31 C
Dhaka
Home Blog

উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ছাড়া সরকারি ব্যয় মূল্যস্ফীতি বাড়াতে পারে: সিপিডি

আগামী অর্থবছরের জন্য সরকারের উচ্চাভিলাষী ব্যয় পরিকল্পনা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে না পারলে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়াতে পারে বলে মন্তব্য করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর গুলশানে হোটেল লেকশোরে ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: সিপিডির পর্যালোচনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, সরকারি ব্যয়ের ফলে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও উৎপাদন না বাড়লে সরকারের নির্ধারিত ৭ দশমিক ৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কঠিন হবে।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, এটি একটি বড় বাজেট। সরকারি ব্যয় বাড়বে। কিন্তু সেই ব্যয় যদি উৎপাদনশীলতা না বাড়ায়, তাহলে তা মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

প্রস্তাবিত বাজেটের আকার গত অর্থবছরের তুলনায় ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। আগামী বছরে বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

মে মাস পর্যন্ত ১২ মাসের গড় হিসেবে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। আর পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট হিসেবে ৯ দশমিক ৪ শতাংশ। যা এখনো উচ্চ মূল্যচাপের ইঙ্গিত দেয়।

সিপিডির মতে, দেশের মূল্যস্ফীতি মূলত সরবরাহজনিত, যা শুধু মুদ্রানীতি কঠোর করে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

গবেষণা সংস্থাটি বলেছে, অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবসা খাতে সহায়তা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উৎপাদন সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাড়তি সরকারি ব্যয়কে অর্থনীতিতে উৎপাদনক্ষমতা সৃষ্টি করতে হবে।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ব্যয়ের মাধ্যমে যদি উৎপাদনশীলতা, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ে, তাহলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা টেকসইভাবে উন্নত হবে। অন্যথায় অতিরিক্ত ব্যয় কেবল মূল্যস্ফীতির চাপই বাড়াতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে রাজস্ব, মুদ্রা ও সরবরাহব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

সিপিডির মতে, সাশ্রয়ী দামে পর্যাপ্ত খাদ্য ও জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।

সংস্থাটি বলেছে, খাদ্য মূল্যস্ফীতি মূলত সরবরাহ-সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতার কারণে বাড়ছে। খাদ্যের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি ও যৌক্তিক মূল্যে স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব জ্বালানি বাজারের অনিশ্চয়তার কথা উল্লেখ করে সিপিডি বলছে, জ্বালানির দাম আরও বাড়লে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা জটিল হয়ে উঠতে পারে।

সিপিডির মতে, মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংককে আরও কিছু সময় সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বজায় রাখতে হতে পারে। একইসঙ্গে রাজস্বনীতি এমনভাবে পরিচালনা করতে হবে, যেন সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকে দুর্বল না করে।

সিপিডি জানায়, রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা উন্নত হলেও অধিকাংশ সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচক এখনো চাপে রয়েছে।

আগামী অর্থবছরের জন্য সরকারের নির্ধারিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ হতে পারে। সেখান থেকে আগামী অর্থবছরে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

সিপিডির মতে, বেসরকারি বিনিয়োগও উদ্বেগের আরেকটি বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে আগামী অর্থবছরে বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ২১ দশমিক ৩ শতাংশ হবে বলে ধরা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত ২১ দশমিক ২ শতাংশের তুলনায় সামান্য বেশি।

সিপিডি বলছে, কয়েক বছর আগ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ২৩ থেকে ২৪ শতাংশের মধ্যে ছিল, তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তা কমে গেছে।

বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নিয়ে সরকারের পূর্বাভাস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সিপিডি।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৯ দশমিক ৪ শতাংশ হবে বলে বাজেটে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে উচ্চ সুদহার, দুর্বল চাহিদা এবং ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে এ বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও নিম্ন মূল্যস্ফীতি একসঙ্গে অর্জন করতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার অপরিহার্য বলে মনে করে সিপিডি।

সংস্থাটি বলেছে, অর্থনীতির জন্য উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, শক্তিশালী সরবরাহব্যবস্থা এবং দক্ষ সরকারি ব্যয় প্রয়োজন। এগুলো ছাড়া বাজেটের প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কঠিন হবে।

বাস্তবায়ন হবে চ্যালেঞ্জিং

সিপিডি বলেছে, প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

সংস্থাটি বলেছে, বাজেটের আকার আগের তুলনায় বড় হলেও এর সাফল্য মূলত আকারের ওপর নয়, বরং বাস্তবায়নের মানের ওপর নির্ভর করবে।

এ জন্য প্রয়োজন এমন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, যারা দক্ষতার সঙ্গে বাজেট বাস্তবায়ন করে দৃশ্যমান ফলাফল নিশ্চিত করতে সক্ষম।

 

 

রুনা লায়লার নতুন গজলধর্মী গান

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা নতুন একটি গজলধর্মী গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। গানটির শিরোনাম ‘অনায়াসে’।

এতে সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন বাপ্পা মজুমদার। গানটির কথা লিখেছেন গালিব হাসান।

এক ভিডিও বার্তায় রুনা লায়লা জানান, গানটি নতুন আঙ্গিকে বাংলা গজল হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।

তার ভাষায়, এ ধরনের গান আগে খুব একটা হয়নি।

প্রথমে গানটি এককভাবে গাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে জানান বাপ্পা মজুমদার।

তিনি রুনা লায়লাকে গানটি শোনালে সঙ্গে সঙ্গে গাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে গান শোনার পর রুনা লায়লা মত পরিবর্তন করে বলেন, গানটি তিনি একা নয়, বাপ্পার সঙ্গে দ্বৈতভাবে গাইতে চান।

পরে দুজন মিলে গানটি রেকর্ড করেন।

রুনা লায়লা বলেন, বাপ্পা প্রথমে অবাক হলেও পরে তারা একসঙ্গে কাজটি সম্পন্ন করেন।

এদিকে দীর্ঘ বিরতির পর রুনা লায়লা শাকিব খান অভিনীত সিনেমা ‘প্রিন্স’-এর জন্য ‘জ্বালা জ্বালা’ গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন, যার সুর করেছেন প্রীতম হাসান।

সবকিছু ঠিক থাকলে ‘অনায়াসে’ গানটি আগামী মে মাসে প্রকাশ করা হবে।

হামলার পর বিশ্বের শীর্ষ এলএনজি প্লান্টে উৎপাদন বন্ধ করল কাতার

ইরানের হামলার পর রাস লাফান কমপ্লেক্সে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন বন্ধ করেছে কাতার এনার্জি।

কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানায়।

বিবৃতি অনুযায়ী, কাতার এনার্জি জানায়, একটি ড্রোন কমপ্লেক্সের বিদ্যুৎকেন্দ্রের পানির ট্যাংককে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান। রাস লাফানের একটি জ্বালানি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেও ড্রোন হামলা চালানো হয়।

বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানায়, ইরান থেকে ছোড়া ড্রোনে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

নাগরিক, বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রণালয় বলেছে, নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলতে, গুজব এড়িয়ে চলতে এবং তথ্যের জন্য সরকারি সূত্রের ওপর নির্ভর করতে।

আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর বৃহৎ পরিসরে হামলা চালায়। এতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ শীর্ষ কয়েকজন ইরানি নেতা নিহত হন। সেই প্রেক্ষাপটেই এই ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. আমিনুল ইসলাম। মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে সরিয়ে তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) অ্যাক্ট, ১৯৭৩-এর সেকশন ৭ অনুসারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলা পরিচালনার জন্য মো. আমিনুল ইসলামকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদমর্যাদা, প্রাপ্য বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

একই প্রজ্ঞাপনে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর নিয়োগপ্রাপ্ত চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নিয়োগসংক্রান্ত আদেশটি বাতিল করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। ওই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

২০১০ সালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য এই ট্রাইব্যুনাল গঠিত হলেও বর্তমানে এখানে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিগত সরকারের শীর্ষ নেতাদের বিচার চলছে।

সেলফি ভেরিফিকেশনে ফেসবুকে মিলবে ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য ‘ফেসবুক ভেরিফায়েড’ নামে নতুন একটি বিনামূল্যের ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা চালু করেছে মেটা। এই সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা একটি ভিডিও সেলফি দিয়ে প্রমাণ করতে পারবেন যে, প্রোফাইলটি সত্যিকারের ব্যক্তি ব্যবহার করেন।

মেটার এই ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই প্রক্রিয়া সফল হলে প্রোফাইলে ‘ভেরিফায়েড ব্যাজ’ যুক্ত হবে। তবে এজন্য কোনো ধরনের সাবস্ক্রিপশন ফি দরকার হবে না।

মেটা জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে ভুয়া ছবি, প্রোফাইল ও বার্তা তৈরি এখন অনেক সহজ। তাই প্রকৃত ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করতে ও অনলাইন নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ফেসবুক মার্কেটপ্লেস, ডেটিং, গ্রুপস ও ব্যক্তিগত প্রোফাইলে এই ব্যাজ দেখা যাবে।

ফেসবুক অ্যাপ থেকে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে।

প্রথম সেটিংস অ্যান্ড প্রাইভেসি ট্যাবে ক্লিক করতে হবে, এরপর সেটিংসে গিয়ে অ্যাকাউন্টস সেন্টার নির্বাচন করতে হবে। সেখান থেকে পাসওয়ার্ড অ্যান্ড সিকিউরিটি ট্যাব নির্বাচন করে ভেরিফিকেশন সেলফিতে ক্লিক করতে হবে।

ভেরিফিকেশন সেলফিতে ক্লিক করার পর পর্দায় দেখানো নির্দেশনা অনুযায়ী একটি ছোট ভিডিও সেলফি ধারণ করে জমা দিতে হবে। এরপর ফেসবুক ভিডিও সেলফির সঙ্গে প্রোফাইলে থাকা ছবিগুলোর মিল যাচাই করবে।

ভিডিও সেলফি দেওয়ার সময় যা খেয়াল রাখবেন—মুখ যেন স্পষ্টভাবে দেখা যায়, পর্যাপ্ত আলোতে ভিডিও ধারণ, মাস্ক, সানগ্লাস বা ক্যামেরার ফিল্টার ব্যবহার করবেন না, নির্দেশনা অনুযায়ী মাথা ও মুখ নড়াচড়া করতে হবে।

মেটার তথ্য অনুযায়ী, পুরো যাচাই প্রক্রিয়া সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে।

ভেরিফিকেশন সেলফি অপশন পেলেই যে সবাই ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন, এমন নয়। ব্যাজ পাওয়ার জন্য কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে।

শর্তগুলো হলো—ব্যবহারকারীর বয়স অন্তত ১৮ বছর হতে হবে। অ্যাকাউন্টটি ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডস মেনে চলতে হবে। প্রতারণা, ভুয়া পরিচয় বা সন্দেহজনক কার্যকলাপের কোনো প্রমাণ থাকা যাবে না।

বর্তমানে ফিচারটি ধাপে ধাপে বিভিন্ন দেশে চালু করা হচ্ছে। তাই কারও অ্যাকাউন্টে ভেরিফিকেশন সেলফি অপশন দেখা গেলেও অন্য কারও অ্যাকাউন্টে এটি এখনো নাও থাকতে পারে।

এ সুবিধাটি আপাতত সাধারণ ফেসবুক প্রোফাইলের জন্য চালু হচ্ছে। আপাতত পেজ বা প্রোফেশনাল মোড চালু থাকা প্রোফাইলের জন্য প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে মেটা।

না। এই ব্যাজ শুধু নিশ্চিত করে যে প্রোফাইলটি সত্যিকারের ব্যক্তি চালান। তবে এর মানে এটা নয় যে, কোনো ব্যবহারকারীর বিশ্বাসযোগ্যতা, বক্তব্যের সত্যতা বা অনলাইন লেনদেনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়া। তাই ভেরিফায়েড ব্যাজ থাকলেও অনলাইনে লেনদেন বা ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে সব সময় সতর্ক থাকা উচিত।

হালান্ডের গতিও ব্রাজিলের দুশ্চিন্তার কারণ

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে এবার ব্রাজিলের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারেন আর্লিং হালান্ড। গোল করার অসাধারণ দক্ষতার পাশাপাশি বিধ্বংসী গতিও নরওয়ের এই তারকার অন্যতম বড় অস্ত্র। আর ফিফার প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলছে, গতি বিবেচনায় এখন পর্যন্ত হালান্ডের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেননি কোনো ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার।

বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৫৩ ম্যাচে ৬০ গোলের দুর্দান্ত পরিসংখ্যান নিয়ে খেলছেন হালান্ড। তবে শুধু গোলই নয়, তার ভয়ংকর গতিও প্রতিপক্ষের জন্য বড় আতঙ্ক হয়ে উঠেছে।

ফিফার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বিশ্বকাপে হালান্ডের সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ৩৬.৫ কিলোমিটার, যা তিনি ইরাকের বিপক্ষে ম্যাচে স্পর্শ করেন। এরপর সেনেগালের বিপক্ষে তার সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ৩৫.২ কিলোমিটার। ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচে খেলেননি। আর আইভরি কোস্টের বিপক্ষে তার সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ৩১.৪ কিলোমিটার।

অন্যদিকে ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দ্রুতগতির রেকর্ড ডান-ব্যাক দানিলোর। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি ঘণ্টায় ৩৪.২ কিলোমিটার গতিতে দৌড়েছেন। অর্থাৎ হালান্ডের সর্বোচ্চ গতির তুলনায় তিনি ঘণ্টায় ২.৩ কিলোমিটার পিছিয়ে। ব্রাজিলের অন্য খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ গতিও তুলনামূলকভাবে কম।

ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের গতি—

•    স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দানিলো – ৩৪.২ কিমি/ঘণ্টা
•    মরক্কোর বিপক্ষে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র – ৩৪.১ কিমি/ঘণ্টা
•    জাপানের বিপক্ষে মারকিনিওস – ৩৩.৮ কিমি/ঘণ্টা
•    হাইতির বিপক্ষে রাফিনিয়া – ৩৩.৩ কিমি/ঘণ্টা

অন্যদিকে হালান্ডের গতি—

•    ইরাকের বিপক্ষে – ৩৬.৫ কিমি/ঘণ্টা
•    সেনেগালের বিপক্ষে – ৩৫.২ কিমি/ঘণ্টা
•    আইভরি কোস্টের বিপক্ষে – ৩১.৪ কিমি/ঘণ্টা
•    ফ্রান্সের বিপক্ষে খেলেননি।

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে বাংলাদেশ সময় রোববার রাতে নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও নরওয়ে। ম্যাচটির জয়ী দল আগামী ১১ জুলাই মায়ামিতে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার-ফাইনালে ইংল্যান্ড অথবা মেক্সিকোর বিপক্ষে খেলবে।
 

আদ-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান শফিকুর রহমানের

আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

তার মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানে অবহেলা, ত্রুটি বা অপরাধের অভিযোগ থাকলে তদন্তের মাধ্যমে দায় নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত; পুরো হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে শুক্রবার রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সম্প্রতি আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সবাই গভীর দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে। ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকার হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করেছে, যা মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি।

শফিকুর রহমান বলেন, তদন্তের মাধ্যমে কোনো অবহেলা, ত্রুটি কিংবা অপরাধ চিহ্নিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু তা না করে যে হাসপাতালটি ‘গরিবের হাসপাতাল’ নামে পরিচিত এবং মানসম্মত সেবার মাধ্যমে জনগণের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল, সেই হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এতে শেষ পর্যন্ত জনগণেরই ক্ষতি হবে।

তিনি আরও বলেন, আদ-দ্বীন একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। সেখানে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ মেডিকেল শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। পাশাপাশি নার্সিং কোর্সও চালু রয়েছে। লাইসেন্স বাতিলের ফলে এসব শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হবে।

শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে সরকারের প্রতি এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, কারও দোষ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া কাম্য নয়।

‘বয়স তো কেবল একটি সংখ্যা’

একসময় ঢালিউডের পর্দা মাতানো জনপ্রিয় নায়িকা রোজিনা। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিন শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনাতেও যুক্ত ছিলেন এই তারকা। তার হাতে নির্মিত হয়েছে একাধিক নাটক ও চলচ্চিত্র।

কিছুদিন বিরতির পর আবারও নতুন সিনেমা পরিচালনায় ফিরছেন রোজিনা। নতুন সিনেমার নাম আপাতত ‘এখনই সময়’—তবে নাম পরিবর্তনের সম্ভাবনাও আছে।

রোজিনা বলেন, ‘গল্প নিয়ে শিগগিরই বসব। এটি ছটকু আহমেদ ভাইয়ের গল্প।’

নতুন সিনেমা নিয়ে তিনি জানান, এটি হবে পারিবারিক গল্পের সিনেমা। তবে কেবল বিনোদন নয়, দর্শকদের জন্য থাকবে স্পষ্ট বার্তা।

তার ভাষায়, ‘দর্শকরা ভালো একটি বার্তা পাবেন। আমার নতুন সিনেমায় কিছু বার্তা থাকবে।’

সামাজিক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও উঠে আসবে এই সিনেমাতে। রোজিনা বলেন, ‘আমাদের সমাজে, বিশেষ করে গ্রামে এখনো যৌতুকের প্রচলন আছে। এটি খুবই ক্ষতিকর, এক ধরনের অপরাধও বলা যায়। এই বিষয়টিও আমার সিনেমায় তুলে ধরতে চাই।’

শুটিং কবে শুরু হবে—এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কিছু জানাতে পারেননি তিনি। বলেন, ‘সিনেমা মানেই বড় বাজেট, বড় টিম। অনেক প্রস্তুতির বিষয় থাকে। ধীরে ধীরে সব গুছিয়ে নিচ্ছি। আশা করছি ভালো কিছু হবে।’

অভিনয়ে কারা থাকবেন—এ প্রশ্নে রোজিনা জানান, বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন। তবে আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘ভালো ভালো শিল্পীরা অভিনয় করবেন।’

সিনেমার সঙ্গে সম্পর্ক রোজিনা স্মৃতিচারণ করেন শৈশবের। তার বাড়ি রাজবাড়ীতে। সেখানে ‘চিত্রা’ নামে একটি সিনেমা হল ছিল, যেখানে ছোটবেলায় নিয়মিত সিনেমা দেখতেন। তিনি বলেন, ‘জীবনের প্রথম দেখা সিনেমার কথা এখনো মনে আছে, নাম ছিল সাত ভাই চম্পা। সেখানে কবরী ম্যাডাম ছিলেন।’

মায়ের কাছ থেকেও শিল্পের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন রোজিনা। তিনি জানান, তার মা হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান করতেন, বিশেষ করে রবীন্দ্রসংগীত। একই সঙ্গে ধর্মীয় চর্চাও করতেন।

‘তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি,’ বলেন তিনি।

গত ২০ এপ্রিল ছিল রোজিনার জন্মদিন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জন্মদিন কখনো বড় করে উদযাপন করি না। তবে সারা দিন অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা পাই—এটা ভালো লাগে।’

বয়স নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হেসে উড়িয়ে দেন তিনি। বলেন, ‘বয়স তো একটা সংখ্যা মাত্র। একটা জীবন সিনেমার মধ্যেই কাটিয়ে দিলাম। আমি সিনেমার মানুষ। এই শিল্পকে ভীষণ ভালোবাসি। জীবনে কিছু কাজ করতে পেরেছি, আরও করতে চাই।’

এআই প্রশিক্ষণের বাছাই পরীক্ষায় ঢাকায় প্রতি আসনে ১৫২ আবেদনকারী

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৮টি বিভাগের ৬৪টি জেলায় একযোগে প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) প্রতিটি জেলার নির্ধারিত পরীক্ষাকেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য দেশব্যাপী প্রায় ৮৩ হাজার আবেদন জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রায় ৫০ হাজার আবেদন বৈধ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এসব আবেদনকারী লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান।

প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে দেশের ৬৪টি জেলা থেকে প্রতি জেলায় ২৫ জন করে মোট ১ হাজার ৬০০ জন প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হবে। সে হিসাবে প্রতিটি আসনের বিপরীতে গড়ে ৩২ জনের বেশি বৈধ আবেদনকারী প্রতিযোগিতা করছেন। ঢাকা জেলায় ২৫টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৩ হাজার ৭৮০ জন। ফলে সেখানে প্রতিটি আসনের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রায় ১৫২ জন আবেদনকারী।

লিখিত পরীক্ষা চলাকালে ঢাকার কল্যাণপুরের একটি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক মো. আতিকুর রহমান এবং ঢাকা জেলার উপপরিচালক এ কে এম শাহরিয়ার। তারা পরীক্ষাকেন্দ্রের সার্বিক পরিবেশ, পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি, আসনব্যবস্থা, নিরাপত্তা, প্রশ্নপত্র ব্যবস্থাপনা এবং পরীক্ষা পরিচালনার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং প্রশিক্ষণ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প পরিচালক মো. আতিকুর রহমান বলেন, দেশের ৬৪টি জেলায় একই সময়ে সুষ্ঠুভাবে লিখিত পরীক্ষা আয়োজনের জন্য কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিটি ধাপ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার আলোকে প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হবে।

তিনি জানান, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা ২৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে ৩০ জুলাই। নির্বাচিত প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়ে আগামী ২ আগস্ট থেকে দেশের ৬৪টি জেলায় একযোগে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হবে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে পরিচালিত দুই বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে মোট ১১ হাজার ২০০ জন যুব ও যুব নারীকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ৯ হাজার ৬০০ জন বেসিক এবং ১ হাজার ৬০০ জন অ্যাডভান্সড এআই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন। প্রতি ব্যাচে ২৫ জন করে মোট ৪৪৮টি ব্যাচে প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। প্রতিটি কোর্সের মেয়াদ দুই মাস। এ সময়ে ৫০টি ক্লাসের মাধ্যমে মোট ৩০০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

বেসিক এআই প্রশিক্ষণে চ্যাটজিপিটি, মাইক্রোসফট কোপাইলট, ডিপসিক, জেমিনি, গ্রামারলি, কুইলবট, জ্যাসপার, ক্যানভা, পিক্সলার, ইনভিডিও এবং ইলেভেনল্যাবস ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। অ্যাডভান্সড এআই প্রশিক্ষণে রানওয়ে, সিন্থেশিয়া, মিডজার্নি, ট্যাবলো, জ্যাপিয়ার, ডিসক্রিপ্ট, ক্লিকআপ, নোশন এআই, ডরিক এআই, আহরেফস, সেলসফোর্স, হাবস্পট, কপি ডট এআই, অ্যাডোবি সেনসেই, ড্যাল-ই এবং ভিও প্ল্যাটফর্ম অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

প্রশিক্ষণে কেবল বিভিন্ন এআই টুল ব্যবহারের কৌশল নয়, এআইভিত্তিক কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও নির্মাণ, ডেটা বিশ্লেষণ, অটোমেশন, ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

ইরানি হামলায় ৪ মার্কিন সেনা নিহত: প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলে সম্মিলিত আক্রমণের পর ইরানের পাল্টা হামলায় এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ৪ সেনা নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।

আজ সোমবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় পেন্টাগনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

পিট হেগসেথ বলেন, ‘দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে ইরান সরকার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একতরফা ও নির্মম যুদ্ধ চালিয়ে আসছে। বৈরুতে গাড়ি বোমা হামলা, আমাদের জাহাজে রকেট হামলা, আমাদের দূতাবাসে হত্যাকাণ্ড, ইরাক ও আফগানিস্তানে সড়কপথে বোমা হামলার মাধ্যমে তারা এটি করে আসছে।’

‘আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অধীনে আমরা এটি শেষ করছি,’ বলেন তিনি।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘গত জুনে ১২ দিনের ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ইরানকে সতর্ক করেছিল। কিন্তু তারা ঔদ্ধত্যের সঙ্গে তা প্রত্যাখ্যান করেছে। ট্রাম্প, শীর্ষ কর্মকর্তারা এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার কূটনৈতিক সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শান্তিপূর্ণ ও যুক্তিসঙ্গত চুক্তি করার প্রতিটি সুযোগ থাকলেও তেহরান আলোচনায় আগ্রহী ছিল না।’

অপরেশন এপিক ফিউরির লক্ষ্য সম্পর্কে হেগসেথ বলেন, ‘শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ঢাল তৈরির হুমকি দিয়ে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে চেয়েছিল ইরান। আমাদের লক্ষ্য তাদের আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র ও উৎপাদন সক্ষমতা, তাদের নৌবাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা অবকাঠামো ধ্বংস করা। যেন ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে তা নিশ্চিত করা।’

‘আমরা তাদের ওপর নিখুঁতভাবে, ব্যাপক মাত্রায় ও বিন্দুমাত্র ক্ষমা না দেখিয়ে আঘাত হানছি,’ বলেন হেগসেথ।

সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন বিমান বাহিনীর প্রধান ও জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ অভিযান এক রাতের কোনো একক মিশন নয়।’

‘আমরা আরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছি, তবে সবসময়ই আমরা মার্কিন ক্ষতি কমিয়ে আনার চেষ্টা করব,’ বলেন কেইন।