকে তারা।

অধিনায়ক হিসেবে দল ব্যর্থ হলেও ব্যাটার শান মাসুদ কিন্তু দলে নিজের জায়গা ধরে রেখেছিলেন ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের কারণে। অধিনায়ক হওয়ার পর তাঁর ব্যাটিং গড় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪.০৬, যা দায়িত্ব নেওয়ার আগের গড় (২৮.৫১) থেকে প্রায় ছয় রান বেশি। এ সময়ে তিনি দুটি সেঞ্চুরি (যার একটি দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে) এবং সাতটি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন, যার মধ্যে এমসিজিতে এক ম্যাচেই ছিল দুটি হাফ সেঞ্চুরি।

যার কাছ থেকে মাসুদ একসময় দায়িত্ব নিয়েছিলেন, সেই বাবর আজমের কাছেই আবার ফিরে গেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এই সিদ্ধান্ত মূলত যোগ্য বিকল্পের অভাবকেই ফুটিয়ে তোলে। ২০২৩ সালে অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর থেকে বাবর তিন ফরম্যাটেই রান খরায় ভুগছেন, বিশেষ করে টেস্টে মাসুদের অধীনে তার ব্যাটিং গড় ছিল মাত্র ২৭-এর কিছু বেশি।

তবে অধিনায়ক হিসেবে বাবরের আগের রেকর্ড বেশ উজ্জ্বল ছিল। তাঁর নেতৃত্বে ২০টি টেস্টের মধ্যে ১০টিতেই জিতেছিল পাকিস্তান। ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে শুরু করা সেই যাত্রায় ছিল বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করার কৃতিত্ব। অধিনায়ক থাকাকালীন ব্যাটার বাবরের ফর্মও ছিল দুর্দান্ত, টেস্টে গড় ছিল ৫০-এর ওপরে। অবশ্য সেই মেয়াদেও কিছু হতাশা ছিল, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় ধাক্কা ছিল ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হওয়া—যা পাকিস্তানের টেস্ট ইতিহাসে প্রথম এমন লজ্জাজনক ঘটনা।

এক ব্যস্ত সূচির মুখে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে পাকিস্তানের টেস্ট দলের দায়িত্ব নিলেন বাবর আজম। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পরপরই ইংল্যান্ডের মাটিতে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে পাকিস্তান, যা ছয় বছরের মধ্যে সেখানে তাদের প্রথম সফর। এরপর ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ নিয়ে ব্যস্ত শীতকালীন মৌসুম পার করতে হবে বাবরদের।
 

ভারতের নতুন হাইকমিশনারের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াত আমির

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি বক্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়ে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

আজ শনিবার দুপুর ১২টা ৬ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান বলেন, নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর তার একটি বক্তব্য আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘তিনি “ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া” বলতে কী বুঝিয়েছেন, আমাদের সরকারের উচিত হবে তার কাছ থেকে তা জেনে নেওয়া।’

তিনি আরও লেখেন, ‘ভারত যেমন একটি স্বাধীন দেশ, বাংলাদেশও তেমনি একটি স্বাধীন দেশ। তার এ বক্তব্য স্পষ্ট না হলে জনমনে অবশ্যই বিভ্রান্তি তৈরি হবে।’

সরকারের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আমাদের সরকারের কাছে এ বিষয়টির সুরাহা চাই। যদি তিনি আক্ষরিক অর্থে এ ধরনের কিছু বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই তা নিন্দনীয়। বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার।’

গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে সড়কপথে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এ সময় বেনাপোল নো-ম্যানস ল্যান্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভারতীয় হাইকমিশন ও বেনাপোল স্থলবন্দরের কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী মৃণাল ত্রিবেদী। পরে সড়কপথে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। এ সময় বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

গত এপ্রিল মাসে ভারত সরকার ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরের সাবেক বিধায়ক (এমএলএ) ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতের ১৮তম হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তিনি প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

ভারতের কূটনৈতিক প্রথায় সাধারণত অভিজ্ঞ ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসের (আইএফএস) কর্মকর্তাদের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগের ক্ষেত্রে সেই প্রথার ব্যতিক্রম হয়েছে। দুই দেশের ৫৫ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রাজনীতিবিদকে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।

আজ শনিবার দুপুর ১২টা ৬ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান বলেন, নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর তার একটি বক্তব্য তাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘তিনি “ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া” বলতে কী বুঝিয়েছেন, আমাদের সরকারের উচিত হবে তার কাছ থেকে তা জেনে নেওয়া।’

তিনি আরও লেখেন, ‘ভারত যেমন একটি স্বাধীন দেশ, বাংলাদেশও তেমনি একটি স্বাধীন দেশ। তার এ বক্তব্য স্পষ্ট না হলে জনমনে অবশ্যই বিভ্রান্তি তৈরি হবে।’

সরকারের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আমাদের সরকারের কাছে এ বিষয়টির সুরাহা চাই। যদি তিনি আক্ষরিক অর্থে এ ধরনের কিছু বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই তা নিন্দনীয়। বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার।’

গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে সড়কপথে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এ সময় বেনাপোল নো-ম্যানস ল্যান্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভারতীয় হাইকমিশন ও বেনাপোল স্থলবন্দরের কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী মৃণাল ত্রিবেদী। পরে সড়কপথে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। এ সময় বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

গত এপ্রিল মাসে ভারত সরকার ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরের সাবেক বিধায়ক (এমএলএ) ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতের ১৮তম হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তিনি প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

ভারতের কূটনৈতিক প্রথায় সাধারণত অভিজ্ঞ ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসের (আইএফএস) কর্মকর্তাদের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগের ক্ষেত্রে সেই প্রথার ব্যতিক্রম হয়েছে। দুই দেশের ৫৫ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রাজনীতিবিদকে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।

‘খলনায়ক রিটার্নস’ নিয়ে ফিরছেন সঞ্জয় দত্ত

বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত তার নতুন সিনেমা ‘খলনায়ক রিটার্নস’ এর ঘোষণা দিয়েছেন। ১৯৯৩ সালের জনপ্রিয় সিনেমা খলনায়কের নতুন সংস্করণ হিসেবে নির্মিত হবে।

দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সঞ্জয় দত্তের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থ্রি ডাইমেনশন মোশন পিকচারস ও প্রযোজক আখশা কম্বোজের অ্যাসপেক্ট এন্টারটেইনমেন্ট যৌথভাবে পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের প্রতিষ্ঠান মুক্তা আর্টস থেকে সিনেমাটির সিকুয়েল তৈরির স্বত্ব নিয়েছে।

মূল সিনেমাতে সঞ্জয় দত্তের পাশাপাশি জ্যাকি শ্রফ ও মাধুরী দীক্ষিত অভিনয় করেছিলেন।

শুক্রবার এক বিশেষ অনুষ্ঠানে সিনেমাটির একটি ছোট টিজার প্রকাশ করা হয়। এতে সঞ্জয় দত্তকে তার জনপ্রিয় চরিত্রে নতুন রূপে দেখা যায়।

সঞ্জয় দত্ত বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সুভাষ ঘাইয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তার ভাষায়, ‘সুভাষজি ছাড়া খলনায়ক সম্ভব হতো না। তিনি এই প্রজেক্টের অংশ থাকবেন।’

অভিনেতা জানান, কারাগারে থাকার সময়ই এই সিকুয়েলের ভাবনা মাথায় আসে। পরে মুক্তির পর সুভাষ ঘাইয়ের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো গল্প। ভালো স্ক্রিপ্ট না হলে সিনেমা ভালো হয় না।

সুভাষ ঘাই বলেন, সঞ্জয় দত্ত ও তার পরিবারের দীর্ঘদিনের ইচ্ছে ছিল এই সিনেমাটি আবার তৈরির। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন সংস্করণটি আগেরটির চেয়েও ভালো হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালের খলনায়ক ছিল সে সময়ের একটি বড় হিট সিনেমা।

তবে নতুন সিনেমাটি রিমেক, সিকুয়েল নাকি সম্পূর্ণ নতুন গল্প হবে—তা এখনো নিশ্চিত নয়।

ভুলবশত তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে কুয়েত: ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড

কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুলে তিনটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

সক্রিয় যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে রোববার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানায় বার্তা সংস্থা এএফপি।

সোমবার এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, ‘অপারেশন এপিক ফিউরির সহায়তায় উড়াল দেওয়া তিনটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল কুয়েতের আকাশে একটি স্পষ্টতই ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ারে’ ভূপাতিত হয়।’

সেন্টকমের দাবি, ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটে, যখন ওই এলাকায় সক্রিয় লড়াই চলছিল। ইরানের বিমান, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত ছিল। এর মধ্যেই মার্কিন বিমান বাহিনীর এসব যুদ্ধবিমান ভুলবশত কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুলিতে ভূপাতিত হয়।

সেন্টকম আরও জানায়, ছয়জন ক্রু সদস্যই প্যারাশুটের মাধ্যমে বের হয়ে নিরাপদে আছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘কুয়েত এই ঘটনাটি স্বীকার করেছে এবং চলমান অভিযানে কুয়েতি প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রচেষ্টা ও সহায়তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’

এর আগে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানান, আজ সোমবার সকালে বেশ কিছু মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে বিধ্বস্ত বিমানে থাকা সমস্ত আরোহী বেঁচে আছেন। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ধনিয়া পাতা অপছন্দ করেন, আজ তাহলে আপনার দিন

আমাদের খুব পরিচিত একটি পাতাজাতীয় সবজি ধনিয়া পাতা। যেকোনো খাবারের স্বাদ বাড়াতে ধনিয়া পাতার জুড়ি নেই। তবুও কিছু মানুষ ধনিয়া পাতা পছন্দ করেন না। আর আজ একটি অদ্ভুত দিবস আছে। সেই দিবসটি তাদের জন্য, যারা ধনিয়া পাতা একেবারেই পছন্দ করেন না।

আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি ‘ইন্টারন্যাশনাল আই হেট কোরিয়েন্ডার ডে’, যার সহজ বাংলা ‘আমি ধনিয়া পাতা অপছন্দ করি’ দিবস। ব্যাপারটা শুনতে বিচিত্র লাগলেও মজার ব্যাপার হলো ২০১৩ সাল থেকে এমন একটি দিবস পালিত হয়ে আসছে।

ন্যাশনাল টুডের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে ফেসবুকে ‘আই হেট কোরিয়েন্ডার’ নামে একটি গ্রুপ তৈরি করা হয়। সেখানে সমমনা মানুষ যোগ দেন এবং ধনিয়া পাতার বিরুদ্ধে নানান পোস্ট করেন। মুহূর্তেই ওই গ্রুপে দুই লাখের বেশি সদস্য যোগ হয়। গ্রুপটি এত জনপ্রিয় যে, তারা নিজেদের পণ্যও বিক্রি করে। ওই গ্রুপের সদস্যদের মতে, বিশ্বের প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ ধনিয়া পাতা পছন্দ করে না। তাদের দাবি হলো, রেস্টুরেন্টগুলোর মেনুতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে, কোন খাবারে ধনিয়া পাতা আছে।

মজার বিষয় হলো, ধনিয়া পাতা অপছন্দ করার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ইউরোপীয়দের মধ্যে। আরও মজার তথ্য হলো, ধনিয়া পাতার নাম এসেছে গ্রিক শব্দ ‘করিস’ থেকে, যার অর্থ ‘দুর্গন্ধযুক্ত পোকা’।

গবেষণায় দেখা গেছে, ধনিয়া পাতা অপছন্দের পেছনে জিনগত কারণ থাকতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার ডায়কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালিত এক গবেষণা অনুযায়ী, কিছু মানুষের জিন এমনভাবে গঠিত যে, তারা ধনিয়া পাতায় থাকা নির্দিষ্ট অ্যালডিহাইড যৌগের প্রতি বেশি সংবেদনশীল। (অ্যালডিহাইড হলো একটি জৈব যৌগ। এগুলো অত্যন্ত বিক্রিয়াশীল, তীব্র গন্ধযুক্ত এবং সুগন্ধি, প্লাস্টিক ও ওষুধ শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।)

এই একই যৌগ সাবান ও কিছু পরিষ্কারক দ্রব্যেও পাওয়া যায়। তাই তাদের কাছে ধনেপাতার স্বাদ ‘সাবানের মতো’ লাগে।
কিছু মানুষ ধনিয়া পাতা অপছন্দ করলেও ধনে পাতায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি ও কে আছে। ধনিয়া পাতায় থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

এছাড়া ধনে পাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন ক্যারোটিন, কোরিয়ান্ড্রল, এবং কুইরসেটিন ফ্রি র‍্যাডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এটি ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় এবং ত্বকের বার্ধক্য প্রতিরোধে সহায়ক।

ব্রাজিল কি পারবে নরওয়ে-জুজু কাটাতে?

১৯৯৮ সালের সেই রাতটি নিশ্চয়ই ব্রাজিল সমর্থকেরা সহজে ভুলবেন না। সেবার ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তৎকালীন পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ২-১ ব্যবধানে স্তব্ধ করে দিয়েছিল নরওয়ে। মাঠের সেই অবিশ্বাস্য জয়ের রূপকারদের একজন ছিলেন দলটির বর্তমান কোচ স্টেল সলবাকেন। বিশ্বকাপে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটির বিরুদ্ধে সেলেসাওদের একমাত্র হারের ক্ষত হয়ে আজও টিকে আছে সেই ম্যাচ।

সোমবার নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে সেই সলবাকেন আবারও ব্রাজিলের সামনে। তবে এবার খেলোয়াড় হিসেবে নয়, ডাগআউটে দাঁড়িয়ে কৌশল খাটিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে নিজেদের অবিশ্বাস্য আধিপত্য ধরে রাখার লক্ষ্যে মাঠে নামবেন তিনি।

ইতিহাস বলছে, নরওয়ের বিরুদ্ধে চারবার মাঠে নেমে একবারও জয়ের মুখ দেখেনি ব্রাজিল; দুটি ম্যাচ ড্র হলেও বাকি দুটিতে মাঠ ছাড়তে হয়েছে হার নিয়ে। ফুটবল বিশ্বের একমাত্র দল হিসেবে নরওয়ের সঙ্গেই এমন অম্লমধুর রেকর্ড সেলেসাওদের। রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের অভিযানে কার্লো আনচেলত্তির দল তাই চাইবে এই অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডটি দ্রুততম সময়ে মুছে ফেলতে।

অন্যদিকে সলবাকেনের নরওয়ে ইতোমধ্যে দেখিয়েছে যে, যেকোনো সমীকরণ উল্টে দেওয়ার সামর্থ্য তাদের আছে। টানা দুই জয়ে ‘আই’ গ্রুপ থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করার পর, ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে শুরুর একাদশের প্রায় পুরোটাতেই পরিবর্তন আনেন নরওয়েজিয়ান কোচ। এরপর শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে আইভরি কোস্টকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে তারা। ১৯৩৮ ও ১৯৯৮ সালে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেওয়া নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসে এটিই বিশ্বকাপে প্রথম নকআউট জয়।

ম্যাচজুড়ে স্পটলাইটের সিংহভাগ আর্লিং হালান্ডের ওপর থাকলেও, নরওয়েকে কেবল ‘এক জনের দল’ হিসেবে মূল্যায়ন করতে রাজি নন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার মাথেউস কুনিয়া। তিনি সতীর্থদের সতর্ক করে বলেন, ‘হালান্ড দুর্দান্ত খেলোয়াড় এবং জার্মানি ও ইংল্যান্ডের ফুটবলে ও নিয়মিত সেটা প্রমাণ করেছে। তবে আমাদের পুরো দলের ওপরই মনোযোগ দিতে হবে। ওদের আরও কয়েকজন বিপজ্জনক ফুটবলার আছে, যাদের অনেকে ইংল্যান্ডেই খেলে। এই মুহূর্তে নরওয়ে আমাদের জন্য অন্যতম কঠিন প্রতিপক্ষ।’

ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে চোটের আঘাতও কম নয়। জাপানের বিরুদ্ধে ম্যাচে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়ে দল থেকে ছিটকে গেছেন মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতা। ফলে মাঝমাঠ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে আনচেলত্তিকে। পাশাপাশি চলতি টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে এখনো মাঠে না নামা নেইমারকে এই ম্যাচে দেখা যাবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা চলছে।

অবশ্য আক্রমণভাগে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। দুই সপ্তাহের বিরতি কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরেছেন রাফিনহা। তবে তাঁর অনুপস্থিতিতে রায়ান যেভাবে নজর কেড়েছেন, তাতে শুরুর একাদশ সাজাতে মধুর সমস্যায় পড়তে হবে ব্রাজিলিয়ান কোচকে।

ব্রাজিলের জন্য আজকের ম্যাচটি কেবল কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়; বরং দীর্ঘ তিন দশক আর চার ম্যাচের আক্ষেপ ঘুচিয়ে বহুল কাঙ্ক্ষিত ‘হেক্সা’ মিশনের পথে এগিয়ে যাওয়ার বড় পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষার মঞ্চে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন এমন এক ব্যক্তি, যিনি নিজেই এই জুজুর সূচনা করেছিলেন।

সরকারি কর্মকর্তাদের আয় বাড়লে নিশ্চয়ই দুর্নীতিও কমবে: অর্থমন্ত্রী

সরকারি কর্মকর্তাদের আয় বাড়লে তাদের জীবনমানের উন্নয়ন হবে এবং এর মাধ্যমে দুর্নীতি কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আজ শুক্রবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এমন আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবে মানুষের যখন অভাব থাকে তখন দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়ার একটা প্রবণতা থাকে। এটা অস্বীকার করে লাভ নেই। সরকারি কর্মকর্তাদের প্রায় ১১ বছর ধরে পে-স্কেল হয়নি। কিন্তু এদিকে তো মূল্যস্ফীতি বা জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। সেই জায়গাটা আমাদের অ্যাড্রেস করতেই হবে।’

‘কারণ সরকারি কর্মচারী বলে তাদের কষ্ট পেতে হবে, বেসরকারি খাতে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে বেতন বাড়বে—এটা বৈষম্য হয়ে যায়। এই জায়গাতেই আমরা আশা করছি, তাদের যখন আয় বাড়বে তাদের যখন জীবনযাত্রার মান একটু উন্নত হবে, নিশ্চয়ই তখন দুর্নীতিও কমবে,’ বলেন তিনি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু বলেন, ‘বাজার নিয়ন্ত্রণ পুলিশ, র‍্যাব বা সরকারি লোকজন দিয়ে হয় না। নিয়ন্ত্রণ করতে হবে পলিসির মাধ্যমে ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে। আমরা যদি পলিসিগুলো ঠিকমতো বাস্তবায়ন করতে পারি, আমি মনে করি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে না।’

কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাজেট বক্তৃতাই কোন খাতে কত চাকরি হবে এটা বলা সম্ভব না। আমরা বিস্তারিত বলেছি, আইসিটিতে শিল্পখাতে কৃষিতে বিদেশে কর্মসংস্থান কত হবে। আমরা হয়তো এগুলোর বিপরীতে সংখ্যা বসাইনি। কিন্তু কোন কোন খাতে চাকরি হবে, তা বিস্তারিত বাজেটে বলেছি। সংখ্যা দেইনি, কারণ সংখ্যা দেওয়া সম্ভব নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করি কর্মসংস্থানের যে প্রেডিকশন করেছি, সেটা পূরণ করতে পারব। কর্মসংস্থান এমনি হয় না, সেটা তৈরি করতে হয়। এজন্য আমরা বিনিয়োগের ওপর জোর দিচ্ছি। বিনিয়োগ মানে কর্মসংস্থান, সেটা সরকারি হোক বা বেসরকারি হোক।’

‘দেখবেন শিক্ষার ক্ষেত্রে যে বড় বরাদ্দ দিয়েছি, তার মূল কারণ স্কিল ডেভেলপমেন্ট বা দক্ষতা বাড়ানো। আপনি যদি দক্ষ শ্রমিক হন বা কর্মচারী হন, আপনার চাকরি দেশে-বিদেশে সব জায়গায় হওয়া খুবই সহজ,’ বলেন অর্থমন্ত্রী।

বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু বলেন, ‘দেশের প্রতিটি মানুষকে এই বাজেটের আওতায় আনার জন্য আমাদের স্লোগান ছিল অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক করা। এর আগে অর্থনীতিটা ছিল পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি, কিছু গোষ্ঠীর জন্য অর্থনীতি।’

তিনি বলেন, ‘যারা অর্থনীতির ভাবনার বাইরে ছিল আমরা সেই মানুষগুলোকে এই বাজেটের আওতায় আনার চেষ্টা করেছি। আমাদের সীমিত সম্পদের মধ্যে সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সবার জন্য কম-বেশি বরাদ্দ দেওয়া আছে, প্রোগ্রাম আছে এবং রোডম্যাপ আছে।’

‘শুধু পলিসি নয়, আমরা রোডম্যাপও দিয়েছি। এটা বাস্তবায়ন করতে গেলে আমাদের কী করতে হবে, সেটাও পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। এজন্য এই বাজেটটি একটু ভিন্নধর্মী,’ যোগ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘গত দেড় দশকে বিশ্বের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছে। রুল বেজড ইকোনমিক অর্ডার থেকে বিশ্ব সরে গিয়ে একটা প্রটেকশনিস্ট অর্ডারে চলে গেছে। দ্বিতীয় কথা হলো যুদ্ধ-বিগ্রহ এখন নিউ নরমাল, এখান থেকে আমরা বের হতে পারছি না। যার কারণে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়নের দিকে যাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। আমাদের ক্ষেত্রে এ চ্যালেঞ্জটা আরও বেশি। কারণ আমরা যেটা ইনহেরিট করেছি, বিগত সরকারের পর অন্তর্বর্তী সরকার থেকে যুদ্ধ—সব মিলিয়ে আমাদের চ্যালেঞ্জটা আরও বেশি।’

মাইকেল: বায়োপিকে কতটা থাকলো জ্যাকসনের জীবন?

কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’ ২৪ এপ্রিল সারাবিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও মুক্তি পেয়েছে। দেশের সিনেপ্লেক্সগুলোতে তাই মুক্তির প্রথম দিনেই সিনেমাটি দেখা গেছে।

একজন সংগীত প্রতিভার উত্থান দেখতে এবং ইতিহাসে তার গাওয়া সেরা গানগুলোর পারফরম্যান্স অনুভব করতে চাইলে ‘মাইকেল’ অবশ্যই দেখা উচিত। দর্শক হিসেবে সিনেমাটি মন জয়ের চেষ্টা করে অনেকাংশে সফলও।

তবে মাইকেল জ্যাকসনের পুরো জীবন এক সিনেমায় দেখার প্রত্যাশা নিয়ে হলে ঢুকলে কিছুটা হতাশ হতে পারেন। কারণ, গানের জীবনের বাইরে তার জীবনের বহু গুরুত্বপূর্ণ দিক এখানে অনুপস্থিত।

তবু মাইকেল জ্যাকসনকে অনুভব করতে এবং তার গানগুলোর আবেগে ডুবে যেতে চাইলে, ভক্তদের জন্য এটি অসামান্য এক অভিজ্ঞতা।

বায়োপিকে মাইকেলের শৈশবের দিনগুলো তুলে ধরা হয়েছে। বাবা জো জ্যাকসনের কঠোরতা ও নিষ্ঠুরতা, জোর করে ভাইদের সঙ্গে একটি মিউজিক্যাল গ্রুপে যুক্ত করা এবং জ্যাকসন ফাইভের হয়ে গান করার গল্প এসেছে। বেশি অর্থ আয়ের লক্ষ্যে বাবার হাতে তার প্রতিভার ব্যবহারের দিকটিও দেখানো হয়েছে।

একইসঙ্গে ছোটবেলার মাইকেলের ভেতরের কোমল মানুষটিকেও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। পশুপাখির প্রতি তার ভালোবাসা, একাকিত্ব এবং বন্ধুহীন জীবনের অনুভূতি দর্শককে ছুঁয়ে যায়।

 

সিনেমায় মায়ের প্রতি তার ভালোবাসা, দেহরক্ষীর প্রতি মমতা এবং ক্যাসেট কোম্পানির প্রযোজকদের সঙ্গে সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে এসেছে।

দ্বিতীয় ভাগে দেখা যায়, পিতা জো জ্যাকসনের প্রভাব থেকে বেরিয়ে সৃজনশীল স্বাধীনতা অর্জনের জন্য লড়াই। নিজের মতো করে অ্যালবাম তৈরি এবং লাইভ পারফরম্যান্সের জন্য কঠোর শারীরিক পরিশ্রমের ওপর ফোকাস করা হয়েছে।

মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে তারই তরুণ ভাতিজা জাফার জ্যাকসন অসাধারণ। চেহারা, নাচের মুদ্রা, কণ্ঠস্বর, শরীরের ভাষা—সবকিছুতেই তিনি মাইকেলের স্বাক্ষরকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। অনেক সময় তাকে দেখলে আসল মাইকেল বলে ভুল হওয়াও অস্বাভাবিক নয়।

জো জ্যাকসনের চরিত্রে কোলম্যান ডমিংগো এবং মা ক্যাথরিন জ্যাকসনের ভূমিকায় নিয়াহ লং স্বাভাবিক অভিনয় দিয়েছেন। লাটোয়া জ্যাকসনের চরিত্রে জেসিকা সুলাও নজর কাড়েন।

এছাড়া মোটাউন রেকর্ডসের প্রতিষ্ঠাতা বেরি গর্ডি, সংগীত নির্বাহী সুজান দে পাসে এবং ডায়ানা রসের মতো চরিত্রগুলোও গল্পে জায়গা পেয়েছে। এসব চরিত্রের মাধ্যমে মাইকেলের ক্যারিয়ারের পেছনের মানুষদের ভূমিকা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

তবে লক্ষণীয়ভাবে মাইকেলে ছোটবোন ও পপ সংগীতশিল্পী জ্যানেট জ্যাকসনের কথা সিনেমাতে উল্লেখ করা হয় নি।

সিনেমাটি শেষ হয়েছে জ্যাকসন ফাইভের ১৯৮৮ সালের একটি কনসার্ট দিয়ে। শেষাংশে সম্ভাব্য সিক্যুয়েলের ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে। ফলে ধারণা করা যায়, মাইকেলের জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় পরবর্তী কিস্তির জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে।

অ্যান্টনি ফুকো পরিচালিত ‘মাইকেল’ সিনেমায় তার বিখ্যাত গানগুলোর অনবদ্য পরিবেশনা রয়েছে। সব মিলিয়ে, মাইকেল জ্যাকসনের ভক্তদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে বড় একটি আয়োজন।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় লক্ষ্য করে হামলার দাবি ইরানের

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় লক্ষ্য করে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে রেভল্যুশনারি গার্ডস।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সোমবার রেভল্যুশনারি গার্ডসে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ফারস সংবাদ সংস্থা প্রচারিত এক বিবৃতিতে গার্ডস জানায়, ‘জায়নিস্ট শাসনের অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং ওই শাসনের বিমান বাহিনীর প্রধানের সদরদপ্তরকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ হামলায় খেইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।