28.2 C
Dhaka
Home Blog

এখনো কোনো ভালোবাসার মানুষ নেই: জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু

ঈদুল ফিতরে ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক হয়েছে কলকাতার নায়িকা জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডুর। ‘প্রিন্স’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী।

২০২৪ সালে ‘বঁধুয়া’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে টেলিভিশনে প্রথম অভিনয় করেন জ্যোতির্ময়ী। তারপর ২০২৫ সালে দেবের বিপরীতে ‘প্রজাপতি ২’ সিনেমায় বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার।

আবু হায়াত মাহমুদ পরিচালিত ‘প্রিন্স’ সিনেমা ঈদে মুক্তির পর বাংলাদেশে এসেছেন জ্যোতির্ময়ী। দ্য ডেইলি স্টারে ফটোশুট ও সাক্ষাতকারে মাত্র তিন বছরের অভিনয় জীবন ও প্রেমসহ অনেক কিছু ভাগাভাগি করেছেন পাঠকের জন্য।

‘প্রিন্স’ মুক্তির পর বাংলাদেশে হলগুলোতে ঘুরলেন। কোন বিষয়গুলো বেশি শুনলেন দর্শকদের কাছ থেকে?

প্রিন্স সিনেমার ‘পরী’ গানটি আলোচিত হওয়ায় যেখানেই যাচ্ছি দর্শক ‘পরী’ বলে ডাকছে। এই ডাকটিই সবচেয়ে বেশি শোনা হলো।

আগে থেকেই গানটি নিয়ে আমাদের প্রত্যাশা ছিল। দর্শকের ভালোবাসায় সেটা ছাড়িয়ে গেছে। সেই ভালোবাসার টানে বাংলাদেশে এসেছি। দর্শকের এই ভালোবাসা থাকলে বাংলাদেশে আরও সিনেমায় অভিনয় করতে চাই।

শাকিব খানের জন্য দুই বাংলার দর্শকের মধ্যে উন্মাদনা দেখেছি। এটা সত্যি আমার জন্য বড় প্রাপ্তি হয়ে থাকবে।

আপনার পরিবারের মানুষ কী বললো?

আমার মাও ‘পরী’ গানটি খুব পছন্দ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও গানটি নিয়ে অনেক ভালো কমেন্ট পেয়েছি।

গানে শাকিব খানের সঙ্গে রসায়ন দর্শকদের কাছে নতুনত্বের স্বাদ দিয়েছে। সিনেমাটি মুক্তির পর দুই বাংলায় যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে, তাতে আমি উচ্ছ্বসিত।

শাকিব খানের বিপরীতে কাজ করা কতোটা চ্যালেঞ্জ ছিল? ঢাকাই সিনেমার অন্যতম বড় তারকা তিনি। কী কী শিখলেন এই সিনেমায় অভিনয় করে?  

শাকিব খানের মতো নায়কের বিপরীতে কাজ করাটা একজন নবাগত অভিনেত্রী হিসেবে বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক কিছু শেখার সুযোগ হয়েছে তার কাছ থেকে।

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তার সহযোগিতা পেয়েছি। প্রতিটা ক্ষেত্রে তার সহযোগিতার কারণে কাজটা সহজ হয়েছে। এতো বড় তারকা, কিন্তু সেটা বুঝতেও দেননি।

শুধু শাকিব খান না, সিনেমার নির্মাতাও দারুণ সহযোগিতা করেছেন। এমন একটা টিমের কারণে খুব বেশি সহজ হয়ে গেছে আমার কাজ।

দুই বাংলার কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে আপনার অভিমত কী?

অভিনয় কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের নয়। তবে, শাকিব খানের পেশাদারিত্ব আমাকে মুগ্ধ করেছে। তিনি কেবল বড় তারকা নন, দারুণ একজন সহশিল্পীও।

এখনকার মানুষ অতিথি ভালোবাসেন, খাওয়াতে পছন্দ করেন। ২০২৫ সালে আমি ‘প্রজাপতি ২’ সিনেমার মাধ্যমে সেখানকার সুপারস্টার  দেবের বিপরীতে বড় পর্দায় প্রথম অভিনয় করেছি। তার কাছ থেকেও অনেক কিছু শিখেছি। দুই বাংলাতেই আমার কাজের অভিজ্ঞতা দারুণ আনন্দময়।

‘প্রিন্স’ সিনেমায় আপনার ঢাকাইয়া ভাষা বলা নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করছেন।

নির্মাতা যেভাবে বলেছেন, সেভাবে সংলাপ বলেছি। এখন যদি  সমালোচনা হয়, কী বলবো বলেন। আমি আমার অভিনীত চরিত্র হয়ে ওঠার চেষ্টা করেছি।

ভালোবাসার মানুষ নিয়ে কী বলবেন?

আমার আসলে এখনো কোনো ভালোবাসার মানুষ নেই। বর্তমানে কাজের সঙ্গে শুধু ভালোবাসাবাসি চলছে। আগামীতে হয়তো কাউকে  ভালোবাসবো। তবে এখন কেউ নেই।

আমার কাছে ভালোবাসা কোনো সাধারণ শব্দ নয়। এর গভীরতা ও দায়বদ্ধতা অনেক বড়। ভালোবাসার মূল ভিত্তি যত্ন নেওয়ার মানসিকতা। কেউ আমার জীবনে আসলে অবশ্যই জানাবো।

অভিনয়ে আগামীর প্রত্যাশা কী?

প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে চাই। দুই বাংলার ভালো ভালো চরিত্রে অভিনয় করতে চাই। সময়ের স্রোতে নিজেকে ভাসিয়ে না দিয়ে ধাপে ধাপে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে এগিয়ে যেতে চাই।
সমালোচকদের আমি সম্মান করি, কারণ তারা আমাদের ভুল ধরিয়ে দেন। আগামীতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

নতুন কয়েকটি বড় প্রজেক্টে অভিনয়ের বিষয়ে কথা হচ্ছে। আশা করি ভালো কিছু হবে।

স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে ক্লিনটনের রেকর্ড ভাঙলেন ট্রাম্প

আধুনিক যুগে দীর্ঘতম স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণ দেওয়ার রেকর্ড এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দখলে। তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের রেকর্ড ভাঙলেন। 

ফক্স নিউজের খবরে এমনটি বলা হয়েছে।

স্টেট অব দ্য ইউনিয়নে ভাষণ হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বার্ষিক ভাষণ। এতে তিনি কংগ্রেস ও জনগণকে জানান—দেশের অবস্থা কী, গত বছরে কী কাজ হয়েছে এবং সামনে কী পরিকল্পনা আছে।

২০০০ সালের ২৭ জানুয়ারি বিল ক্লিনটনের দেওয়া ভাষণটি ছিল ১ ঘণ্টা ২৮ মিনিট ৪৯ সেকেন্ড দীর্ঘ। কিন্তু গতকাল স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে ট্রাম্প এই রেকর্ড ভাঙেন। তিনি প্রায় ১ ঘণ্টা ৫০ মিনিট ধরে ভাষণ দেন।

আগেই ট্রাম্প আভাস দিয়ে বলেছিলেন, এটি একটি দীর্ঘ ভাষণ হতে যাচ্ছে, কারণ আমাদের অনেক কিছু বলার আছে।

মঙ্গলবার রাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল ভবনের হাউস চেম্বার থেকে তার এই ভাষণ দেন। এতে তিনি নিজের অর্থনৈতিক সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন। নিজের মেয়াদের এক উত্তাল সময়ে সাফল্যের ভাবমূর্তি বজায় রাখার চেষ্টায় দাবি করেন, তিনি এক ‘সুবর্ণ যুগের’ সূচনা করেছেন।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা ক্রমশ ঘনীভূত হলেও ট্রাম্প তেহরান নিয়ে তার পরিকল্পনা সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট ধারণা দেননি। তিনি শুধু বলেন, ‘আমার পছন্দ হলো কূটনীতির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা।’

ভাষণের এক পর্যায়ে ট্রাম্প মিনেসোটার সোমালি আমেরিকানদের ‘জলদস্যু’ বলে আখ্যায়িত করেন। এ ছাড়া তিনি অপরাধ বৃদ্ধি এবং আমেরিকানদের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ব্যয়ের জন্য অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসনকে দায়ী করেন।
 

তারেক রহমানকে অভিনন্দন স্টারমারের, একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব রোধ এবং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্টভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এক চিঠিতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী এ অভিনন্দন জানান।

চিঠিতে কিয়ার স্টারমার লিখেছেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ এবং দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, আপনার নেতৃত্বে আমাদের সহযোগিতা আরও বাড়বে, যা আমাদের অভিন্ন মূল্যবোধ ও সমৃদ্ধ ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে।

তিনি আরও লেখেন, আমি আমাদের অংশীদারত্ব শক্তিশালী করতে এবং অভিন্ন অগ্রাধিকারগুলো এগিয়ে নিতে আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছি। বাংলাদেশে অন্যতম বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে আমরা আমাদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের আশা করছি।

প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করে স্টারমার বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যও আপনার পাশে থেকে সমর্থন জারি রাখবে।

এদিকে, সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিনও তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।  

এক চিঠিতে গাই পারমেলিন বলেন, আপনার এই নিয়োগ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সূচনা করেছে। আমি বিশ্বাস করি, আপনার নেতৃত্ব দেশের অব্যাহত অগ্রগতি ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

তিনি সুইজারল্যান্ড ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোরও আশাপ্রকাশ করেছেন।

 

 

সাগরে স্টেডিয়াম-উদ্যান-জাদুঘর নিয়ে ভাসবে ‘অভিনব শহর’

দৈর্ঘ্যে প্রায় এক মাইল; প্রস্থে ৮০০ ফুট। উচ্চতায় ৩০ তলা। থাকবে স্টেডিয়াম, উদ্যান, জাদুঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গবেষণাকেন্দ্র, হাসপাতাল, বাজার, রেস্তোরাঁ, আবাসন—আরও কত কী!

এসব নিয়ে সাগরে ভাসবে এক ‘অভিনব শহর’। এর বাসিন্দার সংখ্যা হবে প্রায় ৮০ হাজার।

গত ১ জুন ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদন থেকে এমন তথ্য জানা গেল।

বিশ্বের প্রথম ‘ভাসমান শহর’ হিসেবে পরিচিতি পেতে যাওয়া ‘ফ্রিডম শিপ’-এর ওপর সেই প্রতিবেদনে জানানো হয়—এই ‘শহরের বাসিন্দা’ বিশ্বের যেকোনো দেশের মানুষ হতে পারবে।

প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে এই মহাযজ্ঞ সম্পাদনে। জাহাজটির ওজন হবে ২৩ লাখ টন।

পরমাণু-জ্বালানি ব্যবহার করে জাহাজটি চালানোর চিন্তাভাবনা চলছে।

এই মহাতরীর ৮০ হাজার অধিবাসীর মধ্যে ৫০ হাজার হবে স্থায়ী। প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানোর ব্যবস্থা থাকবে।

এই ৬০ হাজার মানুষের পরিসেবা নিশ্চিত করতে থাকবে প্রায় ২০ হাজার কর্মী।

এমন বিলাসবহুল জাহাজে থাকবে বহুতল হোটেল, ১৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়াম, কনভেনশন সেন্টার, ওয়াটার পার্ক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য সিম্ফনি হল।

সংবাদ প্রতিবেদনটিতে আরও জানানো হয়—সাগরে ভাসমান জাহাজটির ভেতরে বিশাল জলাধারে সাঁতার কাটার সুযোগ থাকবে। বিনোদন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে থাকবে ক্লাব। জাহাজবাসীদের যারা নিয়মিত পরিবেশন করা খাবারের পাশাপাশি স্বাদে ভিন্নতা আনতে চান তাদের জন্য থাকবে দুই-তলা ফুড হল।

শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার কথাও ভেবে রাখা হয়েছে। তাই ভাসমান শহরটির বাসিন্দাদের সন্তানদের জন্য থাকবে স্কুল-কলেজ। জাহাজের চারটি তলা রাখা হচ্ছে বাণিজ্যিক কাজ পরিচালনার জন্য। সেখানে থাকবে ব্যাংক-বাজার।

জাহাজটির ছাদে আটটি হেলিপ্যাড থাকবে বলেও প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

‘ফ্রিডম শিপ’ নামের এই মহাতরীর আয়তনে এত বড় হবে যে তা কোনো দেশের বন্দরে ভেড়ানো সম্ভব হবে না।

আর তাই জাহাজটিকে চলাচল করতে হবে আন্তর্জাতিক জলসীমায়। ছোট ছোট ফেরি বা প্রমোদতরী দিয়ে যাত্রীদের আনা-নেওয়া করা হবে।

প্রতি দুই বছরে একবার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করবে জাহাজটি।

জাহাজটির ভেতরে থাকবে তিন একরের উদ্যান। হাঁটতে পছন্দ করা ব্যক্তিদের জন্য থাকবে ১৫ মাইল দীর্ঘ হাঁটাপথ।

যে বিস্ময়কর জাহাজ ‘ফ্রিডম শিপের’ গল্প বলা হচ্ছে তা এখনো সাগরে ভাসেনি। এমনকি, তা বানানোর কাজও শুরু হয়নি। এমন একটি মহাতরী বানানোর মহাপরিকল্পনা চলছে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে।

দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন অনুসারে, ১৯৯০ এর দশকে মার্কিন প্রকৌশলী নরম্যান নিক্সন প্রথম এমন মহাতরী বানানোর প্রস্তাব দেন। তিনি মারা গেছেন ২০১২ সালে। তবে তার স্বপ্ন এখনো মরেনি।

নিক্সনের মৃত্যুর পরের বছর সেই জাহাজের নকশা নিয়ে প্রকাশ্য আলোচনা শুরু হয়। আবারও এ নিয়ে শুরু হয়েছে নানান মুখরোচক গল্প।

তবে দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় পর কেন আবার আলোচনায় ‘ফ্রিডম শিপ’? কারণ—ফ্রিডম ক্রুজ লাইন ইন্টারন্যাশনাল এর প্রধান নির্বাহী রজার গুচ জাহাজটির জন্য প্রকল্প ব্যবস্থাপক, নকশাকার ও একজন নৌপ্রকৌশলীসহ ১২ জনের দল ঘোষণা করেছেন।

‘বাজারে ব্যাপক চাহিদা আছে’—এমনটিই জানানো হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে। রজার গুচের দাবি, ‘এমন তিনটি জাহাজ তৈরির যৌক্তিকতা আছে।’

ফ্লোরিডা কার্যালয় থেকে তিনি জুম কলে দ্য টেলিগ্রাফকে বলেন, ‘আমরা খুবই আত্মবিশ্বাসী।’

‘তবে টাকা জোগাড় করাটাই মূল কাজ’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গতকাল ২ জুন একে ‘পুরোপুরি স্বনিয়ন্ত্রিত শহর’ আখ্যা দিয়ে অপর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস জানায়, বর্তমানে সাগরে যেসব জাহাজ ভাসছে ‘ফ্রিডম শিপ’-এর কাছে সেগুলো শিশুতুল্য হয়ে যাবে। গভীর সাগরে এই জাহাজ একটি চলমান শহর হিসেবে বিবেচিত হবে।

দ্য টেলিগ্রাফ জানায়, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজ  ‘স্টার অব দ্য সিজ’-এর তুলনায় আট গুণ বেশি মানুষ ‘ফ্রিডম শিপে’ ভাসতে পারবে। 

উল্লেখ্য, এই জাহাজটি পরিচালনা করে রয়েল ক্যারিবিয়ানস নামের একটি  প্রতিষ্ঠান। 

সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদন অনুসারে—মহাতরীটি বানানোর টাকা নিশ্চিত হলে ইন্দোনেশিয়ায় এর কাজ শুরু হবে। প্রথমে একটি খোলস তৈরি করা হবে।

জাহাজটির অবকাঠামো ভাগে ভাগে তৈরির পর সেগুলো জোড়া দেওয়া হবে।

মহাতরীটি তৈরি করতে তিন থেকে চার বছর সময় লাগবে বলেও প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পুরো কাজ শেষ হওয়ার আগেই বাসিন্দাদের অনেকে জাহাজে থাকতে শুরু করতে পারবেন।

কোনো দেশের কোনো নির্দিষ্ট বন্দরে নয়, বরং সাগরে ভাসমান অবস্থায় জাহাজের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা যাবে।

গত ২৮ এপ্রিল ইউএস টুডে একে ‘উচ্চাভিলাষী ও ঐতিহাসিক প্রকল্প’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে এক প্রতিবেদনে বলে—‘ফ্রিডম শিপ’ সাগরে উদ্ভাবন, টেকসই ও অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতার বলিষ্ঠ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এতে আরও বলা হয়, এটি অন্যসব সাধারণ প্রমোদতরীর মতো নয়। এটি প্রকৌশল বিজ্ঞানে এক অত্যাধুনিক কাজ হিসেবে গৃহীত হবে। বৈশ্বিক বিনোদন জগতে এটি একটি মানদণ্ড নির্ধারণ করে দেবে।

এ ছাড়াও, পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি নজির হয়ে থাকবে এটি।

সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস আরও জানায়—জমিতে যেভাবে একটি আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলা হয়, তেমনি সাগরে এই ভাসমান আবাসন প্রকল্পটি গড়ে তোলা হবে। বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের জন্য জায়গা ভাড়া দেওয়া হবে।

বাজার, রেস্তোরাঁ ও নানান পরিসেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও জায়গা ভাড়া দেওয়া হবে। সেখানে একটি বড় হাসপাতাল ও চিকিৎসা বিষয়ে গবেষণাকেন্দ্র থাকবে।

জাহাজটি চালনায় পরমাণুশক্তি ব্যবহারের ফলে দূষণ কমানো যাবে।

ফ্রিডম ক্রুজ লাইন ইন্টারন্যাশনাল-এর দাবি, মহাতরীটি যখন চলাচল করবে তখন এটি মহাসাগর পরিষ্কারের কাজেও সহায়তা করবে।

প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ কেভিন শুপফার এই জাহাজটি তৈরিতে স্থাপত্যবিদ্যা ও পরিবেশবান্ধব নকশার ওপর জোর দিচ্ছেন, বলেও এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে সাগরের উচ্চতা ক্রমশই বেড়ে যাচ্ছে। তাই পরিবেশবান্ধব জাহাজটিতে সবুজের সমারোহ থাকবে।

জাহাজটিতে বিনোদনের এমন ব্যবস্থা থাকবে যাতে জগৎ-খ্যাত শিল্পীরাও সেখানে পারফরম্যান্স করতে পারেন।

১৯৯৭ সালে বিশ্ববাসীকে ঐতিহাসিক ব্রিটিশ জাহাজ টাইটানিকের কথা নতুন করে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন কানাডার পরিচালক জেমস ক্যামেরন।

তেমনি এই মহাতরী ‘ফ্রিডম শিপ’ নিয়েও হয়ত একদিন তৈরি হবে কোনো মহাকাব্য।

আশা থাকুক, নতুন কাহিনিতে কোনো বিপর্যয় নয়, থাকবে সাগরবিজ্ঞান ও জাহাজ প্রকৌশলের জয়যাত্রার গৌরবের কথা।

অভিষেকের সামনে তানজিদ, কার জায়গায় শরিফুল?

তানজিদ হাসান তামিমকে টেস্ট স্কোয়াডে নিয়ে পরিষ্কার এক ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। তানজিদের আগ্রাসী খেলার ধরন টেস্টে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন তিনি। সাদমান ইসলামের চোট টিম ম্যানেজমেন্টকে সেই সুযোগ করে দিচ্ছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে শনিবার সিলেটে টেস্ট ক্যাপ মাথায় উঠছে তানজিদের। চোট শেষ পর্যন্ত বাগড়া না দিলে তার সঙ্গী হবেন মাহমুদুল হাসান জয়। মিরপুর টেস্টে জয়-সাদমান দুজনেই ফিল্ডিং করতে গিয়ে চোট পান। সাদমান ছিটকে গেলেও জয় টিকে গেছেন। শুক্রবার ম্যাচের আগের দিন ব্যাট না করলেও ফিল্ডিংয়ে ছিলেন সক্রিয়। আগের দিন অবশ্য ব্যাটিং অনুশীলন সেরে রেখেছিলেন তিনি।

জয় চোট ম্যানেজ করেও খেলতে মরিয়া। আগের টেস্টে রান না পাওয়ায় জায়গা ধরে রাখার তীব্রতা আছে তার। টিম ম্যানেজমেন্টেরও সেই আস্থা আছে তার ওপর। সাদমানের চোটে স্কোয়াডে আসা জাকির হাসান মূলত ব্যাকআপ হিসেবেই আছেন। ছন্দহীনতায় টেস্ট থেকে বাদ পড়া সিলেটের লোকাল বয় ব্যস্ত ছিলেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে। সাদা বল থেকে এসেই লাল বলে নামা সহজ নয়।

বাংলাদেশ একাদশে আরেকটি বদল অনেকটা নিশ্চিত। মিরপুরে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে না খেলা বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামের ফেরা এক রকম নিশ্চিত। তবে কার জায়গায় ফিরবেন, সেটা এক প্রশ্ন।

মিরপুর টেস্টে নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদ ছিলেন দলের মূল ভরসা। দুরন্ত বল করেছেন দুজনেই। তবে ইবাদত হোসেন ছিলেন বিবর্ণ। চোট কাটিয়ে ফেরা এই ডানহাতি পেসারের গতি বাড়লেও ছন্দ এখনো ফেরেনি। ক্রিকেটীয় দিক বিচার করলে তারই ছিটকে যাওয়ার কথা। ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের হিসেবে করলে তাসকিনকে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। তবে মিরপুরে তাকে খুব লম্বা স্পেলে বল করতে হয়নি। নাহিদ ও তাসকিনকে রেখে ইবাদতের বদলে শরিফুলকে খেলানোর সম্ভাবনা প্রবল।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ:

তানজিদ হাসান তামিম, মাহমুদুল হাসান জয়, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা।

 

১২ মে থেকে ঈদ পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাত ১০টা পর্যন্ত: দোকান মালিক সমিতি

আগামী ১২ মে থেকে ঈদুল আজহা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন।

এক ভিডিও বার্তায় হেলাল উদ্দিন বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আমরা সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১১টা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখতে সরকারের কাছে আবেদন করেছিলাম। সরকার রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে। পাশাপাশি আমরা যেন অতিরিক্ত আলোকসজ্জ্বা বা বিদ্যুৎ ব্যবহার না করি, সেই নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি সংকটের কারণে গত ৩ এপ্রিল থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা দেয় সরকার। এরপর ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে ৫ এপ্রিল থেকে একঘণ্টা বাড়িয়ে দোকান বন্ধের সময় সন্ধ্যা ৭টা করা হয়।

সংস্কার পরিষদ না করে সৃষ্ট সংকটের পরিণতি সরকারকে ভোগ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

সংস্কার পরিষদ না করে যে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে তার পরিণতি বিএনপি সরকারকে ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশে দুটি প্রশ্ন দেখা দেয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবি ছিল ফ্যাসিবাদের বিলোপ। বিএনপি চেয়েছিল নির্বাচন। আমরা সংস্কারের জন্য গণপরিষদের দাবি জানিয়েছিলাম। পরে বিএনপি সংস্কারের আলোচনা অংশ নেয়। এজন্য আমরা গণপরিষদের পরিবর্তে সংস্কার পরিষদের দাবি মেনে নিই।

আজ সোমবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি একটি কৃত্রিম বিরোধ তৈরি করছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি জুলাই সনদ ও জুলাই আদেশকে আলাদা করার চেষ্টা করছে। কারণ জুলাই সনদকে তারা নিজেদের দলীয় ইশতেহারে পরিণত করেছে। এজন্য গণভোটের প্রশ্ন দেখা দেয়। কারণ সংবিধানের ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন সম্ভব নয়। এজন্য গাঠনিক ক্ষমতা সংস্কার পরিষদের কথা এসেছে।’

‘ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় বিএনপি এসব মেনে নিয়েছে। এখন বিএনপি কথার বরখেলাপ করেছে। গণভোটের গণরায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে,’ বলেন তিনি।

গণভোটের গণরায়কে প্রত্যাখ্যান করার পরিণতি সরকারকে ভোগ করতে হবে জানিয়ে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘আমাদের এখন যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার কথা। জাতীয় স্বার্থ কীভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে সুরক্ষিত করব। হামের মতো দুর্যোগ কীভাবে মোকাবিলা করব। জ্বালানি সংকট সমাধান নিয়ে সেমিনার করার কথা। আমাদের দুর্ভাগ্য গত ষোলো বছর যে সংস্কারের কথা বলতে হয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে সংস্কারের আলোচনা করেছে, এখনো আমাদের সেসব নিয়ে পড়ে থাকতে হচ্ছে।’

‘জাতিকে এই দুর্যোগে টেনে এনেছে বিএনপি। ফলে বিএনপিকে এর দায়ভার এবং পরিণতি ভোগ করতে হবে। এর পরিণতি খুব সহজ হবে না,’ বলেন তিনি।

সংকট সমাধানে দ্রুত সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, ‘সরকারকে বলব দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদ করে এই সংকটের সুরাহা করেন। জাতীয় ঐক্যকে টিকিয়ে রাখুন। না হলে এর পরিণতি আপনাদের ভোগ করতে হবে।’

সেমিনারের প্রধান অতিথি ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।‌ বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদ।

স্বামী বলেছেন আমি ভালো কাঁদতে পারি: তানজিকা আমিন

এবারের ঈদে অসংখ্য নাটক প্রচারিত হয়েছে। কোনো কোনো নাটক দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে এবং প্রশংসা কুড়িয়েছে। তেমনই একটি নাটকের নাম লিলিথ।

 পরিচালনা করেছেন আশিকুর রহমান। 

‘লিলিথ’ নাটকে তানজিকা আমিন অন্যতম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তার বিপরীতে ছিলেন তৌসিফ মাহবুব। ওই নাটকে অভিনয় করে প্রশংসায় ভাসছেন তানজিকা।

 

লিলিথ নাটকে তানজিকা একজন ডিভোর্সি মেয়ে। নিজের ছোট মেয়েকে ঘিরেই তার সংসার। পেশায় তিনি চাকুরীজীবী। কিন্তু নানান সমস্যার মধ্য দিয়ে তাকে যেতে হয়। একসময় তার সঙ্গে পরিচয় হয় তৌসিফ মাহবুবের। গল্প অন্যদিকে মোড় নেয়।

দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি।
এই নাটকে তানজিকার মেয়ের চরিত্রটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘পিচ্চিটা দারুণ অভিনয় করেছে। ওর অভিনয়ের প্রশংসাও শুনেছি অনেকের কাছে।’

নিজের নাটক দেখার অনুভূতি জানাতে গিয়ে তানজিকা বলেন, ‘স্বামীকে নিয়ে নাটকটি দেখেছি। একটি দৃশ্যে মেয়েকে চড় মারি। চড় মারার দৃশ্য দেখে আমার স্বামী উঠে গেছেন। এটা মেনে নিতে পারেননি। দর্শকরাও এটা মানতে পারেননি।’

 

তিনি বলেন, ‘নাটকের দৃশ্যে আমাকে কাঁদতে হয়েছে। আমার কান্নার অভিনয় দেখে বলেছেন, “তুমি তো ভালো কাঁদতে পারো।“ তাছাড়া, আমার অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন।’

তানজিকা বলেন, ‘আমার স্বামী আমার অভিনীত মহানগর ও লিলিথ দেখেছেন।’

নাটকের গল্প নিয়ে তিনি মত দেন, ‘যেকোনো নাটকের গল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। লিলিথ নাটকের গল্প চমৎকার। গল্পের জন্যই দর্শকরা পছন্দ করেছেন। তবে দর্শকরা এতটা প্রশংসা করবেন তা ভাবিনি। দর্শকরা এতটা ভালোবাসবেন তা ভাবিনি।’

‘অনেক মানুষের কাছ থেকে লিলিথ নাটকের জন্য প্রশংসা পেয়েছি। এখনো পাচ্ছি। সহশিল্পীরাও অনেক প্রশংসা করছেন। কেউ কেউ তো নাটকটি দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন। আসলে গল্পটাই অন্যরকম’, যোগ করেন তিনি। 

 

তানজিকা বলেন, ‘দর্শকরা নানারকম নাটক দেখেন। হাসির, প্রেমের, সিরিয়াস সহ অনেক রকম গল্পের নাটক হচ্ছে। কিন্তু এই নাটকের গল্পটা অন্যরকম।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এই নাটকটি সমালোচকরা বেশি পছন্দ করেছেন। পরিচালককে অবশ্যই ধন্যবাদ দেব। কাজটি নিখুঁতভাবে করেছেন। পরিচালকের দেওয়া স্ক্রিপ্ট পড়েই আমার নাটকের গল্প ভালো লেগে যায়।’

 

তৌসিফের বিপরীতে অভিনয় করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তৌসিফ ভীষণ ভদ্র একজন মানুষ। অভিনয়ের জন্য নিবেদিত। তার সঙ্গে কাজ করে খুব ভালো লেগেছে। সিনিয়রদের সম্মান করেন।”

এবারের ঈদে জোভানের সঙ্গেও একটি নাটকে অভিনয় করেছেন তানজিকা। নাটকটির নাম ‘আমি একজন খুনী বলছি’। 

এই নাটকের জন্যও অনেক প্রশংসা পেয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে, সাগর জাহান পরিচালিত ‘ছিটকিনি’ নামের একটি নাটক খুব শিগগিরই প্রচার হবে।

ইসরায়েল যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি, ভাষণ দেবেন পার্লামেন্টে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার দুই দিনের ইসরায়েল সফর শুরু করছেন আজ বুধবার। এরইমধ্যে তিনি ইসরায়েলের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন। ২০১৭ সালে তিনি প্রথমবার ইসরায়েল সফর করেছিলেন। তিনিই প্রথম কোনো ভারতীয় সরকারপ্রধান যিনি দেশটি সফর করেন।

১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠনের বিরোধিতা করা দেশগুলোর মধ্যে ভারত ছিল অন্যতম। এমনকি ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরায়েলের নীতির কঠোরতম সমালোচকদের একটি ছিল এই দেশ। ১৯৯২ সালে ভারতের সঙ্গে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। তবে ২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক নাটকীয়ভাবে বিকশিত হয়েছে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মোদি আজ স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে তেল আবিবের উপকণ্ঠে অবস্থিত বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বিমানবন্দরে মোদিকে অভ্যর্থনা জানাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর কিছুক্ষণ পরেই দুই নেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

এরপর বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে মোদি জেরুজালেমে ইসরায়েলি পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ ভাষণ দেবেন। ভাষণ শেষে তিনি রাত্রিযাপনের জন্য তেল আবিবে ফিরে যাবেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে মোদি ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সাথে সাক্ষাতের আগে ‘ইয়াদ ভাশেম’ মিউজিয়াম পরিদর্শন করবেন।

এরপর মোদি ও নেতানিয়াহু পুনরায় বৈঠকে বসবেন এবং দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু চুক্তি সই পর্যবেক্ষণ করবেন। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেলে মোদি ইসরায়েল ছাড়বেন। উভয়পক্ষের কর্মকর্তাদের মতে, মোদি ও নেতানিয়াহু এই সফরের মাধ্যমে ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে কৌশলগত অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে আগ্রহী।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ইসরায়েল ছিল বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশ। বিশ্বব্যাপী মোট অস্ত্র রপ্তানির ৩ দশমিক ১ শতাংশ ছিল তাদের দখলে।

সংস্থাটির দেওয়া তথ্য মতে, এই সময়ে ইসরায়েলি অস্ত্রের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক ছিল ভারত (৩৪ শতাংশ)। এরপর যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র (১৩ শতাংশ) ও ফিলিপাইনের (৮ দশমিক ১ শতাংশ) অবস্থান।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ইসরায়েল ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সুরক্ষার লক্ষ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা দেয়। ইসরায়েলের অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, তারা হলো প্রথম ‘অরগানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’-ভুক্ত দেশ যারা ভারতের সঙ্গে এই ধরনের চুক্তি সই করেছে।

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন প্রধানমন্ত্রী।