28.5 C
Dhaka
Home Blog

জুলাই সনদ: ৭ বিভাগীয় শহরে সমাবেশের ঘোষণা ১১ দলের

জুলাই সনদ অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়নে গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে আন্দোলনরত জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সাত বিভাগীয় শহরে সমাবেশের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৬ মে রাজশাহীতে প্রথম সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে ১৩ জুন চট্টগ্রাম, ২০ জুন খুলনা, ২৭ জুন ময়মনসিংহ, ১১ জুলাই রংপুর, ১৮ জুলাই বরিশাল ও ২৫ জুলাই সিলেটে সমাবেশ করবে জোটটি।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে এ কর্মসূচি সম্পর্কে জানান কমিটির আহ্বায়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।

ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহার কারণে মে মাসে একটি মাত্র সমাবেশ রাখা হয়েছে। ঈদের পর জুন থেকে আবারও পুরোদমে আন্দোলন ও সমাবেশ শুরু হবে। বিভাগীয় এসব সমাবেশে সংশ্লিষ্ট এলাকার সব জেলার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে।

তিনি আরও জানান, সমাবেশের পাশাপাশি শিক্ষক, আইনজীবী, চিকিৎসক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার পরিকল্পনাও রয়েছে, যার মাধ্যমে আন্দোলনের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা হবে।

ব্রিফিংয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, বিভাগীয় সমাবেশের মাধ্যমে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে জনমত তৈরি ও রাজপথের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। তিনি দেশবাসীর সমর্থন, সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ কামনা করেন।

এর আগে, ১৬ এপ্রিল ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত ঢাকাসহ বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে গণমিছিল করে ১১ দলীয় জোট। ওই সময় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, ২ মের পর বিভাগীয় পর্যায় ও বড় শহরগুলোতে অন্তত ১২টি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে জোটের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।

তিনি আরও বলেন, বিভাগীয় সমাবেশ শেষে রাজধানীতে একটি ‘জাতীয় মহাসমাবেশ’ আয়োজন করা হবে।

জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিরোধী জোটটি ইতোমধ্যে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেছে।

জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সংক্রান্ত ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করা হয়। এসব প্রস্তাবের বিষয়ে জনগণের মতামত নিতে ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হয়।

নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমান সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালনের কথা। তবে নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে পরিষদের প্রথম অধিবেশন ডাকার কথা থাকলেও তা হয়নি।

জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির সদস্যরা শপথ নিলেও বিএনপির এমপিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় নির্ধারিত সময়ে পরিষদ গঠন করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, ২৯ মার্চ বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান কার্যপ্রণালী-বিধির ৬২ বিধি অনুযায়ী একটি মুলতবি প্রস্তাবের নোটিস দেন। পরে ওই প্রস্তাবে ‘প্রতিকার না পাওয়ার’ অভিযোগে ১ এপ্রিল সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে বিরোধীদল।

নার্গিস-মধুবালা থেকে কারিনা-ঐশ্বর্য: ৭ দশকে গেয়েছেন ১২ হাজার গান 

সংগীতের জগতে কিছু কণ্ঠ থাকে যা শুধু আমাদের কানে নয়, সরাসরি হৃদয়ে গিয়ে পৌঁছায়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে আমাদের মায়া ও নানান স্মৃতি। কিন্তু সেই কণ্ঠের পেছনে যদি থাকে এক পাহাড় সমান লড়াইয়ের গল্প, তবেই তা হয়ে ওঠে কিংবদন্তি। 

আশা ভোসলে ছিলেন তেমনই একজন শিল্পী। যার কর্মজীবন বর্ণাঢ্য ও সুরেলা, ঠিক তার কণ্ঠের মতোই। 

তবে এই কিংবদন্তির ব্যক্তিগত জীবন মোটেও সহজ ছিল না। ১৬ বছরের কিশোরী বয়সে তিনি মা-বাবার ঘর ছেড়েছিলেন। পরিবার ও বড় বোন লতার অমত থাকার পরেও গণপতরাও ভোসলে নামের এক ব্যক্তিকে তিনি বিয়ে করেছিলেন। গণপতরাওয়ের বয়স তখন ৩১। এই সংসারে তিনি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বলেন আশা। এমনকি, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আশা ভোসলেকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। এই সম্পর্ক ছিন্ন করে ১৯৬০ সালে তিন সন্তানকে নিয়ে বেরিয়ে আসেন আশা।

ষাটের দশকের ‘চরম রক্ষণশীল সমাজে দুই সন্তান এবং তৃতীয় সন্তানকে গর্ভে নিয়ে ‘সিঙ্গেল মাদার হিসেবে শুরু হয় তার জীবনযুদ্ধ। বেশিরভাগ সময় সন্তানদের স্টুডিওতে নিয়ে যেতেন আশা। এক স্টুডিও থেকে আরেক স্টুডিও, এভাবেই চলতে থাকে রেকর্ডিং। এরই মাঝে মুক্তি পায় ‘হাম দোনো অমর হয় তার গান, ‘আভি না যাও ছোড়কার, কে দিল আভি ভারা নেহি। 

পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের সেই উত্তাল সময়ে সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতে আশার একমাত্র সম্বল ছিল তার কণ্ঠ। স্টুডিওর এক কোণে ছোট সন্তানদের বসিয়ে রেখে তিনি মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গান গেয়েছেন। পরে তিনি রাহুল দেব বর্মণকে (আর ডি বর্মণ) বিয়ে করেন। 

তখন হিন্দি সিনেমায় বড় বোন লতা মঙ্গেশকর এবং গীতা দত্তের জয়জয়কার। বড় দিদির বিশাল ছায়ার নিচ থেকে নিজের আলাদা একটি পরিচয় তৈরি করা ছিল অসম্ভব এক চ্যালেঞ্জ। 

শুরুতে তাকে কেবল সেই গানগুলোই দেওয়া হতো যা লতা মঙ্গেশকর প্রত্যাখ্যান করতেন। কিন্তু আশা, আশাহত হননি। নিজের কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ করেছেন কোটি হৃদয়। 

আশা ভোসলের ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে বিস্ময়ে বিমূঢ় হতে হয়। ২০১১ সালে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস তাকে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি গান রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বিশটিরও বেশি ভাষায় তিনি প্রায় ১১ থেকে ১২ হাজার, কারও মতে আরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন। মেলোডি, পপ, গজল, ভজন থেকে শুরু করে লোকসংগীত সবখানেই তার অবাধ বিচরণ ছিল। 

১৯৪৩ সালে মারাঠি সিনেমা ‘মাঝা বাল এ তিনি প্রথম গান গান। হিন্দি সিনেমায় যাত্রা শুরু করেন ১৯৪৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘চুনারিয়া সিনেমার মাধ্যমে। এরপর এই যাত্রা চলে সাত দশক! 

তার সুরে সুর মিলিয়েছেন সাদা কালো যুগের নার্গিস, মধুবালা, বৈজন্তিমালা ও ওয়াহিদা রহমানের মতো অভিনেত্রী। আবার একুশ শতকের কারিনা কাপুর, ঐশ্বর্য, কাজলের জন্যও কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। সহশিল্পী হিসেবে যেমন পেয়েছেন মোহাম্মদ রফি, কিশোর কুমার আবার জুটি করেন উদিত নারায়ণ, সনু নিগমের সঙ্গেও। মজার বিষয় হলো, কিংবদন্তি ফাস্ট বোলার ব্রেট লির সঙ্গেও ডুয়েট গেয়েছেন আশা।   

কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন অগণিত সম্মাননা। ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মবিভূষণ ও ‘দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত করেছে। এছাড়া তিনি সাতবার ফিল্মফেয়ার সেরা নারী সঙ্গীতশিল্পীর পুরস্কার পেয়েছেন। ভারতীয় সংগীতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার কৃতিত্বও তার। ১৯৯৭ সালে প্রথম ভারতীয় সংগীতশিল্পী হিসেবে তিনি ‘লিগেসি অ্যালবামের জন্য গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডে মনোনীত হয়েছিলেন।

১৯৩৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের এক সংগীত পরিবারে জন্ম নেন আশা ভোসলে। তিনি ছোটবেলা থেকেই গানের আবহে বড় হয়েছেন। লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে সংবাদমাধ্যমে অনেক মুখরোচক গল্প থাকলেও, বাস্তবতা ছিল ভিন্ন।

দিদি লতাকে তিনি তার মায়ের মতো শ্রদ্ধা করতেন। যদিও পেশাদার ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতা ছিল, কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে তারা ছিলেন একে অপরের শক্তির উৎস। লতার প্রয়াণে আশা বলেছিলেন, তার জীবনের একটি অংশই যেন হারিয়ে গেল।

 

আশা ভোসলে তার গান নির্বাচনের জন্যও বিখ্যাত ছিলেন। পর্দার ‘নেতিবাচক চরিত্রগুলো, খল নারী চরিত্রদের জন্য কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। ‘ঝুমকা গিরা রে, ‘দম মারো দম, ‘পিয়া তু আব তো আ যা, ‘ইয়ে লাড়কা হায় আল্লাহ এসব গানে ব্যক্ত করেছেন নারীর অনুভূতি, যা সমাজ এক রকম চেপেই রাখতে চায়। ক্যাবরে শিল্পী যাদের তথাকথিত পুরুষতান্ত্রিক সমাজে ‘মন্দই দেখা হতো সেই ‘অভদ্র ও ‘মন্দ মেয়েদের কণ্ঠ ছিলেন আশা। তিনি প্রকৃত অর্থেই ছিলেন ‘প্রথাবিরোধী। 

অবশেষে সুরের এই মহাযাত্রার যবনিকা পড়ল। ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই সুরসম্রাজ্ঞী। ৯২ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতা এবং মাল্টি-অর্গান ফেইলিউরের কারণে তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। 

তার মৃত্যুতে বিশ্ব সংগীতে যে শূন্যতা তৈরি হলো, তা অপূরণীয়। ১৩ এপ্রিল, মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। 

আশা ভোসলে মারা গেলেও তার রেখে যাওয়া হাজারো কালজয়ী গান চিরকাল বেঁচে থাকবে সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে।

রুশ নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ

ইরানে অবস্থানরত রুশ নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে রাশিয়া।

আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে লেবাননে থাকা নিজেদের নাগরিকদের দেশত্যাগের পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

রাশিয়ার দূতাবাস তাদের নাগরিকদের আর্মেনিয়া বা আজারবাইজানের মাধ্যমে ইরান ত্যাগের পরামর্শ দিয়েছে। আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান—উভয় দেশই ইরানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তবর্তী।

এর আগে ইরানও রাজধানী তেহরান থেকে নাগরিকদের নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।

আল জাজির জানায়, রাজধানীর প্রায় এক কোটি বাসিন্দাকে শহর ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর ব্যাপক যানযট সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে উত্তরের প্রদেশগুলোর দিকে যাওয়ার পথে, তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে।

যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে প্রধান যানজটপূর্ণ এক্সপ্রেসওয়েগুলোতে জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, সরকার জোর দিয়ে বলেছে, তাদের কাছে পর্যাপ্ত খাদ্য ও জ্বালানি মজুত রয়েছে। প্রয়োজনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির জন্য সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলোর মন্ত্রী ও গভর্নরদের অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল বন্ধ থাকবে এবং সম্ভব হলে ক্লাস অনলাইনে নেওয়া হবে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে শিক্ষার্থী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল ইতোমধ্যে অনলাইন পদ্ধতিতে পাঠদান শুরু করেছিল।

বাংলাদেশের সঙ্গে জনকেন্দ্রিক সহযোগিতা জোরদারে কাজ করতে আগ্রহী ভারত: হাইকমিশনার

বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সব ক্ষেত্রে জনকেন্দ্রিক সহযোগিতা জোরদারে কাজ করতে ভারত আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

আজ রোববার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘আমরা পারস্পরিক সুবিধা ও স্বার্থের ভিত্তিতে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও অগ্রগতিমুখী উপায়ে একসঙ্গে কাজ করতে চাই।’

‘এটাই ছিল আমাদের আলোচনার বিষয় এবং আমরা সত্যিই এ বিষয়ে এগিয়ে যেতে চাই,’ যোগ করেন তিনি। 

নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার প্রথম বৈঠক সম্পর্কে প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘আমি মনে করি, অবশ্যই মানুষে মানুষে যোগাযোগ আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’

তিনি জানান, নির্বাচনের পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা পাঠান ও টেলিফোনে কথা বলেন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লার উপস্থিতির কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘এসব উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগে বাংলাদেশ-ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তিতে বহুমাত্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।’

‘আমরা একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন এবং আমাদের বহুমাত্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতিও জানিয়েছি,’ বলেন তিনি।

বাংলাদেশিদের জন্য ভারত কবে পর্যটন ভিসা পুনরায় চালু করবে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটিও মানুষে মানুষে সহযোগিতার লক্ষ্যের আওতায় পড়ে।’

নির্বাচনের পরদিনই পদত্যাগ বিসিবি পরিচালক সীমান্তর

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন এক ঘটনা সামনে এসেছে। রাজশাহী বিভাগের পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হওয়া মীর শাকরুল আলম সিমান্ত নির্বাচনের মাত্র একদিন পরই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

গত ৭ জুন অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে ক্যাটাগরি-১ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া সাত পরিচালকের একজন ছিলেন সিমান্ত। তবে তার এই পদত্যাগ খুব একটা অপ্রত্যাশিত ছিল না। এর আগে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন তিনি।

বিসিবির প্রধান নির্বাচন কমিশনার আহসানুল করিম এর আগেই জানিয়েছিলেন, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৫ মে পর্যন্ত সিমান্ত নিজের নাম প্রত্যাহার না করায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর পদত্যাগে কোনো বাধা ছিল না, আর সেই আনুষ্ঠানিকতাই এবার সম্পন্ন করলেন তিনি।

বিসিবির এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সিমান্ত আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন এবং বিষয়টি গণমাধ্যমেও প্রকাশ পেয়েছিল। তবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে তাকে পুরো প্রক্রিয়ায় থাকতে হয়েছে। নতুন বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কোনো পরিচালকের পদ শূন্য হলে সেই পদ পূরণের জন্য নতুন নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। ফলে সিমান্তর পদত্যাগের পর রাজশাহী বিভাগের শূন্য পরিচালক পদে শিগগিরই নতুন নির্বাচনের উদ্যোগ নিতে হবে ক্রিকেট বোর্ডকে। 
 

বেসরকারি খাতের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা

সংকটে থাকা বেসরকারি খাতকে সহায়তা দিতে, বিনিয়োগ বাড়াতে ও দেশের সার্বিক অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আজ শনিবার মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ প্যাকেজের ঘোষণা দেয়।

সংবাদ সম্মেলনে প্যাকেজের দুটি অংশের কথা জানানো হয়। প্রথমটি ৪১ হাজার কোটি টাকার পুন-অর্থায়ন তহবিল। এই তহবিল ১০ শতাংশ সুদে দীর্ঘমেয়াদি আমানত হিসেবে ব্যাংকগুলো থেকে সংগ্রহ করা হবে।

দ্বিতীয় প্যাকেজটি ১৯ হাজার কোটি টাকার। এটি সরকারের গ্যারান্টি সাপেক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব উৎস থেকে নেওয়া হবে।

পুন-অর্থায়ন তহবিলের আওতায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ২০ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে বন্ধ কলকারখানাগুলোর জন্য।

এছাড়া, কৃষি ও গ্রামীণ খাতের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকা, ক্ষুদ্র-কুটির-মাঝারি শিল্পের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা ও রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও উত্তরবঙ্গ কৃষি হাবের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

আর, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে ১০টি সুনির্দিষ্ট স্কিম বা খাতে প্রণোদনা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে শিপমেন্ট-পূর্ব ঋণ পুনঃঅর্থায়ন, কুটির ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও স্টার্টআপ।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই প্যাকেজের মাধ্যমে বিভিন্ন খাতে ২৫ লাখের বেশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই তহবিল থেকে মাত্র ৭ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হবে বলেও জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

শরিয়াহ আইন নিয়ে জামায়াতের অবস্থান কী, প্রশ্ন তথ্যমন্ত্রীর

শরিয়াহ আইন নিয়ে সংসদে বিরোধীদল জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

আজ বৃহস্পতিবার প্রয়াত সংসদ সদস্য সুনীল কুমার গুপ্তের স্মরণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ কথাটা বলার মধ্য দিয়েই একটা বহুত্ববাদী রাজনীতির কথা আমরা বলেছি। একটা বহু চিন্তার বৈচিত্র্যের কথা আমরা বলেছি এবং বর্তমান সভ্যতার জন্য এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। যারা যারা এই বৈচিত্র্যকে স্বীকার করতে চায় না, তারাই সমাজে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চায়। যে সমাজ বৈচিত্র্যকে মেনে নিয়ে, ধারণ করে, এটাকে একটা সম্পদ হিসেবে গ্রহণ করে, সেই সমাজ এবং রাষ্ট্র অনেক বেশি সভ্য এবং এগিয়ে যায়।’

এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদাহরণ টেনে বলেন, ‘বৈচিত্র্যকে ধারণ করে চলতে পারার কারণেই কিন্তু আজকে উন্নতির শিখরে উপস্থিত হয়েছে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিরোধী দল, জামায়াতে ইসলামী গতকালকেও বক্তৃতায় বলেছেন শরিয়াহ আইন কায়েম করবে। অথচ গত ১৪ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যখন খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধি দল দেখা করতে গিয়েছিল, সেখানে স্পষ্টভাবেই জামায়াত আমির বলেছেন যে, তারা শরিয়াহ আইন রাখবেন না। ক্ষমতায় গেলে তারা সংবিধান দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করবেন। আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না, গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে জানতে চাই, কোনটি তাদের অবস্থান?’

‘তারা কি দেশের প্রচলিত সাংবিধানিক আইনকে মেনে শাসন ক্ষমতা পাওয়ার চেষ্টা করছেন নাকি তারা শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বা প্রতিজ্ঞা নিয়ে রাজনৈতিক, সাংগঠনিক, সাংবিধানিক এবং সংসদীয় তৎপরতা চালাচ্ছেন,’ প্রশ্ন রাখেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী কৃষ্ণ নন্দীকে মনোনয়ন দেয়। এ ব্যাপারকে ‘শুভ লক্ষণ’ উল্লেখ করে স্বপন বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর জন্ম লগ্ন থেকেই আমরা খেয়াল করেছি যে, তারা ধীরে ধীরে অনেক পরিবর্তন এনেছেন। জন্ম লগ্নে মওদুদী সাহেব যেটা বলেছিলেন, ইসলামি সংবিধান তৈরি করতে হবে। যে কারণে পাকিস্তান জন্মেরও তারা বিরোধিতা করেছিলেন। মুসলিম লীগের নেতৃত্বে পাকিস্তানের এই সংগ্রামকে তারা একটি প্রকৃত আদর্শভিত্তিক আন্দোলন মনে করেন নাই। করেন নাই বলেই পাকিস্তান আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন। পাকিস্তান জন্মের পরে মেনে নিয়েছিলেন।’

‘পরবর্তীকালে আবার পাকিস্তানের রাষ্ট্র কাঠামোতে কাদিয়ানিদের সঙ্গে আবার বিরোধ এবং কাদিয়ানিদের হত্যাকাণ্ড। সেই হত্যাকাণ্ড তদন্ত ও বিচারের জন্য তৎকালীন বিচারপতি মনিরের নেতৃত্বে মনির কমিশন গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিশন অপরাধী হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন নেতা আবুল আলা মওদুদী সাহেবকে চিহ্নিত এবং তার ফাঁসির সুপারিশ করেছিল। পরবর্তীকালে ফাঁসির আদেশ কমিয়ে তাকে কারাবন্দি থাকতে হয়েছে বছর দুয়েকের মতো,’ বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা খেয়াল করেছি ২০১২ সালে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বজায় রাখার জন্য তারা আরও বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছেন। তাদের গঠনতন্ত্রে ছিল যে, আল্লাহর আইন কায়েম করতে হবে, আল্লাহর শাসন কায়েম করতে হবে, সার্বভৌমত্ব, ইসলামি শাসন ব্যবস্থা ইত্যাদির ক্ষেত্রে তারা পরিবর্তন নিয়ে আসছেন। আমাদের সাংবিধানিক যেসব শব্দগুলো আছে, সেভাবে তারা এটাকে রিপ্লেস করেছেন। এভাবে জন্ম লগ্নের অবস্থান থেকে ধীরে ধীরে পরিবর্তন হতে হতে গত জানুয়ারি মাসে শরিয়াহ আইন বাতিল করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যে তারা রাজনীতি করার প্রস্তুতি আমরা দেখেছিলাম পত্রিকায়, সে জন্য আমি ধন্যবাদ জানাই।’

‘কিন্তু পার্লামেন্টের এখন নতুন করে যেহেতু প্রশ্ন আসছে, আমি গণমাধ্যমের মাধ্যমে তাদের কাছে জানতে চাই এ বিষয়ে তাদের স্পষ্ট অবস্থানটা কী,’ প্রশ্ন রাখেন তিনি।

আশা ভোসলের সঙ্গে দুইবার দেখা হয়েছিল: রফিকুল আলম

ভারতীয় প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে। সুর দিয়ে জয় করেছেন কোটি মানুষের হৃদয়। অনেক কালজয়ী গান আছে তার। ৯২ বছর বয়সে আজ দুপুর বারোটায় মারা গেছেন তিনি।

নন্দিত এই শিল্পী বাংলাদেশেও এসেছিলেন।

আশা ভোসলের সঙ্গে দুইবার দেখা হয়েছিল এদেশের গুণী সংগীতশিল্পী রফিকুল আলম-এর। সেই স্মৃতির গল্প তিনি বলেছেন দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে।

রফিকুল আলম বলেন, ‘আশা ভোসলে কতটা গুণী শিল্পী তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। তাকে নিয়ে বলাটা দু:সাহস মনে করছি। তারপরও কিছু কথা বলছি। তার মতো বিখ্যাত শিল্পীর সঙ্গে আমার দুইবার দেখা হয়েছিল। একবার ঢাকায়, আরেকবার কলকাতায়।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকায় আশা ভোসলে গান করেছিলেন শেরাটন হোটেলে। কলকাতায় পেয়েছিলাম একটি স্টেজে।’

রফিকুল আলম বলেন, ‘ঢাকায় উনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলবার সুযোগ পেয়েছিলাম। কাছ থেকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আশাজি, আপনার গাওয়া “জীবনও গান”— এই গানটি বাংলা ভাষার অসম্ভব সুন্দর একটি গান। আপনি ছাড়া কেউ পারবেন না এই গান করতে। শুনে খুশি হয়েছিলেন। হেসেছিলেন। এরপর বলেছিলেন, “(গানটা) এখানেও পপুলার নাকি?” আমি বলেছিলাম, এটা অনেকেরই পছন্দের গান। সেই সঙ্গে সবার মাঝেই জনপ্রিয় এই গান।’

‘তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনারা দুই বোন তো বাবার সঙ্গে মন্দিরেও গান করতেন। তাহলে ধর্মীয় গান গাইলেন না কেন? তিনি সুন্দর করে জবাব দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, করা হয়নি। সুযোগ পেলে গাইব। তবে, ফিল্মে কিন্তু ধর্মীয় গান কিছু গেয়েছি’, বলেন রফিকুল আলম। 

তিনি বলেন, ‘এইরকম একজন বিশ্ববিখ্যাত শিল্পীর সঙ্গে কথা বলে ভালো লেগেছিল। তার মতো প্রতিভা কমই এসেছে।’

নন্দিত শিল্পী রফিকুল আলম আরও বলেন, ‘যে কোনো শাস্ত্র নিয়ে কথা বলতে গেলে একটা উপমা দরকার পড়ে। প্রথম উপমায় আশা ভোসলের নাম আসবেই। লাইফ মিউজিকের ক্ষেত্রে যদি বলি তাহলে উনার নাম অনায়াসে উঠে আসবে। সংগীত দিয়ে তিনি নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। উদাহরণ হয়ে থাকবেন সারাজীবন।’

তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে মনে করি তার মতো শিল্পীর কাছে পৌঁছাতে আমাকে দুইবার জন্ম নিতে হবে। লাইভ মিউজিকে, শাস্ত্রীয় সংগীতে নারী শিল্পী হিসেবে আশা ভোসলের নাম অনেক ওপরে। আজ তিনি চলে গেলেন। তাকে স্মরণ করতেই হবে। তার গাওয়া গানই তাকে বাঁচিয়ে রাখবে।’

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অবসানে চীনের আহ্বান, ইরানের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মানের দাবি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার অবিলম্বে অবসান চেয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানায়।

আল জাজিরার প্রতিবেদনের বলা হয়েছে, ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মানের ওপর জোর দিয়েছে বেইজিং।

China is highly concerned over the military strikes against Iran launched by the U.S. and Israel. Iran’s sovereignty, security and territorial integrity should be respected.

China calls for an immediate stop of the military actions, no further escalation of the tense situation,… pic.twitter.com/JzpKQgEpGy

— CHINA MFA Spokesperson 中国外交部发言人 (@MFA_China) February 28, 2026

বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো হামলায় বেইজিং ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’। একইসঙ্গে তারা উল্লেখ করেছে, ‘ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করা উচিত।’

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অঞ্চলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।

পাশাপাশি সব পক্ষকে আরও উত্তেজনা এড়িয়ে সংলাপ পুনরায় শুরুর আহ্বান জানানো হয়েছে।

সাবেক কর্মস্থলে ফিরলেন অধ্যাপক ইউনূস

দেড় বছর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর নিজের সাবেক কর্মস্থলে ফিরেছেন নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ রোববার ঢাকার মিরপুরে টেলিকম ভবনে অবস্থিত ইউনূস সেন্টারে অফিস করেছেন তিনি।

ইউনূস সেন্টারে পৌঁছালে অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাকে স্বাগত জানান। কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানানো হয়।

এ সময় অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে তিনি গ্রামীণ সংগঠনগুলো এবং ইউনূস সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন।

প্রসঙ্গত, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস চলতি মাসের শেষ নাগাদ ঢাকার গুলশানে তার বাসভবনে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে ইউনূস সেন্টার।