32.1 C
Dhaka
Home Blog

ধনিয়া পাতা অপছন্দ করেন, আজ তাহলে আপনার দিন

আমাদের খুব পরিচিত একটি পাতাজাতীয় সবজি ধনিয়া পাতা। যেকোনো খাবারের স্বাদ বাড়াতে ধনিয়া পাতার জুড়ি নেই। তবুও কিছু মানুষ ধনিয়া পাতা পছন্দ করেন না। আর আজ একটি অদ্ভুত দিবস আছে। সেই দিবসটি তাদের জন্য, যারা ধনিয়া পাতা একেবারেই পছন্দ করেন না।

আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি ‘ইন্টারন্যাশনাল আই হেট কোরিয়েন্ডার ডে’, যার সহজ বাংলা ‘আমি ধনিয়া পাতা অপছন্দ করি’ দিবস। ব্যাপারটা শুনতে বিচিত্র লাগলেও মজার ব্যাপার হলো ২০১৩ সাল থেকে এমন একটি দিবস পালিত হয়ে আসছে।

ন্যাশনাল টুডের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে ফেসবুকে ‘আই হেট কোরিয়েন্ডার’ নামে একটি গ্রুপ তৈরি করা হয়। সেখানে সমমনা মানুষ যোগ দেন এবং ধনিয়া পাতার বিরুদ্ধে নানান পোস্ট করেন। মুহূর্তেই ওই গ্রুপে দুই লাখের বেশি সদস্য যোগ হয়। গ্রুপটি এত জনপ্রিয় যে, তারা নিজেদের পণ্যও বিক্রি করে। ওই গ্রুপের সদস্যদের মতে, বিশ্বের প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ ধনিয়া পাতা পছন্দ করে না। তাদের দাবি হলো, রেস্টুরেন্টগুলোর মেনুতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে, কোন খাবারে ধনিয়া পাতা আছে।

মজার বিষয় হলো, ধনিয়া পাতা অপছন্দ করার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ইউরোপীয়দের মধ্যে। আরও মজার তথ্য হলো, ধনিয়া পাতার নাম এসেছে গ্রিক শব্দ ‘করিস’ থেকে, যার অর্থ ‘দুর্গন্ধযুক্ত পোকা’।

গবেষণায় দেখা গেছে, ধনিয়া পাতা অপছন্দের পেছনে জিনগত কারণ থাকতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার ডায়কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালিত এক গবেষণা অনুযায়ী, কিছু মানুষের জিন এমনভাবে গঠিত যে, তারা ধনিয়া পাতায় থাকা নির্দিষ্ট অ্যালডিহাইড যৌগের প্রতি বেশি সংবেদনশীল। (অ্যালডিহাইড হলো একটি জৈব যৌগ। এগুলো অত্যন্ত বিক্রিয়াশীল, তীব্র গন্ধযুক্ত এবং সুগন্ধি, প্লাস্টিক ও ওষুধ শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।)

এই একই যৌগ সাবান ও কিছু পরিষ্কারক দ্রব্যেও পাওয়া যায়। তাই তাদের কাছে ধনেপাতার স্বাদ ‘সাবানের মতো’ লাগে।
কিছু মানুষ ধনিয়া পাতা অপছন্দ করলেও ধনে পাতায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি ও কে আছে। ধনিয়া পাতায় থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

এছাড়া ধনে পাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন ক্যারোটিন, কোরিয়ান্ড্রল, এবং কুইরসেটিন ফ্রি র‍্যাডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এটি ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় এবং ত্বকের বার্ধক্য প্রতিরোধে সহায়ক।

ব্রাজিল কি পারবে নরওয়ে-জুজু কাটাতে?

১৯৯৮ সালের সেই রাতটি নিশ্চয়ই ব্রাজিল সমর্থকেরা সহজে ভুলবেন না। সেবার ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তৎকালীন পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ২-১ ব্যবধানে স্তব্ধ করে দিয়েছিল নরওয়ে। মাঠের সেই অবিশ্বাস্য জয়ের রূপকারদের একজন ছিলেন দলটির বর্তমান কোচ স্টেল সলবাকেন। বিশ্বকাপে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটির বিরুদ্ধে সেলেসাওদের একমাত্র হারের ক্ষত হয়ে আজও টিকে আছে সেই ম্যাচ।

সোমবার নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে সেই সলবাকেন আবারও ব্রাজিলের সামনে। তবে এবার খেলোয়াড় হিসেবে নয়, ডাগআউটে দাঁড়িয়ে কৌশল খাটিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে নিজেদের অবিশ্বাস্য আধিপত্য ধরে রাখার লক্ষ্যে মাঠে নামবেন তিনি।

ইতিহাস বলছে, নরওয়ের বিরুদ্ধে চারবার মাঠে নেমে একবারও জয়ের মুখ দেখেনি ব্রাজিল; দুটি ম্যাচ ড্র হলেও বাকি দুটিতে মাঠ ছাড়তে হয়েছে হার নিয়ে। ফুটবল বিশ্বের একমাত্র দল হিসেবে নরওয়ের সঙ্গেই এমন অম্লমধুর রেকর্ড সেলেসাওদের। রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের অভিযানে কার্লো আনচেলত্তির দল তাই চাইবে এই অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডটি দ্রুততম সময়ে মুছে ফেলতে।

অন্যদিকে সলবাকেনের নরওয়ে ইতোমধ্যে দেখিয়েছে যে, যেকোনো সমীকরণ উল্টে দেওয়ার সামর্থ্য তাদের আছে। টানা দুই জয়ে ‘আই’ গ্রুপ থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করার পর, ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে শুরুর একাদশের প্রায় পুরোটাতেই পরিবর্তন আনেন নরওয়েজিয়ান কোচ। এরপর শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে আইভরি কোস্টকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে তারা। ১৯৩৮ ও ১৯৯৮ সালে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেওয়া নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসে এটিই বিশ্বকাপে প্রথম নকআউট জয়।

ম্যাচজুড়ে স্পটলাইটের সিংহভাগ আর্লিং হালান্ডের ওপর থাকলেও, নরওয়েকে কেবল ‘এক জনের দল’ হিসেবে মূল্যায়ন করতে রাজি নন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার মাথেউস কুনিয়া। তিনি সতীর্থদের সতর্ক করে বলেন, ‘হালান্ড দুর্দান্ত খেলোয়াড় এবং জার্মানি ও ইংল্যান্ডের ফুটবলে ও নিয়মিত সেটা প্রমাণ করেছে। তবে আমাদের পুরো দলের ওপরই মনোযোগ দিতে হবে। ওদের আরও কয়েকজন বিপজ্জনক ফুটবলার আছে, যাদের অনেকে ইংল্যান্ডেই খেলে। এই মুহূর্তে নরওয়ে আমাদের জন্য অন্যতম কঠিন প্রতিপক্ষ।’

ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে চোটের আঘাতও কম নয়। জাপানের বিরুদ্ধে ম্যাচে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়ে দল থেকে ছিটকে গেছেন মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতা। ফলে মাঝমাঠ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে আনচেলত্তিকে। পাশাপাশি চলতি টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে এখনো মাঠে না নামা নেইমারকে এই ম্যাচে দেখা যাবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা চলছে।

অবশ্য আক্রমণভাগে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। দুই সপ্তাহের বিরতি কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরেছেন রাফিনহা। তবে তাঁর অনুপস্থিতিতে রায়ান যেভাবে নজর কেড়েছেন, তাতে শুরুর একাদশ সাজাতে মধুর সমস্যায় পড়তে হবে ব্রাজিলিয়ান কোচকে।

ব্রাজিলের জন্য আজকের ম্যাচটি কেবল কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়; বরং দীর্ঘ তিন দশক আর চার ম্যাচের আক্ষেপ ঘুচিয়ে বহুল কাঙ্ক্ষিত ‘হেক্সা’ মিশনের পথে এগিয়ে যাওয়ার বড় পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষার মঞ্চে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন এমন এক ব্যক্তি, যিনি নিজেই এই জুজুর সূচনা করেছিলেন।

সরকারি কর্মকর্তাদের আয় বাড়লে নিশ্চয়ই দুর্নীতিও কমবে: অর্থমন্ত্রী

সরকারি কর্মকর্তাদের আয় বাড়লে তাদের জীবনমানের উন্নয়ন হবে এবং এর মাধ্যমে দুর্নীতি কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আজ শুক্রবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এমন আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবে মানুষের যখন অভাব থাকে তখন দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়ার একটা প্রবণতা থাকে। এটা অস্বীকার করে লাভ নেই। সরকারি কর্মকর্তাদের প্রায় ১১ বছর ধরে পে-স্কেল হয়নি। কিন্তু এদিকে তো মূল্যস্ফীতি বা জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। সেই জায়গাটা আমাদের অ্যাড্রেস করতেই হবে।’

‘কারণ সরকারি কর্মচারী বলে তাদের কষ্ট পেতে হবে, বেসরকারি খাতে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে বেতন বাড়বে—এটা বৈষম্য হয়ে যায়। এই জায়গাতেই আমরা আশা করছি, তাদের যখন আয় বাড়বে তাদের যখন জীবনযাত্রার মান একটু উন্নত হবে, নিশ্চয়ই তখন দুর্নীতিও কমবে,’ বলেন তিনি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু বলেন, ‘বাজার নিয়ন্ত্রণ পুলিশ, র‍্যাব বা সরকারি লোকজন দিয়ে হয় না। নিয়ন্ত্রণ করতে হবে পলিসির মাধ্যমে ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে। আমরা যদি পলিসিগুলো ঠিকমতো বাস্তবায়ন করতে পারি, আমি মনে করি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে না।’

কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাজেট বক্তৃতাই কোন খাতে কত চাকরি হবে এটা বলা সম্ভব না। আমরা বিস্তারিত বলেছি, আইসিটিতে শিল্পখাতে কৃষিতে বিদেশে কর্মসংস্থান কত হবে। আমরা হয়তো এগুলোর বিপরীতে সংখ্যা বসাইনি। কিন্তু কোন কোন খাতে চাকরি হবে, তা বিস্তারিত বাজেটে বলেছি। সংখ্যা দেইনি, কারণ সংখ্যা দেওয়া সম্ভব নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করি কর্মসংস্থানের যে প্রেডিকশন করেছি, সেটা পূরণ করতে পারব। কর্মসংস্থান এমনি হয় না, সেটা তৈরি করতে হয়। এজন্য আমরা বিনিয়োগের ওপর জোর দিচ্ছি। বিনিয়োগ মানে কর্মসংস্থান, সেটা সরকারি হোক বা বেসরকারি হোক।’

‘দেখবেন শিক্ষার ক্ষেত্রে যে বড় বরাদ্দ দিয়েছি, তার মূল কারণ স্কিল ডেভেলপমেন্ট বা দক্ষতা বাড়ানো। আপনি যদি দক্ষ শ্রমিক হন বা কর্মচারী হন, আপনার চাকরি দেশে-বিদেশে সব জায়গায় হওয়া খুবই সহজ,’ বলেন অর্থমন্ত্রী।

বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু বলেন, ‘দেশের প্রতিটি মানুষকে এই বাজেটের আওতায় আনার জন্য আমাদের স্লোগান ছিল অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক করা। এর আগে অর্থনীতিটা ছিল পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি, কিছু গোষ্ঠীর জন্য অর্থনীতি।’

তিনি বলেন, ‘যারা অর্থনীতির ভাবনার বাইরে ছিল আমরা সেই মানুষগুলোকে এই বাজেটের আওতায় আনার চেষ্টা করেছি। আমাদের সীমিত সম্পদের মধ্যে সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সবার জন্য কম-বেশি বরাদ্দ দেওয়া আছে, প্রোগ্রাম আছে এবং রোডম্যাপ আছে।’

‘শুধু পলিসি নয়, আমরা রোডম্যাপও দিয়েছি। এটা বাস্তবায়ন করতে গেলে আমাদের কী করতে হবে, সেটাও পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। এজন্য এই বাজেটটি একটু ভিন্নধর্মী,’ যোগ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘গত দেড় দশকে বিশ্বের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছে। রুল বেজড ইকোনমিক অর্ডার থেকে বিশ্ব সরে গিয়ে একটা প্রটেকশনিস্ট অর্ডারে চলে গেছে। দ্বিতীয় কথা হলো যুদ্ধ-বিগ্রহ এখন নিউ নরমাল, এখান থেকে আমরা বের হতে পারছি না। যার কারণে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়নের দিকে যাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। আমাদের ক্ষেত্রে এ চ্যালেঞ্জটা আরও বেশি। কারণ আমরা যেটা ইনহেরিট করেছি, বিগত সরকারের পর অন্তর্বর্তী সরকার থেকে যুদ্ধ—সব মিলিয়ে আমাদের চ্যালেঞ্জটা আরও বেশি।’

মাইকেল: বায়োপিকে কতটা থাকলো জ্যাকসনের জীবন?

কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’ ২৪ এপ্রিল সারাবিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও মুক্তি পেয়েছে। দেশের সিনেপ্লেক্সগুলোতে তাই মুক্তির প্রথম দিনেই সিনেমাটি দেখা গেছে।

একজন সংগীত প্রতিভার উত্থান দেখতে এবং ইতিহাসে তার গাওয়া সেরা গানগুলোর পারফরম্যান্স অনুভব করতে চাইলে ‘মাইকেল’ অবশ্যই দেখা উচিত। দর্শক হিসেবে সিনেমাটি মন জয়ের চেষ্টা করে অনেকাংশে সফলও।

তবে মাইকেল জ্যাকসনের পুরো জীবন এক সিনেমায় দেখার প্রত্যাশা নিয়ে হলে ঢুকলে কিছুটা হতাশ হতে পারেন। কারণ, গানের জীবনের বাইরে তার জীবনের বহু গুরুত্বপূর্ণ দিক এখানে অনুপস্থিত।

তবু মাইকেল জ্যাকসনকে অনুভব করতে এবং তার গানগুলোর আবেগে ডুবে যেতে চাইলে, ভক্তদের জন্য এটি অসামান্য এক অভিজ্ঞতা।

বায়োপিকে মাইকেলের শৈশবের দিনগুলো তুলে ধরা হয়েছে। বাবা জো জ্যাকসনের কঠোরতা ও নিষ্ঠুরতা, জোর করে ভাইদের সঙ্গে একটি মিউজিক্যাল গ্রুপে যুক্ত করা এবং জ্যাকসন ফাইভের হয়ে গান করার গল্প এসেছে। বেশি অর্থ আয়ের লক্ষ্যে বাবার হাতে তার প্রতিভার ব্যবহারের দিকটিও দেখানো হয়েছে।

একইসঙ্গে ছোটবেলার মাইকেলের ভেতরের কোমল মানুষটিকেও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। পশুপাখির প্রতি তার ভালোবাসা, একাকিত্ব এবং বন্ধুহীন জীবনের অনুভূতি দর্শককে ছুঁয়ে যায়।

 

সিনেমায় মায়ের প্রতি তার ভালোবাসা, দেহরক্ষীর প্রতি মমতা এবং ক্যাসেট কোম্পানির প্রযোজকদের সঙ্গে সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে এসেছে।

দ্বিতীয় ভাগে দেখা যায়, পিতা জো জ্যাকসনের প্রভাব থেকে বেরিয়ে সৃজনশীল স্বাধীনতা অর্জনের জন্য লড়াই। নিজের মতো করে অ্যালবাম তৈরি এবং লাইভ পারফরম্যান্সের জন্য কঠোর শারীরিক পরিশ্রমের ওপর ফোকাস করা হয়েছে।

মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে তারই তরুণ ভাতিজা জাফার জ্যাকসন অসাধারণ। চেহারা, নাচের মুদ্রা, কণ্ঠস্বর, শরীরের ভাষা—সবকিছুতেই তিনি মাইকেলের স্বাক্ষরকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। অনেক সময় তাকে দেখলে আসল মাইকেল বলে ভুল হওয়াও অস্বাভাবিক নয়।

জো জ্যাকসনের চরিত্রে কোলম্যান ডমিংগো এবং মা ক্যাথরিন জ্যাকসনের ভূমিকায় নিয়াহ লং স্বাভাবিক অভিনয় দিয়েছেন। লাটোয়া জ্যাকসনের চরিত্রে জেসিকা সুলাও নজর কাড়েন।

এছাড়া মোটাউন রেকর্ডসের প্রতিষ্ঠাতা বেরি গর্ডি, সংগীত নির্বাহী সুজান দে পাসে এবং ডায়ানা রসের মতো চরিত্রগুলোও গল্পে জায়গা পেয়েছে। এসব চরিত্রের মাধ্যমে মাইকেলের ক্যারিয়ারের পেছনের মানুষদের ভূমিকা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

তবে লক্ষণীয়ভাবে মাইকেলে ছোটবোন ও পপ সংগীতশিল্পী জ্যানেট জ্যাকসনের কথা সিনেমাতে উল্লেখ করা হয় নি।

সিনেমাটি শেষ হয়েছে জ্যাকসন ফাইভের ১৯৮৮ সালের একটি কনসার্ট দিয়ে। শেষাংশে সম্ভাব্য সিক্যুয়েলের ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে। ফলে ধারণা করা যায়, মাইকেলের জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় পরবর্তী কিস্তির জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে।

অ্যান্টনি ফুকো পরিচালিত ‘মাইকেল’ সিনেমায় তার বিখ্যাত গানগুলোর অনবদ্য পরিবেশনা রয়েছে। সব মিলিয়ে, মাইকেল জ্যাকসনের ভক্তদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে বড় একটি আয়োজন।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় লক্ষ্য করে হামলার দাবি ইরানের

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় লক্ষ্য করে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে রেভল্যুশনারি গার্ডস।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সোমবার রেভল্যুশনারি গার্ডসে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ফারস সংবাদ সংস্থা প্রচারিত এক বিবৃতিতে গার্ডস জানায়, ‘জায়নিস্ট শাসনের অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং ওই শাসনের বিমান বাহিনীর প্রধানের সদরদপ্তরকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ হামলায় খেইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী

এক বছর মেয়াদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীকে।

আজ মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানীর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী তাকে নিয়োগ দেওয়া হলো। 

অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এ পদে যোগ দিতে পারবেন তিনি। 

নেতিবাচক রেকর্ডকেই বাড়তি প্রেরণা মনে করছেন গিমারেস

ব্রাজিল এখন পর্যন্ত যতগুলো দলের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে তাদের মধ্যে কেবল নরওয়েকেই এখনো হারাতে পারেনি। অবশ্য দলটির বিপক্ষে ম্যাচও খেলেছে খুব কম। তবে যেহেতু নেতিবাচক একটি রেকর্ড আছেই সেটাকেই প্রেরণা মনে করে ইতিহাস গড়তে চান ব্রুনো গিমারেস।

আজ বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টায় বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে প্রথম জয়ের খুঁজে নামবে পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের আগের দিন এক সংবাদ সম্মেলনে গিমারেস ব্যাখ্যা করেন যে, নরওয়েজীয়দের বিপক্ষে এই জুজু বা অপয়া রেকর্ড ভাঙা এক ধরনের ‘অনুপ্রেরণা’ এবং তিনি একটি ‘কঠিন লড়াইয়ের’ ম্যাচের পূর্বাভাস দিয়েছেন।

‘এটি আমাদের জন্য বাড়তি একটি অনুপ্রেরণা, তাই না? সেই নেতিবাচক রেকর্ডটি ভাঙা… আমরা জানি অনেক দিন হয়ে গেছে দল দুটি একে অপরের মুখোমুখি হয়নি এবং এর মাঝে অনেক কিছু ঘটে গেছে। এটি একটি অনুপ্রেরণা। আমরা আমাদের নিজেদের ইতিহাস তৈরি করতে চাই এবং ব্রাজিলের মহান ইতিহাসে নিজেদের নাম লিখতে চাই। আগামীকাল আমাদের সামনে সেটি করার একটি সুযোগ রয়েছে’, বলেন ব্রুনো।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘ফুটবলের ফয়সালা মাঠেই হয়। এগারো জনের বিরুদ্ধে এগারো জন। এটি একটি দুর্দান্ত ম্যাচ হতে যাচ্ছে, কঠিন লড়াই হবে। তাদেরও নিজস্ব কিছু গুণ রয়েছে। লম্বা খেলোয়াড়, তারা ক্রস করার চেষ্টা করবে। (…) আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’

ব্রাজিলের ৮ নম্বর জার্সি পরিহিত এই খেলোয়াড় দলের মিডফিল্ডে অন্যতম সেরা পারফর্মার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। চার ম্যাচে তিনি চারটি অ্যাসিস্ট করেছেন এবং তালিকায় শীর্ষস্থানের লড়াইয়ে চলে এসেছেন। তিনি মরক্কোর ব্রাহিম দিয়াজের সঙ্গে যৌথভাবে অবস্থানে আছেন এবং ফ্রান্সের অলিসের চেয়ে একটি অ্যাসিস্ট কম রয়েছে তার।

এত বেশি সংখ্যক অ্যাসিস্ট করা সত্ত্বেও, তিনি নিজেকে এমন একজন খেলোয়াড় হিসেবে দেখেন যিনি সতীর্থদের গোল বানিয়ে দেওয়া ছাড়াও মিডফিল্ডে অন্য ভূমিকাও পালন করেন।

তিনি শেষ করেন এই বলে,’কোচ আমার কাছে যা চাচ্ছেন, তা আমি খুব ভালোভাবে করছি। অ্যাসিস্টের জন্য আমি নজর কেড়েছি ঠিকই, তবে আমার ফুটবল শুধু এটুকুই নয়। আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের কাছে বল পৌঁছে দেওয়া যাতে তারা সুযোগ তৈরি করতে পারে, মার্কিং করা, প্রচুর দৌড়ানোর মানসিকতা রাখা—এমনকি এই গরমেও আমি এসবই করে যাচ্ছি।’

 

প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন আজ

একদিনের সফরে কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ শনিবার সকালে তার কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা আছে।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার বিমানযোগে কক্সবাজার যাবেন। কক্সবাজার নেমে সড়ক পথে চকরিয়ায় পিএমখালীতে পাতলী খাল পুনঃখনন, মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। রাতের ফ্লাইটেই তিনি ঢাকায় ফিরবেন।’

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরে কক্সবাজারে তারেক রহমানের এটি প্রথম সফর।

দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী, ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এবং বিকেলে চকরিয়া বাস টার্মিনালে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভা, সন্ধ্যায় সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখবেন।

কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী নতুন উপজেলার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।

যেকোনো সময়ের চেয়ে চিন্তাশীল বাজেট, বাস্তবায়ন বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াবে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

দেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে চিন্তাশীল হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

তবে দেশের আর্থিক কাঠামো অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় এই বাজেট বাস্তবায়ন বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াবে বলে তিনি মনে করেন।

আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘মোটামুটিভাবে এই বাজেটের যে নীতি কাঠামো সেটা অর্থমন্ত্রী বলেছেন। আমার কাছে মনে হয়েছে যে, অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে একটা চিন্তাশীল বাজেট তৈরি হয়েছে।’

‘এই চিন্তাশীল বাজেটের মূল নীতি-কাঠামোর দিক, সেখানে অর্থনৈতিক স্থিতায়নের জন্য এক বছরের সময়ের কথা বলা হচ্ছে, আরও তিন বছরের পুনরুদ্ধারের সময়ের কথা বলা হচ্ছে এবং আরও এক বছর এটাকে বিনির্মাণের কথা বলা হচ্ছে। যে সমস্ত পদক্ষেপের কথা এখন পর্যন্ত এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে, সরকার অর্থনীতিতে চাঞ্চল্য আনার জন্য বিনিয়ন্ত্রণ, একইসঙ্গে উদারীকরণের ওপর বড় জোর দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এটার ভেতরে একটি মানবিক অর্থনীতি গড়ার চেষ্টার কথা বলা হয়েছে। সেজন্য বিভিন্ন বরাদ্দের উল্লেখ আছে। যুব সমাজ, পিছিয়ে পড়া মানুষ, এদের কথাও একইসঙ্গে যুক্ত হয়েছে।’

‘তৃতীয়ত, বিনিয়ন্ত্রণ এবং মানবিকতার পাশে এসেছে ডিজিটালাইজেশন ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির বিষয়। আমি এই তিনটি বিষয়কে চিহ্নিত করেছি,’ যোগ করেন তিনি।

দেবপ্রিয় বলেন, ‘নীতি কাঠামো নিঃসন্দেহে খুবই শক্তিশালী এবং সেই অর্থে সূক্ষ্মভাবে, বিচক্ষণতার সঙ্গে তৈরি হয়েছে। কিন্তু এই নীতি কাঠামোকে বাস্তবায়ন করার জন্য যে আর্থিক ভিত্তি, যে আর্থিক কাঠামো, সেটা অত্যন্ত দুর্বল। কারণ এটার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নেই এবং যে অর্থের প্রাক্কলন করা হয়েছে, সেটা খুব বাস্তবসম্মত বলে মনে হয় না।’

‘আর্থিক কাঠামোতে বিপুল পরিমাণে বৈদেশিক ঋণের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এই আর্থিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে দুশ্চিন্তাটা সেজন্য। কারণ অনেক ক্ষেত্রে বড় ধরনের থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যেটা মনে হয়, যদি আর্থিক বিপত্তি দেখা যায়, তাহলে এগুলোর ক্ষেত্রে কাটছাঁট হবে। শেষ বিচারে এই বাজেট বাস্তবায়নটাই তো বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াবে,’ যোগ করেন তিনি।

দেবপ্রিয় আরও বলেন, ‘এই সুন্দর বাজেটটিকে আগামী দিনে কীভাবে উনারা বাস্তবায়ন করেন, সংস্কারের পথে নিয়ে যান, সেটাই দেখতে চাই।’

রেশন পাচার মামলায় নুসরাত জাহানকে তলব

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের  (টিএমসি) সাবেক এমপি নুসরাত জাহানকে তলব করেছে দেশটির এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ২০২০ সালের একটি রেশন পাচার মামলার তদন্তে তাকে তলব করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী ২২ এপ্রিল কলকাতার সল্টলেক দপ্তরে নুসরাতকে হাজির হতে বলা হয়েছে। তবে বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করায় তিনি দিল্লির ইডি সদর দপ্তরে হাজিরার অনুমতি চেয়েছেন বলে সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে নুসরাত জাহানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একটি এফআইআরের ভিত্তিতে ইডি এই তদন্ত শুরু করে। ২০২০ সালের ২৩ অক্টোবর বসিরহাট থানায় এ মামলাটি দায়ের করা হয়। অভিযোগটি করেছিলেন ঘোজাডাঙা ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশনের ডেপুটি কমিশনার।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি জনবিতরণ ব্যবস্থার (পিডিএস) আওতায় থাকা গম ব্যাপকভাবে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। বিশেষ করে, করোনার লকডাউনের সময় বসিরহাট সীমান্ত এলাকায় একাধিক ট্রাক আটক করা হয়। অভিযোগ ছিল, এসব ট্রাকে থাকা গম ও চাল পাচার করা হচ্ছিল। ওই সময় নুসরাত জাহান বসিরহাটের এমপি ছিলেন।

ইডি সূত্রে জানা গেছে, এই মামলার তদন্তে একাধিক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নুসরাত জাহানকে তলব করা হয়েছে।

এছাড়া, এই পাচারচক্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনও খতিয়ে দেখছে ইডি। যদিও এখনো সরাসরি কোনো অভিযোগ আনেনি সংস্থাটি। তবে সংশ্লিষ্ট সময় তিনি এমপি থাকায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে ২০২৩ সালে একটি ফ্ল্যাট কেলেঙ্কারির মামলায়ও সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে প্রায় ছয় ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল নুসরাত জাহানকে।