28.5 C
Dhaka
Home Blog

৩ লাল কার্ডের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাল মেক্সিকো

একটি কিংবা দুটি নয়, তিন তিনটি লাল কার্ড দেখা গেল ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে! ঘটনাবহুল এই খেলায় মেক্সিকোর সঙ্গে মোটেও লড়াই জমাতে পারল না দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে জয় তুলে নিয়ে শুভ সূচনা করল টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক মেক্সিকো।

বৃহস্পতিবার রাতে মেক্সিকো সিটির অ্যাজতেকা স্টেডিয়ামে স্বাগতিকরা জিতেছে ২-০ গোলে। কানায় কানায় পূর্ণ ৮০ হাজারের বেশি দর্শক ধারণ ক্ষমতার গ্যালারির সামনে ম্যাচের দুই অর্ধে একবার করে লক্ষ্যভেদের উল্লাস করে তারা। হুলিয়ান কিনিয়োনোনেস নবম মিনিটে দলকে এগিয়ে দেওয়ার পর ৬৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অভিজ্ঞ তারকা স্ট্রাইকার রাউল হিমেনেজ।

কোনো দলই পুরো ১১ জন নিয়ে ম্যাচ শেষ করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে রেফারি উইলতন সাম্পাইও দেখান তিনটি সরাসরি লাল কার্ড— দুটি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ও একটি মেক্সিকোকে। ৪৯তম মিনিটে স্ফেফেলো সিথোলে ও ৮৪তম মিনিটে থেম্বা জোয়েন মাঠ ছাড়লে নয় জনের দলে পরিণত হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে সেজার মন্তেস লাল কার্ড দেখলে মেক্সিকো নেমে আসে ১০ জনের দলে।

সবশেষ ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে মাত্র চারটি লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল। আর এর আগে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে কখনোই তিনটি লাল কার্ড দেখানো হয়নি।

এসব নাটকীয় ঘটনার অনেক আগেই মেক্সিকো দল তাদের সমর্থকদের আনন্দে ভাসায়। ম্যাচের মাত্র নবম মিনিটের মাথায় তারা প্রথম গোলটি করে। ডি-বক্সের সামনে দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার সিথোলের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ট্যাকল করেন এরিক লিরা। বল গিয়ে পড়ে কিনিয়োনেসের সামনে। তার জোরালো শট গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামসের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে জড়ায়।

বিরতির ঠিক আগে কিনিয়োনেস ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু ১২ গজ দূর থেকে নেওয়া তার শটটি ডান পাশের পোস্টের নিচের দিকে লেগে ফিরে আসে।

দ্বিতীয়ার্ধের চতুর্থ মিনিটে সিথোলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। গোল করার উদ্দেশ্যে এগিয়ে যাওয়া ব্রায়ান গুতিয়েরেজকে তিনি ফাউল করে ফেলে দিয়েছিলেন। একজন খেলোয়াড় বেশি থাকায় আয়োজক মেক্সিকোর কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।

১৭ বছর ২৪০ দিন বয়সী তরুণ মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা এই টুর্নামেন্টের কনিষ্ঠতম খেলোয়াড়। ৬৬তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে তিনি এক নতুন কীর্তি গড়েন। তিনি মেক্সিকোর ইতিহাসে বিশ্বকাপে খেলা সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়ে পরিণত হন। দেশটির হয়ে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে খেলার রেকর্ড দীর্ঘ ৯৬ বছর ধরে ছিল মানুয়েল রোসাসের। ১৯৩০ সালে ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপে তিনি মাঠে নেমেছিলেন ১৮ বছর ৮৭ দিন বয়সে।

পরের মিনিটেই ৩৫ বছর বয়সী হিমেনেজ মেক্সিকোর জয় অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলেন। রবার্তো আলভারাদোর ক্রস থেকে দূরের পোস্টে জোরালো হেডে তিনি জাল কাঁপান। বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজের প্রথম গোল করার আবেগঘন মুহূর্তে তার চোখে পানিও চলে এসেছিল।

২০১০ সালে বিশ্বকাপ আয়োজন করার পর এবারই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকা মূল পর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছে। তবে উপলক্ষটি রাঙাতে না পেরে তাদের ম্যাচটি শেষ করতে হয় নয় জন খেলোয়াড় নিয়ে। বদলি খেলোয়াড় জোয়েনকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। আলভারাদোর মুখে আঘাত করায় তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়।

ম্যাচের শেষদিকে মেক্সিকোও একটি লাল কার্ড পায়। কারণ, ডি-বক্সের বাইরে মন্তেস ফাউল করে বসেন খুলিসো মাদাওকে। তবে শেষ বাঁশি পর্যন্ত হাভিয়ের আগুইরের শিষ্যরা তাদের দুই গোলের ব্যবধান ধরে রেখে আনন্দে মাতে।

সরকারি মালিকানায় আর কোনো টেক্সটাইল মিল স্থাপনের পরিকল্পনা নেই: পাটমন্ত্রী

সরকারি মালিকানায় আর কোনো টেক্সটাইল মিল স্থাপন বা পরিচালনার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

আজ শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রোমোশন সেন্টারে ‘কর্মসংস্থানে টেকসই উত্তরণ: টেক্সটাইল শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ও পথচলা’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, সরকার নতুন করে সরকারি মালিকানায় কোনো মিল স্থাপন বা পরিচালনার পরিকল্পনা করছে না। ব্যবসা করবে ব্যক্তি খাত। সরকার নীতি সহায়তা ও প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরিতে কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, টেক্সটাইল শিল্পকে টেকসই করতে হলে আগে শিল্প খাতকেই প্রতিযোগিতা সক্ষম ও আধুনিক করতে হবে। শিল্প যদি সংকটে থাকে, তাহলে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানও টেকসই হবে না।

বিদ্যমান টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোর কারিকুলাম সময়োপযোগী করা এবং প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিতভাবে তা হালনাগাদ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মুক্তাদির বলেন, টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়নে বিটিএমএ ও সক্ষম বেসরকারি মিলগুলোকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে শিক্ষকের ঘাটতি কমবে, প্রযুক্তিগত আপগ্রেডেশন বাড়বে এবং শিক্ষার্থীরা বাস্তব শিল্প অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে।

জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা, উৎপাদন ব্যয়, কস্ট অব ফান্ড এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা টেক্সটাইল খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তিনি জানান, এসব সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে।

পাশাপাশি ম্যানমেইড ফাইবার, নতুন পণ্য উন্নয়ন এবং ভ্যালু চেইনে আপগ্রেডেশনের মাধ্যমে খাতটিকে আরও প্রতিযোগিতা সক্ষম করা হবে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গুপ্ত রাজনীতি করে না: ফয়জুল করীম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গুপ্ত রাজনীতি করে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।

তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন যা মুখে বলে, বাস্তবে তাই করে।’

আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

ফয়জুল করীম বলেন, ‘নির্বাচনের পরে অনেকের প্রশ্ন যে, ঐক্যের জন্য আহ্বান করেছেন আপনারা, প্লাটফর্ম গড়েছেন আপনারা, আবার শেষ পর্যন্ত নাইও আপনারা।’

‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোটে ছিল ইসলামের জন্য, বের হয়েছে ইসলামের জন্য। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জনগণের সাথে ধোঁকাবাজি করতে পারে না, প্রতারণা করতে পারে না,’ যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলামের জন্য ক্ষমতা ত্যাগ করতে পারে, কিন্তু ক্ষমতার জন্য ইসলাম ত্যাগ করতে পারে না,’ বলেন তিনি।

করীম বলেন, ‘আজকে আমরা সংসদে কী দেখছি? আবারও কে রাজাকার কে রাজাকার না—এটা প্রমাণ করার জন্য সময় ব্যয় করা হচ্ছে। আবার কেউ শিশু মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করছে। এগুলো হাস্যকর। আবার কেউ মুক্তিযোদ্ধার পরিবার হিসেবে নিজেকে পেশ করছেন।’

‘সত্য বললেই হয়, আপনার পরিবারের মধ্যে কে কে মুক্তিযোদ্ধা ছিল? তাহলে জাতি স্পষ্ট বার্তা পাবে যে অমুক অমুক মুক্তিযোদ্ধা ছিল। আমার পরিবারের লোক মুক্তিযোদ্ধা—কে কে মুক্তিযোদ্ধা? কোথায় যুদ্ধ করেছেন? কোথায় শহীদ হয়েছেন? বলে দেন। তাহলে অস্পষ্ট থাকবে না,’ জামায়াত আমিরকে ইঙ্গিত করে বলেন তিনি।

বিরোধীদল সংসদে শরিয়াহ আইনের পক্ষে বিল উত্থাপন করবে এবং পাস না হলে ওয়াক আউট করবে এটা আমরা দেখতে চাই—প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই ফাঁকিবাজি আমরা দেখতে চাই না।’

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর বক্তব্যের জের ধরে করীম বলেন, ‘জনসভা থেকে বিরোধীদলকে স্পষ্ট বক্তব্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি, আপনারা কী চান?’

‘আপনারা এখানেও লুকোচুরি করবেন, এটা হতে পারে না,’ যোগ করেন তিনি।

করীম বলেন, ‘কেউ কেউ বলেছেন, ছাত্রলীগের মধ্যে যে হেলমেট বাহিনী ছিল, তারা কারা। এই প্রশ্ন আসছে।
যদি কোনো একদিন কেউ বলে যে, হেলমেট পরতো লোকগুলো অমুক ছিল, আপনারা কী জবাব দেবেন?’

‘সব ভালো ভালো না, বেশি ভালো ভালো না, বেশি রাজনীতি ভালো না’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘ইদানীং আমরা দেখেছি, আপনাদের অতি রাজনীতিতে বিভিন্ন চোরাবালিতে আটকে যাচ্ছেন। এর থেকে বের হতে পারবেন না। আগে বক্তব্য স্পষ্ট করুন।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আজ বা কাল দেশে ইসলামের শাসন চায় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচন জনগণের নির্বাচন হয় নাই, চুক্তিবদ্ধ নির্বাচন হয়েছে।’

‘হাজারো বক্তা এবং জ্ঞানীরা, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বশীলরা বলেছে যে, গত নির্বাচনটা কীভাবে হয়েছিল। এটা তারা স্পষ্ট করেছেন,’ যোগ করেন তিনি।

ইসলামের পক্ষে থাকার কারণে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনকে ষড়যন্ত্র করে হারানো হয়েছে বলেও দাবি করেন এই বক্তা।

জঙ্গি নাটক সাজিয়ে আবারও দেশকে ধ্বংস করার চক্রান্ত চলছে অভিযোগ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কোনো জঙ্গি ছিল না। হঠাৎ জঙ্গি কোথায় থেকে এসেছে?’

এ সময় ফয়জুল করীম ইসলামের পক্ষে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ধ্বংস হওয়ার জিনিস নয়।

আশা ভোসলের কণ্ঠে কালজয়ী হিন্দি ও বাংলা গানগুলো

ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলের বিদায়কে সংগীতপ্রেমীরা দেখছেন এক যুগের অবসান হিসেবে। 

গতকাল রোববার দুপুরে ৯২ বছর বয়সে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

আজ সোমবার বিকেলে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্ক শ্মশানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয় তার শেষকৃত্য। শ্রদ্ধা ও অগণিত মানুষের ভালোবাসায় শেষ বিদায় জানানো হয় এ কিংবদন্তিকে। 

এর আগে তার মরদেহ মুম্বাইয়ের লোয়ার পারেলের বাসভবন থেকে শোভাযাত্রার মাধ্যমে শিবাজি পার্কে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তার ছেলে আনন্দ ভোসলেসহ পরিবারের সদস্যরা। 

শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হন আমির খান, শচিন টেন্ডুলকার, এ আর রহমান, জ্যাকি শ্রফ, রিতেশ দেশমুখ, রণবীর সিং, রাকেশ রোশন, হেলেন, পুনম ধিল্লন, মীনাক্ষী শেশাদ্রি, টাবুসহ আরও অনেকে।

তার জনপ্রিয় হিন্দি গানগুলোর মধ্যে রয়েছে—  

‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘মেরা কুছ সামান’, ‘ও হাসিনা জুলফোওয়ালি’, ‘পিয়া তু আব তো আজা’, ‘দাম মারো দাম’, ‘রঙ্গিলা রে’, ‘রাধা ক্যায়সে না জালে’, ‘কাহিঁ আগ লাগে’, ‘রোজ রোজ আঁখো তলে’, ‘এক ম্যায় অউর এক তু’, ‘জাওয়ানি জানে মান’, ‘দো লফজো কি কাহানি’, ‘রাত আকেলি হ্যায়’, ‘ও মেরি সোনা রে’, ‘ঝুমকা গিরা রে’, ‘তুমসে মিলকে’,  ‘তু হ্যায় ওহি’, ‘এক হাসিনা থি’, ‘ইন আঁখো কি মাস্তি’, ‘অ্যায় মেহেরবান’, ‘ক্যায়া গাজব করতে হো জি’, ‘ইয়ে মেরা দিল ইয়ার কা দিওয়ানা’, ‘হাঙ্গামা হো গ্যায়া’, ‘রাত বাকি বাত বাকি’, ‘পারদে মে রেহনে দো’, ‘কই সেহেরি বাবু’, ‘এ লাড়কা হায় আল্লাহ’, ‘খুল্লাম খুল্লা পেয়ার কারেঙ্গে’, ‘ভোলি ভোলি সি এক সুরাত’, ‘ও সাথি রে’ ইত্যাদি। 

বাংলা গানের মধ্যে রয়েছে— 

‘তোমারই চলার পথে আমি’, ‘কিনে দে রেশমি চুড়ি’, ‘কথা দিলাম আমি কথা দিলাম’, ‘আর কত রাত একা থাকব’, ‘ফুল কেন লাল হয়’, ‘ছোট্ট একটা ভালোবাসা’, ‘কত না ভাগ্য আমার’, ‘আমি মন দিয়েছি’, ‘মায়াবী এ নেশা’,  ‘একটা দেশলাই কাঠি জ্বালাও’, ‘আকাশে সূর্য আছে যতদিন’, ‘বন্ধ মনের দুয়ার’, ‘প্রেম কিসে হয়’, ‘নাগর আমার কাঁচা পিরিত’, ‘আজ আকাশে রঙের খেলা’, ‘মধুবনে বাঁশি বাজে’, ‘নাচ ময়ূরী নাচ রে’, ‘আধো আলো ছায়াতে’, ‘তুমি আমার নয়ন গো’, ‘জানা অজানা পথে চলেছি’, ‘আরো কাছাকাছি’, ‘চোখে নামে বৃষ্টি’, ‘কি জাদু তোমার চোখে’, ‘আমি জানি না কেন’, ‘আমি অন্ধকারের যাত্রী’, ‘খুব চেনা চেনা মুখখানি তোমার’, ‘শোনো এইতো সময়’, ‘যেতে যেতে পথে হলো দেরি’, ‘শোনো মন বলি তোমায়’ প্রভৃতি। 

১৯৩৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন আশা ভোসলে। মাত্র ১০ বছর বয়সে মারাঠি চলচ্চিত্রে প্রথম গান রেকর্ড হয় তার। শুরুতে মূলত নাচের গান বা হালকা ধরনের গানের জন্য পরিচিতি পেলেও, পরে গজল এবং ধ্রুপদী সংগীতেও সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি।

ক্যারিয়ারে বহু সম্মাননা পেয়েছেন আশা ভোসলে। এর মধ্যে আছে—১৯৮১ সালে প্রথমবার জাতীয় পুরস্কার, ১৯৮৮ সালে দ্বিতীয়বার জাতীয় পুরস্কার, ২০০০ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার ও ২০০৮ সালে পদ্মবিভূষণ। 

২০২২ সালে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রের শেষ গানটি রেকর্ড করেন। ৯১ বছর বয়সে ‘সাইয়াঁ বিনা’ নামে একটি একক গান প্রকাশ করে প্রয়াত স্বামী রাহুল দেব বর্মনকে উৎসর্গ করেন।

মধ্যপ্রাচ্যে ‘সংঘাত’ বন্ধ চায় কাতার-সৌদি, আলোচনায় বসার আহ্বান জাতিসংঘের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার পর ফোনে কথা বলেছেন কাতারের আমির শেখ তামিম ও সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।

আজ শনিবার তাদের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয় বলে আল জাজিরা জানিয়েছে।

ফোনে দুই রাষ্ট্রপ্রধান যেকোনো ধরনের উত্তেজনা ‘অবিলম্বে বন্ধ’ এবং আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার ওপর জোর দেন।

কাতারে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। একইসঙ্গে কাতারের প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়ে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সব পদক্ষেপে সম্ভাব্য সহায়তা দেওয়ার অঙ্গীকার করেন সৌদি যুবরাজ।

কাতারের আমির প্রতিবেশী হিসেবে সৌদি আরবের দৃঢ় অবস্থানের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আমিরাতের রাষ্ট্রপ্রধান শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদকেও ফোন করেন।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যে সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘হামলায় শুধু মৃত্যু, ধ্বংস ও মানবিক দুর্দশাই বাড়বে। আমি আজ সকালে ইরান জুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পরবর্তীতে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার নিন্দা জানাই।’

‘সব সময় যেকোনো সশস্ত্র সংঘাতে বেসামরিক নাগরিকদেরই চূড়ান্ত মূল্য দিতে হয়,’ বলেন তিনি।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় আমি সবাইকে ধৈর্য্য ধরে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার অনুরোধ করছি।’

গাইবান্ধায় মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে যুবককে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা

গাইবান্ধা শহরের জিইউকে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসনকেন্দ্রে এক যুবককে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগে ওই কেন্দ্রের পাঁচ কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

আজ রোববার গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ-আল মামুন দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গতকাল ভিকটিম মুর্শিদ হাক্কানীর (৩৭) বড় ভাই মো. আওরঙ্গ বাদী হয়ে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন।

মামলার পাঁচজন আসামি হলেন—বাঁধন (৩৫), লাবিব (৩২), শিহাব (৩৫), আতিফ (৩৬) ও তালহা (৩৫)।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, কেন্দ্রে ভর্তির প্রথম দিকে মুর্শিদের সঙ্গে পরিবারের সাক্ষাৎ করতে দিলেও পরবর্তী সময়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। গত ১১ ফেব্রুয়ারি বাদী মুর্শিদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রথমে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। পরে লোকজন ডাকলে দেখা করতে দেওয়া হয়। সে সময় মুর্শিদ জানান—চিকিৎসা না দিয়ে তাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করা হয়। আসামিরা গত ৯ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদের মুখে কাপড় গুঁজে গ্রিলের সঙ্গে দুই পা উল্টো করে বেঁধে মারধর করেন।

অভিযোগের বিষয়ে কেন্দ্রের কাউন্সেলর ও মামলার আসামি বাঁধন বলেন, মুর্শিদ আমাদের পুরোনো রোগী। পারিবারিক অশান্তির কারণে তিনি সব সময় খুবই এগ্রিসিভ ও ডিপ্রেসড থাকেন। এর আগে দুইবার তাকে ফেরত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষবার তার পরিবারের লোকজন জোর করে  তাকে এখানে ভর্তি করে।

নির্যাতনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মুর্শিদ প্রায় অন্য রোগীদের মারধর ও গালিগালাজ করেন। গত ৯ ফেব্রুয়ারি তিনি গালিগালাজ ও মারধর করলে ১৫-১৬ জন রোগী একত্রিত হয়ে তাকে মারধর করেন। সে সময় আমার স্টাফরা তাকে রক্ষা করতে পারেননি। তাদেরও গাফিলতি রয়েছে।

ওসি আব্দুল্লাহ-আল মামুন বলেন, মুর্শিদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। তিনি বর্তমানে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তিনি আরও বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

জামায়াত আমিরের ‘গৃহযুদ্ধ’ মন্তব্যের নেপথ্যে কী?

রাজনীতিতে বিরোধী দল সরকারের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাবে, সরকার বিরোধীদের বিরুদ্ধে—এটা দস্তুর। বিরোধী দল সরকারের বিরুদ্ধে কড়া প্রচারণা চালালেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। শেষ পর্যন্ত যেকোনো রাজনৈতিক দলের লক্ষ্য তো পরের নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসা। তাই বিরোধীদলীয় নেতা জনসভায় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র বক্তব্য রাখবেন—এটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু যখন বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘গৃহযুদ্ধ’ ঠেকাতে তিনি জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছেন, তখন বিষয়টি স্বাভাবিক রাজনৈতিক বাগাড়ম্বরের সীমা ছাড়িয়ে যায়।

তখন স্বভাবতই মনে হয় বিরোধী দলীয় নেতা এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রধান নিছক রাজনৈতিক প্রচারণার বাইরে গিয়ে আরও বিপজ্জনক কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছেন। সেই বিপদের আলোচনায় ঢোকার আগে একবার তার বক্তব্যের অন্য দিকটি নিয়েও আলোচনা করা প্রয়োজন।

গত ২০ জুন শফিকুর রহমান খুলনার জনসভায় বলেছেন, ‘দেশকে আমরা ভালোবাসি। শত যন্ত্রণা বুকে নিয়ে নির্বাচনের ফলাফল আমরা মেনে নিয়েছি। এ কথা মনে করবেন না কেউ, নির্বাচনের ফলাফল দেশে একটা গৃহযুদ্ধ শুরু না হোক, সেই জন্য আমরা মেনে নিয়েছিলাম। কারও বাপ–দাদার চোখ রাঙানিকে আমরা পরোয়া করব না। অন্যায়ের কাছে আমরা মাথা নত করব না। আমাদের নেতৃবৃন্দ হারতে হারতে ফাঁসির তক্তায় দাঁড়িয়ে মুচকি হাসি দিয়ে আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজনে জাতির জন্য আমাদের তৈরি থাকতে হবে।’

জামায়াত নেতা অভিযোগ করেছেন, সবশেষ নির্বাচনটি কার্যত পুরোপুরি সাজানো ছিল। অন্ততপক্ষে ব্যাপক অনিয়ম অভিযোগের ইঙ্গিত দিচ্ছেন। জাতীয় নির্বাচনের চার মাসেরও বেশি সময় পরে এ ধরনের মন্তব্য বেশ বিস্ময়কর—বিশেষ করে যে নির্বাচন সাধারণভাবে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। এটা অবশ্য ঠিক যে ৩২টি আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছিল জামায়াত। তাদের দাবি অনুযায়ী, সেখানে সামান্য ব্যবধানে পরাজয় গণনার ত্রুটির কারণে হয়েছিল।

তবে এই অভিযোগ আসে গেজেট প্রকাশের পরে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, যেসব ভোটকেন্দ্রে যে সময়ে আপত্তি জানানোর নিয়ম ছিল, সেখানে দলটি কোনো অভিযোগ করেনি। ওই ৩২ আসনের ফলাফলও আর পরিবর্তন হয়নি।

কিন্তু এই আসনগুলো নিয়ে জামায়াতের অভিযোগ, অভিযোগের ধরন ও আচরণ—সব মিলিয়ে শুরু থেকেই পরিষ্কার ছিল যে পুরো বিষয়টা আমলে নেওয়ার মতো নয়। বিরোধী দলের কিছু একটা বলার দরকার, দলের কর্মী ও সমর্থকদের সান্ত্বনা দেওয়ারও একটা ব্যাপার থাকে, এই ৩২ আসনের অভিযোগ সম্ভবত সেগুলোকে মাথায় রেখে ছিল।

যদি সত্যিই তারা পুনর্গণনার বিষয়ে আন্তরিক হতো, তাহলে দলের প্রতিনিধিরা ভোটকেন্দ্রেই প্রতিবাদ করতেন এবং তাদের ন্যায্য অধিকার হিসেবে পুনর্গণনা চাইতেন। সেটা না করে তারা গেজেট বিজ্ঞপ্তির জন্য অপেক্ষা করেছে। এছাড়াও, নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালেও এ নিয়ে অভিযোগ নেওয়া হয়নি। সেখানেও অভিযোগ যথাযথভাবে নিষ্পত্তি হতে পারত। তার ওপর নির্বাচনের পর থেকে এ পর্যন্ত জামায়াতের যত জনসভা হয়েছে, একটিতেও বিষয়টি জোরালোভাবে উঠে আসেনি।

কিন্তু এখন জামায়াত প্রধান আবারও সেই ৩২টি আসনের প্রসঙ্গ তুলছেন কড়া ভাষায়। বুঝিয়ে দিচ্ছেন যে আসনগুলো আসলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে দলটি তাদের প্রাপ্য আদায়ে কঠোর লড়াইয়ে নামত। সেটা এমনই লড়াই যে দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারত।

জামায়াত নেতার এমন মন্তব্যে উদ্বেগজনকভাবে সহিংসতার ঝোঁক প্রকাশ পায়। পাশাপাশি গভীরতর কিছুর ইঙ্গিতও পাওয়া যায়। প্রথমত মন্তব্যে বোঝা যায় দেশের স্বার্থে, একটা প্রাণবন্ত সংসদের জন্যে যেমন সরব বিরোধী দল দরকার, জামায়াত আদতে সেই বিরোধী দল নয়। দল এবং দলটির নেতারা দলীয় স্বার্থকে পুরো জাতির স্বার্থের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলছে। না হয় ৩২টি আসনের জন্য গৃহযুদ্ধের প্রশ্ন আসবে কেন?

এই মন্তব্যে আরও একটি ব্যাপার উঠে আসে। জামায়াত প্রধানের আত্মবিশ্বাস তার নিয়ন্ত্রণে এমন শক্তি বা ক্ষমতা আছে, যে ইচ্ছা করলেই তা দিয়ে গৃহযুদ্ধ বাধানো যায়। কিন্তু তিনি সংযত থেকেছেন। পরেরবার নাও থাকতে পারেন।

প্রশ্ন জাগে, একটি রাজনৈতিক দলের কেন, কোন কারণে এমন শক্তির বা লোকবলের দরকার হয়, যা দিয়ে তারা গৃহযুদ্ধ পর্যন্ত বাধিয়ে দিতে পারে?

বিরোধীদলীয় নেতার এই বক্তব্য কেবল মেঠো রাজনৈতিক বক্তৃতা বলে উড়িয়ে দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই। আর তিনি যেটা বলছেন তার মানে হলো, ২০২৪ সালের রক্তাক্ত রাজনৈতিক অভ্যুত্থানের দেড় বছরের মাথায় তার দল আরেকটি রক্তাক্ত সংঘাতের জন্যে তৈরি ছিল, আর নেতারাও সেরকম একটি কর্মসূচির কথা চিন্তা করেছিলেন। রাজনৈতিক মিত্ররা সদয় হয়ে এমন মনোভাবকে হয়তো দায়িত্বজ্ঞানের অভাব বলবেন। তবে সমালোচকরা একে বিধ্বংসী মনোভাব হিসেবেই দেখবেন।

শফিকুর রহমান তার বক্তৃতায় পূর্বসূরিদের কথাও টেনে আনেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতৃবৃন্দ হারতে হারতে ফাঁসির তক্তায় দাঁড়িয়ে মুচকি হাসি দিয়ে আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজনে জাতির জন্য আমাদের তৈরি থাকতে হবে।’

কিন্তু তিনি যে পূর্বসূরিদের কথা বললেন, মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর দোসর হিসেবে যুদ্ধাপরাধের দায়ে তাদের ফাঁসি হয়েছিল। হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের জন্য তাদের মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল। জামায়াত ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীর বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অবস্থান নিয়েছিল এবং দলটির নেতারা সেই অপকর্মের জন্য ফাঁসিতে ঝুলেছিলেন।

তারা যুদ্ধাপরাধ বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। কিন্তু এই রায়গুলো কোনো আদালতে এখনো চ্যালেঞ্জ করা হয়নি, বাতিলও হয়নি। কিন্তু বর্তমান জামায়াত নেতা যখন গৃহযুদ্ধের হুমকি দিতে গিয়ে সেই নেতাদের স্মরণ করেন—যারা একসময় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন—তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি বর্তমান জামায়াত নেতা তার পূর্বসূরিদের সেই আদর্শই ধারণ করেন?

জামায়াত ও তার ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির বারবার প্রমাণ করেছে যে তারা তাদের কলুষিত অতীত এবং সেই নেতাদের আঁকড়ে রাখতে চায়। টিএসসির ছবি প্রদর্শনীতে তাদের শহীদ আখ্যা দিয়ে কিংবা সংসদে শোকপ্রস্তাব তুলে তারা সেটাই জানান দেয় বারবার। তাই যখন শফিকুর রহমান ১৯৪৭ সাল থেকে দলের সদস্যদের ‘ভুলের’ জন্য ক্ষমা চান, কিন্তু ১৯৭১ সালের পাপ স্পষ্টভাবে স্বীকার করেন না, তখন আর মনে হয় না তিনি সেটা সরল মনে চাইছেন। বরং মনে হয় এটা আশেপাশের বৈরী আবেগকে সাময়িকভাবে প্রশমিত করার কৌশল। জামায়াত এভাবেই বহু বছর পার করেছে। কিন্তু যতদিন ইতিহাসের মুখোমুখি না হবে, ততদিন এই বোঝা তাদের ঘাড় থেকে নামবে না।

তবে, জামায়াত এখন সংসদে প্রধান বিরোধী দল। এটা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। দলটির কট্টর সমালোচকরাও চাইবেন যে সংসদে বিরোধী দল হিসেবে জামায়াত সফল হোক। তারা যেন সরকারি দলকে কড়া নজরদারির মধ্যে রাখেন, পান থেকে চুন খসলে তাদের জবাবদিহি করে। এটা দলটির জন্য দেশসেবার একটি বিরল সুযোগও বটে। কিন্তু দলের প্রধানের এরকম বক্তব্য সেই সম্ভাবনা নষ্ট করে দেবে। এমন বক্তব্য প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আর এটা দলটির জন্যেও ভালো কিছু বয়ে আনবে না।

তানিম আহমেদ: ডিজিটাল এডিটর, দ্য ডেইলি স্টার

১৯৩০ থেকে ২০২৬: একনজরে ফিফা বিশ্বকাপের সব পোস্টার

১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়। সেই বছর থেকে প্রতিটি আসরের জন্য আলাদা অফিসিয়াল পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রথম বিশ্বকাপের পোস্টারে সেসময়ের জনপ্রিয় শিল্পরীতিকে তুলে ধরা হয়েছিল।

এসব পোস্টার শুধু টুর্নামেন্টের প্রচারণার মাধ্যম নয়; বরং আয়োজক দেশের সংস্কৃতি, শিল্পধারা, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও ফুটবল-উন্মাদনারও প্রতিচ্ছবি।

পরবর্তী কয়েক দশকে পোস্টারগুলোতে ফুটবল ও খেলোয়াড়ের শক্তিমত্তা, জাতীয় পতাকা, স্টেডিয়াম ও দেশীয় প্রতীক গুরুত্ব পায়।

১৯৬০ ও ১৯৭০ এর দশকে পোস্টারগুলোতে আধুনিক গ্রাফিক ডিজাইন ও উজ্জ্বল রঙের ব্যবহার বাড়ে।

১৯৯৪ সালে পোস্টারের ডিজাইনে ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রভাব দেখা যায়। 

এরপরের আসরগুলোতে স্থানীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও বৈশ্বিক ফুটবল ঐক্যের বিষয়টি আরও বেশি গুরুত্ব পায়।

২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপের পোস্টারে সোভিয়েত যুগের পোস্টার শিল্পের ছাপ ছিল। সেখানে কিংবদন্তি গোলরক্ষক লেভ ইয়াশিনকে কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল।

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের পোস্টারে মধ্যপ্রাচ্যের সংস্কৃতির প্রতিফলন হয়।

২০২৬ বিশ্বকাপের পোস্টার ইতিহাসে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। কারণ এবারই প্রথমবারের মতো তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করে।

প্রথমবারের মতো তিনজন শিল্পী (কানাডার কারসন টিং, মেক্সিকোর মিনার্ভা জিএম ও যুক্তরাষ্ট্রের হ্যাঙ্ক উইলিস থমাস) মিলে অফিসিয়াল টুর্নামেন্ট পোস্টার তৈরি করেন। পোস্টারটিতে ফুটবল কীভাবে ভিন্ন সংস্কৃতি ও দেশের মানুষকে একসূত্রে গেঁথে রাখে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে।

নির্ধারিত দামের কমে বিক্রি, এবারও হতাশ চামড়া ব্যবসায়ীরা

কোরবানির গরুর চামড়ার দাম সরকার গত বছরের তুলনায় বাড়ালেও রাজধানীতে সেই দরে বিক্রি হচ্ছে না। বিক্রেতারা বলছেন, তারা এবারও  সরকারি নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় অনেক কম দামে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।

মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার দাম বাড়ালেও ট্যানারি মালিকদের পক্ষ থেকে সেই দামে চামড়া কেনার কোনো নিশ্চয়তা তারা পাননি। ট্যানারি মালিকরা গত বছরের তুলনায় কম দাম দিচ্ছেন। ফলে মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও কম দামে চামড়া কিনছেন।

এদিকে ট্যানারি মালিকরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় দাম কমেনি, বরং প্রতি পিসে ৫০–৬০ টাকা বেড়েছে।

রাজধানীর অনেক চামড়া বিক্রেতার অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় তারা প্রতি চামড়ায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কম পেয়েছেন। পাশাপাশি আগের বছরের মতোই ব্যবসায়ীরা ছাগলের চামড়া কেনায় তেমন আগ্রহ দেখাননি।

আজ বৃহস্পতিবার ঈদুল আজহার দিনে রাজধানীর শেওড়াপাড়া, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, কলাবাগান ও সায়েন্স ল্যাব এলাকায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

এবার অধিকাংশ কাঁচা গরুর চামড়া ৫০০-৬৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যেখানে গত বছর একই ধরনের চামড়া ৭০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

এ বছর সরকার ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম গত বছরের তুলনায় ২ টাকা বাড়িয়েছে।

ঢাকায় গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২-৬৭ টাকা, যা গত বছর ছিল ৬০-৬৫ টাকা।

এছাড়া ছাগলের লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ২৫-৩০ টাকা এবং বকরি ছাগলের চামড়ার দাম ২২-২৫ টাকা প্রতি বর্গফুট।

এই হিসাব অনুযায়ী, একটি ছোট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ৯৯০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা হতে পারে। মাঝারি আকারের চামড়ার দাম অন্তত ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকা, আর বড় চামড়ার দাম ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

 

সাধারণত বড় গরুর চামড়ার আয়তন ৩১–৪০ বর্গফুট, মাঝারি গরুর ২১–৩০ বর্গফুট ও ছোট গরুর ১৬–২০ বর্গফুট হয়ে থাকে।

মোহাম্মদপুরের শেরশাহ সুরি রোডে মৌসুমি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ স্বপন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমি ছোট কাঁচা চামড়া ৪৫০ টাকায়, মাঝারি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায় ও বড় চামড়া ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় কিনেছি।

তিনি বলেন, দুপুর ১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত আমি ৩০টি কাঁচা চামড়া কিনেছি। ৩০০টি কেনার পরিকল্পনা আছে।

সায়েন্স ল্যাব এলাকার আরেক মৌসুমি ব্যবসায়ী আবিদ হোসেন হানিফ বলেন, আমি ছোট চামড়া ৪০০–৪৫০ টাকা, মাঝারি ৫০০ টাকা ও বড় চামড়া ৫৫০–৬০০ টাকায় কিনেছি।

‘গত বছরের তুলনায় দাম কিছুটা কম, কারণ আমরা ট্যানারি মালিকদের কাছ থেকে যে দাম পাচ্ছি, সেই দামে চামড়া কিনছি’ বলেন তিনি।

ধানমন্ডি এলাকার মৌসুমি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, ছাগলের চামড়ার দাম নেই বললেই চলে। যারা গরুর চামড়া বিক্রি করতে নিয়ে আসেন, তাদের অনেক সময় প্রতি পিসে মাত্র ৫ থেকে ১০ টাকা দেওয়া হয়, আর কিছু ক্ষেত্রে কোনো টাকা না দিয়েই চামড়া নিয়ে নেওয়া হয়।

তবে এ বছর চামড়ার দাম কমেনি বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মো. সাখাওয়াত উল্লাহ।

ডেইলি স্টারকে তিনি বলেন, ‘এ বছর কাঁচা চামড়ার দাম কমেনি; বরং গত বছরের তুলনায় ২০-৫০ টাকা বেশি রয়েছে। আমি নিজেই ৬৫০ টাকা থেকে ৯৫০ টাকা পর্যন্ত দামে চামড়া কিনেছি।’  

সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, রাজধানীতে কাঁচা চামড়ার বাজার যেন ঠিক থাকে, এ জন্য ট্যানারিগুলো সরাসরি কাঁচা চামড়া কিনে থাকে। আজ বিকেল পর্যন্ত চামড়ার বেচাকেনা সেভাবে জমেনি। এ কারণে কেউ কম দাম পেয়ে থাকতে পারেন। সন্ধ্যার দিকে দাম আরও বাড়তে পারে।

প্রসঙ্গত, ট্যানারি মালিকরা এ বছর ৭৫ লাখ থেকে ৮০ লাখ কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। এর মধ্যে তারা রাজধানীতে সরাসরি প্রায় ৮০ শতাংশ চামড়া কেনার পরিকল্পনা করছেন। গত বছর তারা রাজধানী থেকে প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৮ লাখটি চামড়া সরাসরি কিনেছিল।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, এ বছর কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার। এর বিপরীতে গরু-ছাগলসহ কোরবানির জন্য প্রস্তুত ছিল প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৪ হাজার পশু।

 

 

 

একাত্তরের জামায়াত আর এখনকার জামায়াত এক নয়: গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশের জন্মলগ্নে ১৯৭১ সালের জামায়াত আর এখনকার জামায়াত এক নয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

আজ শুক্রবার দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংসদে আনা বিলে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা প্রসঙ্গে জামায়াত আমিরের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে পরওয়ার বলেন, ‘তিনি বলেছেন, আমরা এই জাতিকে বিভক্ত করার রাজনীতিকে থেকে ফিরে আসতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম, এই বিলের মধ্যে পলিটিক্যাল ব্যাড ইনটেনশন আছে। এটা সংশোধন করা উচিত।’

‘বারবার সংজ্ঞা পরিবর্তন করা হয়েছে, অতীতের কোনো সরকার সময় এটা ছিল না,’ যোগ করেন পরওয়ার।

তার মত, ‘দেশের মানুষকে বিভক্ত করার রাজনীতিতে যে অপশক্তি তৎপর আছে, তাদেরই অপতৎপরতার ফল হিসেবে এটাকে এইভাবে রাখা হয়েছে।’

বাংলাদেশে কেন—সারা দুনিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে বহু বিতর্কিত আলোচনা ও বক্তব্য থাকতে পারে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০-৬০ বছর পরে জাতি যদি পুরাতন কোনো বিষয় নিয়ে বিতর্ক এবং জাতিকে বিভক্ত করে, সে জাতি কোনোদিন এগিয়ে যেতে পারে না।’

‘আমাদের আমিরে জামায়াত বলেছেন, ইতিহাসকে নিয়ে পড়ে থাকলে আমরা কোনোদিন ইতিহাস তৈরি করতে পারবো না। সে জন্য আমাদের পরে স্বাধীন হওয়া পৃথিবীর বহু দেশ আমাদের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরের মতো দেশ, তারা আমাদের পরে স্বাধীন হয়েছে।’

এই জামায়াত নেতা বলেন, ‘যাদের স্বাধীনতার পরে জন্ম, আজকে পার্লামেন্টে যারা এমপি হয়েছেন আমাদের, তার অধিকাংশই বয়সে তরুণ। এই জন্মভূমিতে, স্বাধীনতার পরে জন্ম, আপনি তাকে স্বাধীনতাবিরোধী বলবেন, আল বদর বলবেন, রাজাকার বলবেন, জনগণ তো হাসে!’

তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তান আমলে সেই সময়কার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তখনকার যারা রাজনৈতিক দলে ছিলেন, সেখানকার রাজনৈতিক পলিসি, ভূমিকার ব্যাপারে অনেক আলোচনা-বিতর্ক হতে পারে। তার অর্থ এই না…স্বাধীনতার পরে অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী…সেই সময়ের জামায়াত আর এখনকার জামায়াত এক নয়। বহুবার জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্র, নীতি, পদ্ধতি বদল হয়েছে।’

জামায়াতের গঠনতন্ত্র পড়ে দেখার আহ্বান জানিয়ে পরওয়ার বলেন, ‘ভূমিকাতেই রোকন শর্তের মধ্যে আমরা বলেছি, মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এই লড়াই-সংগ্রামকে আমরা শ্রদ্ধার সাথে ধারণ করেছি, স্মরণ করেছি।’

এ দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ম রক্ষায় আত্মত্যাগের স্বীকৃতি না দিলে তিনি কেউ জামায়াতের ইসলামীর সদস্য হতে পারেন না বলেও জানান তিনি।

পরওয়ার আরও বলেন, ‘সাংবিধানিক এত পরিবর্তনের পরেও একটা মহল যখন এই বিতর্ক জিইয়ে রাখতে চান, এটা দেশপ্রেম নয়, স্বাধীনতার প্রেম নয়, এটা হচ্ছে জাতিকে বিভক্ত করার একটি বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশে তারা এই কথাগুলো বলেন। এই দুরভিসন্ধি থেকে জাতিকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমি মনে করি, আমাদের এগোবার সময় আছে, জাতির মধ্যে একটা জাতীয় ঐকমত্য তৈরি হোক।’

‘এই বিষয় এখানেই সমাধান করে ফেলা উচিত’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গতকাল সংসদের সমাপনী দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যে আমরা দেখলাম একই সুর প্রতিধ্বনিত হয়েছে। আমরা এখন সামনে যেতে চাই। তাহলেই আমরা নতুন প্রজন্মকে একটা নতুন ইতিহাস দিয়ে যেতে পারবো।’