27.2 C
Dhaka
Home Blog

১২ ছক্কার টর্নেডো ইনিংস খেলে সূর্যবংশীর ৩ রানের আক্ষেপ

প্রফুল হিঙ্গের বলটা থার্ডম্যান দিয়ে উড়িয়েছিলেন, একদম বাউন্ডারি লাইনে সেটা ক্যাচে পরিণত হয়। এক সুতোর জন্য ক্রিস গেইলের রেকর্ডটা থেকে গেল আপাতত স্পর্শের বাইরে। তবে তার আগে বৈভব সূর্যবংশী যা করেছেন তাতে বিস্ময়ে আরেকবার হতভম্ব হওয়ার পালা।

২৮ বলে ১২ ছক্কা, ৫ চারে ৯৭ করেছিলেন। ২৯তম বলে সেঞ্চুরি স্পর্শ করতে পারতেন, যেটা হলে আইপিএলের ইতিহাসের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড হয়ে যেত তার। ২৯ বলে আপাতত ৯৭ রানে থামতে হলো। ৯৭ রানের ৯২ রানই বাউন্ডারি থেকে নিয়েছেন। তবে সূর্যবংশী জানিয়ে দিলেন এই রেকর্ড একদিন তার হবেই।

​ম্যাচের শুরু থেকেই সূর্যবংশী ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। প্রফুল হিঙ্গের করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই নিজের অনবদ্য ক্লাস দেখান তিনি। অফ-স্ট্যাম্পের বাইরের লেংথ বলকে নিখুঁত টাইমিংয়ে কভার ড্রাইভ করে বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে খাতা খোলেন। সেই ওভারেরই চতুর্থ বলে একটু শর্ট ডেলিভারি পেয়েই পুল করলেন স্কোয়ার লেগের ওপর দিয়ে, বল গিয়ে আছড়ে পড়ল গ্যালারিতে।

​স্পিন আক্রমণ আসতেই আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন সূর্যবংশী। ক্রিজ থেকে সামান্য বেরিয়ে এসে সোজা বোলারের মাথার ওপর দিয়ে মারেন বিশাল ছক্কা। মাত্র ১০ বলেই তিনি পৌঁছে যান ব্যক্তিগত ৩০ রানে। পরের ওভারে লেগ স্ট্যাম্পের ওপর থাকা বলকে আলতো ফ্লিকে ফাইন লেগ দিয়ে সীমানার ওপারে পাঠিয়ে ব্যাক-টু-ব্যাক বাউন্ডারি আদায় করে নেন।

​ডিপ মিডউইকেটের ওপর দিয়ে বিশাল এক ছক্কা হাঁকিয়ে মাত্র ১৬ বলে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন বৈভব।

​হাফ-সেঞ্চুরির পর তার ব্যাটের ধার যেন আরও বেড়ে যায়। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারটি ছিল বোলারদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন। সেই ওভারের প্রথম, দ্বিতীয়, চতুর্থ এবং ষষ্ঠ বলে লং-অন এবং কাউ কর্নার দিয়ে ৪টি চোখধাঁধানো ছক্কা মারেন তিনি। স্কোরবোর্ডে রানের গতি তখন রকেটের চেয়েও দ্রুত।

​সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে নিজের ১২তম ছক্কাটি মেরে মাত্র ২৮ বলে ৯৭ রানে পৌঁছে যান বৈভব সূর্যবংশী। ক্রিস গেইলের ৩০ বলে সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড ভাঙতে তার প্রয়োজন ছিল মাত্র ১টি বল এবং ৩টি রান। পুরো স্টেডিয়াম তখন অধীর আগ্রহে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে এক মহাকাব্যিক মুহূর্তের।

​কিন্তু ঠিক পরের বলেই ঘটল সেই হৃদয়বিদারক ঘটনা। প্রফুল হিঙ্গের অফ-স্ট্যাম্পের সামান্য বাইরের বলটিকে থার্ডম্যান অঞ্চল দিয়ে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন সূর্যবংশী। কিন্তু ব্যাটের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা আলগা হওয়ায় বলটি সীমানা পার হতে পারেনি। একদম বাউন্ডারি লাইনে ফিল্ডারের হাতে জমা পড়ে বল। স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো স্টেডিয়াম। মাত্র ৩ রানের আক্ষেপে পুড়তে হয় তাকে। ২৯ বলে আপাতত ৯৭ রানে থামতে হলেও সূর্যবংশী জানিয়ে দিলেন এই রেকর্ড একদিন তার হবেই।

 

 

বড় হচ্ছে বাজেট, টাকা আসবে কোথা থেকে?

১৯ বছর আগে, ২০০৬-০৭ অর্থবছরের জন্য তৎকালীন বিএনপি সরকারের অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান ৬৯ হাজার ৭৪০ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট ঘোষণা করেছিলেন। এরপর তিনটি সরকার এসেছে-গেছে। জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে আবার ক্ষমতায় ফিরেছে বিএনপি।

এবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের ৫৪তম বাজেট উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এই বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বাজেটের আকার নাটকীয়ভাবে বাড়লেও জিডিপির তুলনায় এর অনুপাত খুব বেশি বদলায়নি। ২০০৬-০৭ অর্থবছরে বাজেট ছিল জিডিপির প্রায় ১২ দশমিক ৬৮ শতাংশ। আর ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা হতে যাচ্ছে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

অর্থাৎ দেশের অর্থনীতির আকার বড় হলেও সরকারের আর্থিক সক্ষমতা সেই অনুপাতে শক্তিশালী হয়নি।

ফলে বাংলাদেশ এখন এমন এক পর্যায়ে দাঁড়িয়ে, যেখানে শুধু বড় বাজেট করাই মূল বিষয় নয়। বরং প্রশ্ন হলো—বর্ধমান ঋণ, দুর্বল রাজস্ব আদায় ও প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে অর্থনীতি এই ব্যয়ভার কতটা টেকসইভাবে বহন করতে পারবে।

গত দুই দশকে দেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। বিদ্যুতের আওতা বেড়েছে, গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ উন্নত হয়েছে, মোবাইল ও ইন্টারনেট প্রযুক্তি মানুষের জীবনযাত্রা বদলে দিয়েছে।

পদ্মা সেতু ও ঢাকা মেট্রোরেলের মতো বড় অবকাঠামো প্রকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনেছে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়িয়েছে।

তবে এসব উন্নয়ন মানুষের প্রত্যাশাও বাড়িয়েছে। মানুষ এখন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, উন্নত পরিবহন, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, মানসম্মত শিক্ষা ও ভালো নগরসেবা চায়।

ঢাকাবাসী আরও মেট্রোরেল লাইন চান। দেশের অন্য অঞ্চলের মানুষ চান উন্নত মহাসড়ক, পদ্মা ও যমুনার ওপর দ্বিতীয় সেতু এবং নতুন শিল্প বিনিয়োগ। ফলে সরকারি ব্যয়ের চাপ কাঠামোগতভাবেই বেড়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা (ফিসকাল স্পেস) সংকুচিত হয়েছে।

এখন বাজেটের বড় অংশই চলে যাচ্ছে পরিচালন ব্যয়ে। উচ্চ ঋণ ও সুদের হারের কারণে দেশি-বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধের খরচ বেড়েছে। জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খাদ্যে ভর্তুকির চাপও রয়েছে।

এর সঙ্গে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-কমিশন বাস্তবায়ন হলে স্থায়ী ব্যয়ের চাপ আরও বাড়তে পারে। ফলে সামগ্রিক বাজেটের আকার বাড়লেও উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য জায়গা সংকুচিত হচ্ছে।

দুর্বল রাজস্ব আদায় এখনও বড় চ্যালেঞ্জ। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত অন্যতম কম। এতে ঋণের ওপর নির্ভর না করে উন্নয়ন ব্যয় চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

আর্থিক খাতও অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। দুর্বল সুশাসন, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, ঋণ অনিয়ম ও দুর্বল আদায় ব্যবস্থার কারণে খেলাপি ঋণ বেড়েছে। এতে ব্যাংক খাতের সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ছে।

সরকারের ব্যাংকঋণ বাড়ায় বেসরকারি খাতের জন্য ঋণ পাওয়া কঠিন হচ্ছে। ব্যবসার ঋণ ব্যয়ও বাড়ছে।

অন্যদিকে দেশের পুঁজিবাজার এখনও অগভীর ও অস্থির। দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নে এর ভূমিকা সীমিত। ফলে অর্থনীতি এখনও মূলত ব্যাংক খাতনির্ভর।

সুশাসনের ঘাটতি ও দুর্নীতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব, ব্যয় বৃদ্ধি ও সরকারি ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ সরকারি ব্যয়ের কার্যকারিতা কমিয়ে দিয়েছে।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রকাশিত এক শ্বেতপত্রে বলা হয়েছিল, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়ে থাকতে পারে।

এদিকে বৈশ্বিক পরিস্থিতিও অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়িয়েছে। করোনা মহামারি বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনে বড় ধাক্কা দেয়। পরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ববাজারে খাদ্য ও জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দেয়। আমদানিনির্ভর বাংলাদেশে এর প্রভাব পড়ে সরাসরি।

২০২৩ সালের মার্চ থেকে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ওপরে রয়েছে। এতে মানুষের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতা কমছে।

একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এতে মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে কঠিন নীতিগত ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে।

একদিকে প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে, অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি এখনও উচ্চ পর্যায়ে। সরকার যদি প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সম্প্রসারণমূলক ব্যয়নীতি নেয়, তাহলে ঋণ ও মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চলমান কর্মসূচি।

আইএমএফের সংস্কার শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে কর আদায় বাড়ানো, ব্যাংক খাত সংস্কার, ভর্তুকি কমানো, আর্থিক শৃঙ্খলা জোরদার ও বিনিময় হার আরও নমনীয় করা।

এসব পদক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক হতে পারে। তবে স্বল্পমেয়াদে এর রাজনৈতিক ও সামাজিক খরচ থাকবে।

নতুন অর্থমন্ত্রীর জন্য চ্যালেঞ্জ শুধু বড় বাজেট দেওয়া নয়। সীমিত সম্পদ ও রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির মধ্যে সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনাও বড় কাজ।

তাকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অর্থ কি বড় অবকাঠামো প্রকল্পে যাবে, নাকি স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দক্ষ জনশক্তি তৈরির মতো মৌলিক খাতে—সেই ভারসাম্য ঠিক করতে হবে।

সবশেষে, এই বাজেট শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়। উচ্চ প্রত্যাশা, আর্থিক চাপ, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর এই সময়ে সরকার কীভাবে অর্থনীতি সামাল দিতে চায়, তারই প্রতিফলন হবে এবারের বাজেট।

 

 

জ্বালানির দাম বাড়ানো ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’: শফিকুর রহমান

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এমন সময়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যখন মানুষ আগেই জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপে হাঁসফাঁস করছে।

শনিবার রাতে সরকারের ঘোষণার পরপরই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববাজারে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমে আসছে, তখন বাংলাদেশে দর সমন্বয়ের নামে আগামীকাল থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এটি খুবই দুঃখজনক।’

জামায়াত আমির বলেন, মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় এমনিতেই বেড়ে গেছে। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলবে।

‘জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এটি হবে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা,’ বলেন তিনি।

এর আগে সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করে, যা শনিবার রাত ১২টার পর থেকে কার্যকর হয়।

নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রল ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত ১ ফেব্রুয়ারির নির্ধারিত দামের তুলনায় এবার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ১০ শতাংশের বেশি বাড়ানো হয়েছে। লিটারপ্রতি ডিজেলের দাম বেড়েছে ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রল ১৯ টাকা ও কেরোসিন ১৮ টাকা।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত কয়েক মাস ধরে জ্বালানি তেলের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এর আগে এক থেকে দুই টাকার মধ্যে সীমিত পরিসরে সমন্বয় করা হলেও এবার তুলনামূলক বড় ধরনের বৃদ্ধি করা হয়েছে।

১৮ দিনে ৫ কোটির ঘরে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’

প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস ‘কিছুক্ষণ’ অবলম্বনে নির্মিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ এই ঈদে মুক্তি পাওয়া পাঁচ সিনেমার মধ্যে সর্বোচ্চ আয় করে শীর্ষে অবস্থানে রয়েছে।

প্রযোজনা সূত্রে জানা গেছে, মুক্তির ১৮ দিনে সিনেমাটির আয় পাঁচ কোটি টাকা পার করেছে।

পরিচালক তানিম নূর বলেন, ‘দর্শকদের এই সাড়ায় আমি অভিভূত। সিনেমার সব শিল্পী ও কলাকুশলীকে ধন্যবাদ জানাই। বিশেষভাবে স্মরণ করছি হুমায়ূন আহমেদ স্যারকে। তিনিই আসল জাদুকর।’

‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এ অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, শরীফুল রাজ, শ্যামল মওলা, জাকিয়া বারী মম, আজমেরী হক বাঁধন, সাবিলা নূর ও আরেফিন জিলানীসহ একঝাঁক তারকা।

‘সরাসরি যুদ্ধ’ বলছে পাকিস্তান, সংলাপের মাধ্যমে সমাধান চায় আফগানিস্তান

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলসহ বিভিন্ন শহরে তালেবান সরকারের বাহিনীর ওপর বৃহস্পতিবার রাতভর বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এটি তাদের সাবেক মিত্র দেশের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রথম হামলা।

এ পরিস্থিতিকে ‘সরাসরি যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ।

আজ শুক্রবার সংবাদমাধ্যমকে তিনি এ কথা বলেন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ আরও বলেন, ‘আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। এখন আমাদের এবং আপনাদের (আফগানিস্তান) মধ্যে এটি সরাসরি যুদ্ধ।’

পাকিস্তানের নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানায়, আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল ও তালেবান নেতৃত্বের ঘাঁটি কান্দাহার শহর লক্ষ্য করে হামলা চালায় পাকিস্তান। কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া প্রদেশে তালেবানের সামরিক কার্যালয় ও চৌকিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। একইসঙ্গে দুই দেশের সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায়ও সংঘর্ষ হয়েছে।

অন্যদিকে, পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে পাকিস্তানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে আফগানিস্তান।

সংঘর্ষে পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ। 

এ বিষয়ে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা বারবার শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর জোর দিয়েছি এবং এখনো চাই এ সমস্যার সমাধান সংলাপের মাধ্যমেই হোক।’

তিনি আরও বলেন, ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এই অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করছে—পাকিস্তানের এমন দাবি পূর্বপরিকল্পিত অজুহাত।

টিটিপিকে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

তবে পাকিস্তান হামলা চালিয়ে যেতে থাকলে তার কঠোর জবাব দেওয়ার সামর্থ্য আছে বলেও হুশিয়ার করেন আফগান সরকারের মুখপাত্র।

সংবাদ সম্মেলনে হতাহত ও অভিযানের তথ্যও তুলে ধরেন তিনি। 

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতের হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও শুক্রবারের হামলায় বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছে। 

তবে তিনি নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করেননি।  

জানান, পাল্টা অভিযান প্রায় দুই ঘণ্টা স্থায়ী ছিল। ১৩ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন। 

এদিকে ভবিষ্যতে পাকিস্তান হামলা চালালে এর শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দেখানো হবে বলে হুশিয়ার করেছেন আফগানিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফাসিহউদ্দিন ফিতরাত।

কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানায়, রাশিয়া, চীন, তুরস্ক ও সৌদি আরব পরিস্থিতি প্রশমনে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে।

আফগানিস্তান ও পাকিস্তান—উভয় দেশের প্রতিবেশী ইরানও সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে বলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

একটি মহল প্রশাসনে থেকে গোপনে মবকে পৃষ্ঠপোষকতা করে: তথ্যমন্ত্রী

প্রশাসনের একটি মহল গোপনে মবকে পৃষ্ঠপোষকতা করে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী মো. জহির উদ্দিন স্বপন।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বরিশালে জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একটা দেশে গণতন্ত্র চলতে পারে না, যদি সে দেশে স্বাধীন গণমাধ্যম না থাকে। গণমাধ্যম স্বাধীনতা চর্চা করতে পারে না যদি জবাবদিহিতা না থাকে। শুধু অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলেই হয় না, আমরা যে সুন্দর সমাজ চাই সেই সুন্দর সমাজ গঠন করার পরিকল্পনা থাকতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটি মহলকে আমরা দেখেছি তারা মবকে প্রশ্রয় দেওয়ার চেষ্টা করে। প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও অনেকে গোপনে গোপনে মবকে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়। সরকার পরিচালনার দায়িত্ব আমরা নিয়েছি, সব ধরনের সংবাদ আমাদের কাছে আছে।’

‘সরকার কীভাবে পরিচালনা করতে হয়, তা তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জানে। প্রশাসনের মধ্যে যদি এরকম কিছু সমস্যা থাকে, তাহলে আমরা তা চিহ্নিত করব এবং গণমাধ্যমের মাধ্যমেই দেশবাসীর কাছে তা পরিষ্কার করব,’ বলেন জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের কাছে জবাবদিহিতাই হচ্ছে চূড়ান্ত কথা এবং জনগণের জন্য বাংলাদেশকে প্রস্তুত করাই হচ্ছে আমাদের একমাত্র কাজ।’

জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ‘এবারে জাতীয় নির্বাচনে আমাদের অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। লক্ষ্য করেছি বিনা কারণে বিনা প্রয়োজনে ভোটের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। কেন কী কারণে নষ্ট হয়েছে, সে বিষয়ে, আমরা একটি তদন্তের উদ্যোগ নেবো। কেননা ভবিষ্যতে সবসময় আমরা নিরপেক্ষ অবাধ নির্বাচন চাই।’

পাতিদারের ঝড়ে ফের আইপিএলের ফাইনালে কোহলির বেঙ্গালুরু

গত আসরে প্রথম শিরোপা জিতে সেটা ধরে রাখার পথে অনেকটা এগিয়ে গেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। প্রথম কোয়ালিফায়ারে রজত পাতিদারের ঝড়ে রানের পাহাড় গড়ে গুজরাট টাইটান্সকে বিধ্বস্ত করেছে তারা। দলের জয়ে টানা চার আইপিএলে ছয়শোর বেশি রান করার নজির গড়েছেন বিরাট কোহলি। 

মঙ্গলবার রাতে ধর্মশালায় বেঙ্গালুরু জিতেছে ৯২  রানের বিশাল ব্যবধানে। আগে ব্যাট করে পাতিদারের ৩৩ বলে ৯৩, কোহলির ২৫ বলে ৪৩ রানে ভর করে ২৫৪ রান করে বেঙ্গালুরুর। জবাবে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া গুজরাট টেনেটুনে করতে পারে ১৬২ রান। 

ম্যাচের শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে আরসিবিকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন কোহলি ও ভেঙ্কেটেশ আইয়ার। পরে তাতে যোগ দেন দেবদূত পাডিক্কাল। কোহলি ২৫ বলে ৪৩ এবং পাডিক্কাল ১৯ বলে ৩০ রান করে বিদায় নেন। মিডল অর্ডারে ক্রুনাল পান্ডিয়া ২৮ বলে ৪৩ রানের একটি কার্যকর ইনিংস খেলে দলের রানের গতি সচল রাখেন। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তারা যোগ করেন ৭৬ রান।

তবে ম্যাচের মূল আকর্ষণ ছিল পাতিদারের টর্নেডো ব্যাটিং। ইনিংসের শুরুতে দুইবার জীবন পেয়ে গুজরাটের বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালান আরসিবি অধিনায়ক। মাত্র ৩৩ বলে ৫টি চার ও ৯টি বিশাল ছক্কার সাহায্যে ৯৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষ দিকে জিতেশ শর্মার (৫ বলে ১৫) ক্যামিও ইনিংসে ভর করে শেষ ৬ ওভারেই ১১৪ রান তোলে বেঙ্গালুরু।

গুজরাটের বোলারদের মধ্যে কাগিসো রাবাদা ২টি উইকেট পেলেও ৪ ওভারে খরচ করেন ৫৪ রান।

২৫৫ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গুজরাটের শুরুটা মন্দ ছিল না। জ্যাকব ডাফির প্রথম ওভারেই তিনটি চার মেরে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেন সাই সুদর্শন। তবে সেই আনন্দ স্থায়ী হয়নি। একটু পরেই ১৪ রান করে অদ্ভুতভাবে হিট-উইকেট হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। আর এখান থেকেই শুরু হয় গুজরাটের ব্যাটিং ধস।

ধরমশালার উইকেটের সুবিধা দারুণভাবে কাজে লাগান আরসিবির বোলাররা। ভুবনেশ্বর কুমার দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন গুজরাট অধিনায়ক শুভমন গিলকে (২)। বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগেই জস বাটলারকে (১১ বলে ২৯) প্যাভিলিয়নের পথ দেখান জশ হ্যাজলউড।

এরপর বল হাতে তোপ দাগেন রসিখ সালাম। তিনি প্রথমে নিজের বলে নিজেই ক্যাচ নিয়ে নিশান্ত সিন্ধুকে বিদায় করেন এবং পরের ওভারেই জেসন হোল্ডারকে শূন্য রানে আউট করেন। পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষ হতেই ৫১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় গুজরাট।

শীর্ষ সারির ব্যাটাররা দ্রুত বিদায় নিলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে একাকী লড়াই চালিয়ে যান বাঁহাতি ব্যাটার রাহুল তেওয়াতিয়া। ৮টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৪৩ বলে ৬৮ রানের ইনিংসে হারের ব্যবধান কমান তিনি।

 

‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ান প্রতিষ্ঠান ‘জিজি’

দেশের অন্যতম বৃহত্তম অনলাইন মার্কেটপ্লেস বিক্রয় ডট কম (Bikroy.com) কিনে নিয়েছে নাইজেরিয়ার স্টার্টআপ ‘জিজি’।

বাংলাদেশের বাজারে এক বছরের কিছু বেশি সময় আগে প্রবেশ করে জিজি। এর মধ্যেই প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে বিক্রয় ডট কম কিনে নিলো।

বিক্রয় ডট কমের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শিগগির এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হবে।

বিজনেস ইনসাইডার আফ্রিকার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে জিজি। বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠী, ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে তারা বাংলাদেশের বাজারে আসে।

২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘জিজি’ বর্তমানে আফ্রিকার অন্যতম বৃহৎ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। এটি নাইজেরিয়া ছাড়াও আফ্রিকার ঘানা, কেনিয়া, উগান্ডা, তানজানিয়া ও ইথিওপিয়ায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, জিজি বছরে ৯ কোটির বেশি ব্যবহারকারীকে সেবা দেয় এবং বার্ষিক প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য লেনদেন করে।

‘বিক্রয়’ কেনার মাধ্যমে ‘জিজি’ প্রথমবারের মতো আফ্রিকার বাইরে নিজেদের ব্যবসার প্রসার ঘটাল।

২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিক্রয় ডট কম ৫০টির বেশি ক্যাটাগরির পণ্য ও সেবা কেনাবেচা করে থাকে। এটি মূলত সল্টসাইড টেকনোলজিসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তাদের ৩৫ লাখের বেশি ক্রেতা রয়েছে। ক্রেতাদের জনপ্রিয় পণ্যের মধ্যে রয়েছে মোবাইল ফোন, ইলেকট্রনিক্স, যানবাহন ও প্রপার্টি। সাশ্রয়ী দামের কারণে ব্যবহৃত বা সেকেন্ড-হ্যান্ড পণ্যের বাজার বেশি শক্তিশালী।

২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি কোরবানির জন্য বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন পশুর হাট চালু করে।

বিজনেস ইনসাইডার আফ্রিকা জানিয়েছে, অধিগ্রহণ করা হলেও ‘বিক্রয় ডট কম’ বর্তমান ব্র্যান্ড নামেই কার্যক্রম চালিয়ে যাবে, এখনই নাম পরিবর্তন করে ‘জিজি’ করা হচ্ছে না।

 

এনসিপিতে যোগ দিলেন বিভিন্ন দল-সংগঠনের ৪৫ জন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি ও ইউনাইটেড পিপলস (আপ) বাংলাদেশের ৪৫ জন নেতা-কর্মী জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন।

আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। 

এনসিপিতে যোগ দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদ্য সাবেক সভাপতি রিফাত রশিদ, এবি পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানি আবদুল হক, ইউপি বাংলাদেশের সভাপতি আলী হাসান জুনায়েদ ও মুখপাত্র শেহরিন সুলতানা ইরা।

‘জুলাইয়ে আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে এক হয়েছিলাম। সেই আকাঙ্ক্ষা থেকেই এখন আবার তরুণদের শক্তি একত্রিত হচ্ছে,’ বলেন এনসিপির আহ্বায়ক। 

‘বিকেলের মধ্যেই নতুন সদস্যদের দায়িত্ব বণ্টন করা হবে,’ বলেন নাহিদ।

তিনি আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক নির্বাচনে গণভোট ও জনগণের রায় উপেক্ষা করা হয়েছে। দেশে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ছে। দেশে এখন একটি বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির প্রয়োজন। গণঅভ্যুত্থানের সময় শুরু হওয়া বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের আন্দোলনকে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে নিতে হবে।’

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘কে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র অধিকার পরিষদ এমনকি ছাত্রলীগ থেকে এনসিপিতে এলো, সেটি আমাদের জন্য মূল বিষয় নয়। তারা এনসিপির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সংগঠক ও কর্মী হিসেবে কাজ করবে।’

৩ সিনেমায় ৩ রকম চরিত্রে বিদ্যা সিনহা মিম

বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘আমার আছে জল’। পরিচালনা করেন হুমায়ুন আহমেদ। ‘জোনাকির আলো’ সিনেমায় অভিনয় করে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। এরপর তার ক্যারিয়ারে শুধুই সাফল্যের গল্প। 

অসংখ্য নাটক, সিনেমা ও ওয়েব ফিল্ম/সিরিজে অভিনয় করেছেন মিম । কলকাতার সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন এই নন্দিত তারকা। 

 

লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

মিম এখন নতুন সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত। আরও একটি সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন। সম্প্রতি একটি ওয়েব ফিল্মের কাজও শেষ হয়েছে। সব মিলিয়ে তিনটি নতুন সিনেমা আসছে তার।

কিছুদিন আগে কুয়াকাটায় শুটিং করেছেন মিম। কাজী আজাদ পরিচালিত ‘লাইফ লাইন’ নামের ওয়েব ফিল্মে মিমকে দেখা যাবে নতুন একটি চরিত্রে এবং নতুন গল্পে।

 

‘লাইফ লাইন’ ওয়েব ফিল্মটি মিম অভিনীত চরিত্রের জীবনের নানা ঘটনাকে ঘিরে নির্মিত হয়েছে। 

মিম বলেন, ‘লাইফ লাইন ওয়েব ফিল্মের শুটিং করেছি কুয়াকাটায়। মনোরম লোকেশনে কাজ করেছি। অনেক নতুন নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে। খুব ভালো একটি কাজ হয়েছে। সামনেই মুক্তি পাবে এটি।’

‘লাইফ লাইন মূলত একটি নারীর জীবনযাপনের গল্প। সিনেমায় একজন মেয়ের জার্নি দেখানো হয়েছে। অভিনয় ভিত্তিক সিনেমা এটা। এতে আমার অভিনয় দক্ষতা দেখানোর সুযোগ পেয়েছি’, জানান মিম। 

দর্শকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এই ওয়েব ফিল্মটি দর্শকদের ভালো লাগবে। নতুন কাজগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দর্শকরা আমাকে দেখবেন।’

কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল চরিত্রটি? এই প্রশ্নের জবাবে মিম বলেন, ‘চ্যালেঞ্জিং তো ছিলই। আউটডোরে শুটিং করেছি। অন্যরকম একটি সিনেমা। চরের দিকে কাজ হয়েছে। কষ্ট ও ভালো লাগা—দুটোই ছিল। অভিনয় এঞ্জয় করি বলেই তো কাজ করি।’

এদিকে, ‘জীবন অপেরা’ নামে নতুন একটি সিনেমার শুটিং শুরু করেছেন মিম। পরিচালনা করছেন আলভী আহমেদ।

‘জীবন অপেরা’ সম্পর্কে মিম বলেন, ‘গল্পটা ইন্টারেস্টিং। যখন মুক্তি পাবে তখন দর্শকরা সবকিছু জানতে পারবেন। এখন কাজটা করছি। এটুকু বলতে পারি, খুব ভালো একটি সিনেমা হতে যাচ্ছে। দর্শকদের ভালো লাগবে।’

সম্প্রতি সাইফ চন্দন পরিচালিত ‘মালিক’ সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন সাবেক লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার বিদ্যা সিনহা মিম। 

 

ওই সিনেমায় প্রায় চার বছর বিরতির পর মিম ও আরিফিন শুভ জুটি হয়েছেন। এর সর্বশেষ ‘সাপলুডু’ সিনেমায় তারা জুটি হয়েছিলেন।

মিম বলেন, ‘দর্শকরা আমাকে ও আরিফিন শুভকে অনেক দিন পর একসঙ্গে দেখতে পারবেন। কাজটি ভালো হয়েছে।’

মিমের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। এই প্রতিযোগিতায় তিনি সেরা হয়েছিলেন।

মিম বলেন, ‘আজকে আমার যত পরিচিতি, তা ওই প্রতিযোগিতা দিয়েই। এটা তো বলার অপেক্ষা রাখে না।’