27 C
Dhaka
Home Blog

সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে পরিচালক মাতিয়া বানু শুকুর পরিবার

গুণী পরিচালক ও নাট্যকার মাতিয়া বানু শুকু। তার নির্মিত বহু নাটক দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। নাট্যকার হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেছেন। 

‘লাল মোরগের ঝুটি’ সিনেমার প্রযোজক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

তার স্বামী আরেক গুণী নির্মাতা নুরুল আলম আতিক।

বর্তমানে ভালো নেই পরিচালক মাতিয়া বানু শুকু। ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন আরও আগে। কিন্তু ব্যয়বহুল এই চিকিৎসার খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। সেজন্য সরকারের সহযোগিতা চাইছে পরিবার। 

এই বিষয়ে দ্য ডেইলি স্টারের সাথে কথা বলেন নুরুল আলম আতিক।

নুরুল আলম আতিক বলেন, ‘আসলে আমরা যারা নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণ করি তাদের তো কোনো পেনশন নেই। কাজটাই আসল আমাদের কাছে। হঠাৎ করে কেউ ক্যানসারে আক্রান্ত হলে পরিবারের বাকি সদস্যদের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে যায়। আমাদের ওপর দিয়েও যাচ্ছে।’

‘বন্ধুদের সহযোগিতা পেয়েছি। কাছের মানুষদের সহযোগিতা পেয়েছি। আমার স্ত্রী মাতিয়া বানু শুকুর অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী আছেন। সকলে আশীর্বাদ করবেন। সে যেন সুস্থ হয়ে যায়’, বলেন তিনি। 

সরকারের সহযোগিতার বিষয়ে নুরুল আলম আতিক বলেন, ‘আমরা শিল্পী মানুষ। দুজনই নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত। মাঝে শুকুকে চেন্নাই নিয়ে গেছি। অনেক টাকা খরচ হয়েছে। এই চিকিৎসা অনেক দিন করতে হবে। সেজন্য সরকারের সহযোগিতা চাইছি। সরকার পাশে দাঁড়ালে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। আশা করছি সরকার পাশে দাঁড়াবে।’

আবারও চেন্নাই নিতে হবে কিনা— এ প্রশ্নের জবাবে নুরুল আলম আতিক বলেন, ‘নিতে হবে। ২৩ এপ্রিল অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া আছে। কিছু কাগজ ঠিক করতে হচ্ছে। তাছাড়া অর্থের বিষয়টি তো আছেই।’

৮ মাস আগে মাতিয়া বানু শুকুর ক্যানসা ধরা পড়ে। এরপর তাকে চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বেশ কিছুদিন ছিলেন। কেমো দেওয়া হয়েছে এবং থেরাপিও দেওয়া হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে একটি করে কেমো দিতে হয়েছে। এছাড়া ২১ দিন পর পর থেরাপি দেওয়া হয়েছে।
নুরুল আলম আতিক বলেন, ‘গত সপ্তাহে কেমো দেওয়া হয়েছে। কিছু পরীক্ষা করাতে হবে।’

সবশেষে তিনি বলেন, ‘মানুষের কাছে শুকুর জন্য দোয়া চাই। ভালোবাসা চাই। সবার ভালোবাসায় যেন সবকিছু ঠিক হয়ে যায়।’

উল্লেখ্য, মাতিয়া বানু শুকু পরিচালিত আলোচিত ধারাবাহিকগুলো হচ্ছে— গোল্লাছুট, টু লেট, একটা কিনলে আরেকটা ফ্রি।

তিনি ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিনের মেয়ে।

ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ নিহত: আইএলএনএ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ নিহত হয়েছেন।

আজ রোববার ইরানের আধা-সরকারি ইরানি লেবার নিউজ এজেন্সির (আইএলএনএ) বরাতে এ তথ্য জানায় ডেইলি সাবাহ। আইএলএনএ মূলত ইরানের শ্রমিক সংগঠন, কর্মসংস্থান, সামাজিক বিষয় ও শ্রম অধিকার–সংক্রান্ত খবর প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার তেহরানে নিজ বাসভবনে বিমান হামলায় নিহত মাহমুদ আহমেদিনেজাদ। এ হামলায় তার দেহরক্ষীও নিহত হন।

২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত আট বছরের শাসনামলে শুরুতে আহমেদিনেজাদ শাসক শিয়া ধর্মীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি পার্লামেন্টের কট্টরপন্থি ও রক্ষণশীলদের পূর্ণ সমর্থন পান। কিন্তু মেয়াদের শেষ দিকে তার নীতি ও সিদ্ধান্ত নিয়ে সংশয় বাড়তে থাকে। বিশেষ করে তার পারমাণবিক কর্মসূচিকে ঘিরে দেশের ওপর একের পর এক আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আসে। এর প্রভাব পড়ে ইরানের অর্থনীতিতে।

আহমাদিনেজাদ ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে তাদের নীতির কঠোর সমালোচক ছিলেন। তার প্রেসিডেন্ট থাকার সময়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সামরিক হুমকির জেরে ইরান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রমেই একঘরে হয়ে পড়ে।

তবে মেয়াদের শেষদিকে তার সমর্থকেরা ধীরে ধীরে সরে যেতে থাকেন। কট্টরপন্থিরাও তাকে বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে দেখতে শুরু করেন।
 

এবার ৯ সচিবের চুক্তি বাতিল করল সরকার

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া নয়জন সচিব ও সিনিয়র সচিবের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করেছে সরকার। 

আজ সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

চুক্তি বাতিল করা সচিবেরা হলেন—স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মো. সাইদুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের শীষ হায়দার চৌধুরী ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) ড. কাইয়ুম আরা বেগম।

সিনিয়র সচিবরা হলেন—জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক সিদ্দিক জোবায়ের, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউসুফ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মমতাজ আহমেদ, বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক বেগম শরিফা খান এবং পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য মো. মোখলেস উর রহমান ও এম এ আকমল হোসেন আজাদ।

এর আগে আজ পৃথক তিনটি আদেশে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগ এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিবকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয় সরকার।

ফুটবল ক্যাপিটালিজম: ৯০ মিনিটের খেলা যখন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা

এক সময় ফুটবলকে বলা হতো ‘গরিব মানুষের খেলা’। একটি বল, একটি খোলা মাঠ আর কয়েকজন খেলোয়াড় থাকলেই খেলা শুরু হয়ে যেত। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীতে এসে সেই ফুটবলই বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিনোদন শিল্পগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। আজ ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়; এটি একটি বৈশ্বিক অর্থনীতি, যেখানে আবেগ, বিনোদন, ব্যবসা এবং পুঁজির স্বার্থ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।

বিশ্বকাপ, মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা বড় ক্লাব টুর্নামেন্টগুলোকে যদি আমরা শুধু খেলাধুলার দৃষ্টিতে দেখি, তাহলে ছবির একটি অংশই দেখা হবে। এর পেছনে রয়েছে টেলিভিশন সম্প্রচার স্বত্ব, ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, বহুজাতিক স্পন্সর, ক্রীড়া সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, পর্যটন শিল্প, টিকিট বিক্রি, মার্চেন্ডাইজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, গেমিং, বেটিং মার্কেট এবং অসংখ্য বাণিজ্যিক চুক্তি। সব মিলিয়ে ফুটবল এখন এমন একটি শিল্প, যেখানে প্রতি বছর শত শত বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হয়।

এই বিশাল অর্থনীতির সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ কী? স্টেডিয়াম নয়, ট্রফিও নয়। সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো মানুষের মনোযোগ।

আজকের পৃথিবীতে মনোযোগই নতুন মুদ্রা। কোটি কোটি মানুষ যদি একটি ম্যাচ একসঙ্গে দেখে, তাহলে সেই ম্যাচের বিজ্ঞাপনের মূল্য বেড়ে যায়। সম্প্রচার স্বত্বের দাম বাড়ে। স্পন্সররা আরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনগেজমেন্ট বাড়ে। ফলে ফুটবলে সবচেয়ে বড় সম্পদ হয়ে ওঠে সেই ব্যক্তি, যিনি কোটি মানুষের মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন।

সেই কারণেই কিছু ফুটবলার কেবল খেলোয়াড় নন; তারা একেকটি বৈশ্বিক ব্র্যান্ড। তাদের নাম শুনেই টিকিট বিক্রি হয়, জার্সি বিক্রি হয়, স্টেডিয়াম পূর্ণ হয়, টেলিভিশনের দর্শকসংখ্যা বাড়ে এবং স্পন্সরদের বিনিয়োগের যৌক্তিকতা আরও শক্তিশালী হয়। একজন সুপারস্টারের উপস্থিতি কখনো কখনো একটি পুরো টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক মূল্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে।

অর্থনীতিবিদরা এই বাস্তবতাকে অনেক সময় ‘স্টার ইকোনমি’ বলে ব্যাখ্যা করেন। অর্থাৎ এমন একটি বাজার, যেখানে একজন ব্যক্তির জনপ্রিয়তা পুরো শিল্পের আয় বাড়িয়ে দেয়। ফুটবলে এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট, কারণ এখানে আবেগ এবং ব্যবসা একসঙ্গে কাজ করে।

এখান থেকেই ‘ফুটবল ক্যাপিটালিজম’ ধারণার জন্ম। এই ধারণা বলে, আধুনিক ফুটবলের প্রতিটি বড় সিদ্ধান্তের পেছনে কেবল খেলাধুলার যুক্তি নয়, অর্থনৈতিক বাস্তবতাও কাজ করে। কোন শহরে টুর্নামেন্ট হবে, কোন সময়ে ম্যাচ হবে, কোন ব্র্যান্ড স্পন্সর হবে, কোন সম্প্রচার সংস্থা স্বত্ব পাবে, এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোন বিষয়টি বেশি প্রচার পাবে—এসবের পেছনেও অর্থনৈতিক হিসাব থাকে।

অবশ্য এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার। বড় তারকাদের উপস্থিতি বাণিজ্যিকভাবে মূল্যবান হওয়া আর কোনো নির্দিষ্ট ম্যাচে তাদের সুবিধা দিতে ইচ্ছাকৃতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া—এই দুটি বিষয় এক নয়। প্রথমটি একটি স্বীকৃত অর্থনৈতিক বাস্তবতা; দ্বিতীয়টি প্রমাণের বিষয়। তাই কোনো নির্দিষ্ট ম্যাচের রেফারিং বা সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ তুলতে হলে তার পক্ষে শক্ত প্রমাণ থাকা জরুরি।

তবুও কেন বিতর্কের পর মানুষ ‘ফুটবল ক্যাপিটালিজম’ নিয়ে কথা বলে? কারণ মানুষ বুঝতে শিখেছে যে আধুনিক খেলাধুলা আর সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন কোনো জগৎ নয়। করপোরেট বিনিয়োগ, ব্র্যান্ড ভ্যালু এবং বৈশ্বিক বাজার এখন ফুটবলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ফলে যখনই বড় কোনো বিতর্কিত সিদ্ধান্ত হয়, অনেক সমর্থকের মনে প্রশ্ন জাগে—এটি কি শুধুই মানবিক ভুল, নাকি এর সঙ্গে বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্বার্থও কোনোভাবে জড়িত?

এই প্রশ্নের উত্তর সব সময় সহজ নয়। তবে ইতিহাস বলে, ক্রীড়া জগতেও অর্থনৈতিক স্বার্থ বহু সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছে। সম্প্রচারের সুবিধার জন্য ম্যাচের সময় পরিবর্তন, নতুন টুর্নামেন্টের সূচনা, ক্লাব বিশ্বকাপের সম্প্রসারণ, প্রাক-মৌসুম সফরের গন্তব্য নির্বাচন কিংবা খেলোয়াড়দের বিপণন কৌশল—এসব ক্ষেত্রেই অর্থনৈতিক বিবেচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাই ফুটবলকে বুঝতে হলে শুধু মাঠের খেলা নয়, মাঠের বাইরের ব্যবসায়িক কাঠামোটিও বুঝতে হয়।

আধুনিক ফুটবলে একটি গোল যেমন স্কোরবোর্ড বদলে দেয়, তেমনি একটি সুপারস্টারের উপস্থিতি বদলে দিতে পারে সম্প্রচারের রেটিং, বিজ্ঞাপনের আয় এবং স্পন্সরদের বিনিয়োগের হিসাব। এখানেই ফুটবল ক্যাপিটালিজমের মূল দর্শন—খেলাটি আবেগ দিয়ে বেঁচে থাকে, কিন্তু সেই আবেগকে ঘিরেই গড়ে ওঠে বিশাল অর্থনীতি।

তাই আজ ফুটবল বিশ্লেষণ করতে গেলে শুধু ট্যাকটিকস, অফসাইড বা পেনাল্টির নিয়ম জানাই যথেষ্ট নয়। বুঝতে হয় ব্র্যান্ড ভ্যালু, মিডিয়া ইকোনমি, করপোরেট বিনিয়োগ এবং বৈশ্বিক পুঁজির গতিপ্রকৃতিও। কারণ আধুনিক ফুটবলে খেলা হয় দুটি মাঠে—একটি ঘাসের ওপর, আরেকটি অর্থনীতির বিশাল অঙ্গনে। প্রথম মাঠে জয়-পরাজয় নির্ধারণ করে খেলোয়াড়রা; দ্বিতীয় মাঠে প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতা চলে দর্শকের মনোযোগ, বাজারের অংশীদারত্ব এবং বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যিক মূল্য ধরে রাখার।

মো. আব্বাস বর্তমানে কাজ করছেন করপোরেট কমিউনিকেশন্সে।
ইমেইল: [email protected]

লিটনকে নিয়ে ওয়ানডে সিরিজের দল ঘোষণা

জিম্বাবুয়ে সফরের টেস্ট স্কোয়াড থেকে ছিটকে গেলেও ওয়ানডে সিরিজে লিটন দাসকে সহ দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। সদ্য শেষ হওয়া অস্ট্রেলিয়া সিরিজ জয়ী স্কোয়াডের সবাই থাকছেন জিম্বাবুয়ে সিরিজেও। 

অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের কনকাশন বদলি হিসেবে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের শেষ ম্যাচে মাঠে নামা শেখ মেহেদী হাসানের জায়গা হয়নি ওয়ানডে দলে। 

জুলাইয়ের ৬, ৯ ও ১১ তারিখ হারারে স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ওয়ানডে। 

বাংলাদেশ স্কোয়াড: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত (সহ-অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, লিটন দাস, নূরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম, নাহিদ রানা। 

মার্চ পর্যন্ত খেলাপি ঋণ বেড়ে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা

দুর্বল ঋণ আদায় ও সুশাসনের অভাবের মধ্যে ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাস পর ব্যাংকখাতে খেলাপি ঋণ মোট ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের শেষে মোট শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। গত ডিসেম্বরে এই পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৭ কোটি টাকা। সে হিসাবে এই তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা।

সবমিলিয়ে ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ নীতিগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ব্যাপক পরিমাণ ঋণ পুনঃতফসিলের ফলে গত বছরের শেষে খেলাপি ঋণের হার ৩৬ শতাংশ থেকে কমে প্রায় ৩১ শতাংশে নেমে এসেছিল।

দুই বছরেই ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালু হবে: আফরোজা খানম

আগামী দুই বছরের মধ্যে ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালু করতে প্রয়োজনীয় সবকিছু করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।  

আজ বুধবার ঠাকুরগাঁওয়ে পরিদর্শন শেষে বিমানবন্দর এলাকায় এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সংসদ সদস্য ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। 

বিমানবন্দর চালু প্রসঙ্গে আফরোজা খানম বলেন, ‘আপনাদের ধৈর্য্য ধরতে হবে। একটু সময় লাগবে। এমনভাবে করতে চাই না যে দুদিন পর বন্ধ হয়ে যায়। আমরা স্থায়ী বন্দোবন্ত করতে চাই।’

‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে ওয়াদা করে গেলাম সেটা যাতে রক্ষা করতে পারি। এই বিশ্বাসটুকু রাখেন, যত কম সময়ের মধ্যে চালু করা সম্ভব, সেজন্য আমরা রাতদিন পরিশ্রম করব,’ বলেন বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর আগামী দুই বছরের মধ্যে চালু হবে। আমরা ঠাকুরগাঁও থেকে বিমানে চড়ে ঢাকা যাব।’

জামায়াতের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘একটা দল আছে, যারা ধর্মের নামে রাজনীতি করে। জামায়াতকে কখনোই এ দেশের জনগণ ক্ষমতায় আনবে না। কারণ তারা আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছে, মা-বোনদের সম্ভ্রম বিনষ্ট করেছে।’

জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিনের সভাপতিত্বে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ঠাকুরগাও-২ ও ঠাকুরগাও-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম ও মো. জাহিদুর রহমান জাহিদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

 

আগামী সপ্তাহে মুক্তি পাচ্ছে ‘মাইকেল’

আগামী ২৪ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাচ্ছে মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’। একই দিনে বাংলাদেশেও সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

স্টার সিনেপ্লেক্স তাদের ফেসবুক পেজে ‘কামিং সুন’ লিখে একটি প্রচারণামূলক পোস্ট দিয়েছে। 

 

প্রয়াত মার্কিন পপ তারকা মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’। 

পপ সঙ্গীতের অবিসংবাদিত রাজা বা ‘কিং অব পপ’ মাইকেলের জীবনকে ঘিরে নির্মিত এই সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন জ্যাকসন পরিবারেরই এক সদস্য। তার নাম জাফর জ্যাকসন।

মাইকেল জ্যাকসনের আলোচিত গান ‘বিট ইট’-এর মিউজিক ভিডিও থেকে মাইকেলের লুক বেছে নেওয়া হয়েছে। সিনেমাবোদ্ধাদের অনেকেই বলছেন, মেকআপ-গেটআপে হুবহু মাইকেলের মতোই দেখিয়েছে জাফরকে।

ইতোমধ্যে সিনেমাটির টিজার ও ট্রেলার প্রকাশ পেয়েছে। উভয়ই বিশ্বজুড়ে আলোচিত। অধীর আগ্রহে মাইকেলের ভক্ত-শ্রোতারা এই সিনেমা দেখার অপেক্ষায় আছেন। 

মাইকেলের অকাল প্রয়াণের পর ১৬ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। তবুও পপসম্রাটের জীবন নিয়ে মানুষের কৌতূহল কম নয়। 

উপস্থাপনায় ভিন্নতা, গানের সঙ্গে মনোমুগ্ধকর পারফরম্যান্স, ব্যক্তিগত আদর্শ এবং আলোচিত-সমালোচিত নানা চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কারণে বিশ্বজুড়ে তুমুল আলোড়ন তৈরি করেছিলেন মাইকেল জ্যাকসন।

বিংশ শতাব্দীর সংগীত জগতের অন্যতম এই কিংবদন্তির জীবনপ্রদীপ নিভে যায় মাত্র ৫০ বছর বয়সে। 

মাইকেলের বায়োপিক পরিচালনা করছেন অ্যান্টনি ফুকো। এই বায়োপিকে তুলে ধরা হবে মাইকেল জ্যাকসনের অজানা অনেক গল্প।

ইরানে এক দিনে ১২০০ বোমা ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধ থেকে চলমান আগ্রাসনে বড় একটি পার্থক্য হলো, এবার যুদ্ধের প্রথম দিন থেকেই ইরানের আকাশে আধিপত্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। আর এ কাজে তাদেরকে সমর্থন যুগিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

আজ রোববার ইসরায়েলি গণমাধ্যম জেরুসালেম পোস্টের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

যুদ্ধের এক দিনে পার হতে না হতেই দুই দেশের বিমানবাহিনী সম্মিলিতভাবে ইরানের মাটিতে এক হাজার ২০০ বোমা ফেলেছে। যার ফলে, ‘আকাশপথে আধিপত্য’ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে ইসরায়েল। 

যুদ্ধের শুরুতেই আকাশপথ দখলে নেওয়ায় খুব সহজেই ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালাতে পারবে যৌথ বাহিনী। এমন মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। 

এমন এক ভবন হলো থারাল্লাহ সদরদপ্তর। গত দুই মাসে ওই ভবনে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মানুষদের আটক রেখে নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 
২০২৫ সালের জুনের সর্বশেষ যুদ্ধে এ ধরনের আধিপত্য বিস্তার করতে হিমশিম খায় ইসরায়েলি বাহিনী। তবে ওই যুদ্ধে ইরানের আকাশ হামলা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এতোটাই ক্ষতির শিকার হয়েছিল যে সে পরিস্থিতি থেকে তারা এখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। 

এবার খুব অনায়াসেই ইরানের আকাশ সীমায় ঢুকে পড়তে পেরেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি নিয়েই হামলা শুরু করেছে দুই দেশ। বিশেষত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত কয়েকমাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যে রণতরি ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন অব্যাহত রেখেছিলেন।  

রোববার স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ১০টায় দুই দেশের বিমানবাহিনী তেহরানের সরকারি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে। 

এসব হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা নিহত হয়েছেন। 

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) নিশ্চিত করেছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর ওপর এক হাজার ২০০ বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছে। 

এর আগে, শনিবার রাতে আইডিএফ জানিয়েছিল ২০০টি যুদ্ধবিমান ৫০০ লক্ষ্যে আঘাত হেনেছে। এটাই ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিমানহামলার ঘটনা। 

প্রথম দুই দফা হামলার একটি ভিডিও প্রকাশ করে আইডিএফ। 

প্রথম দফার হামলায় অসংখ্য রাডার ও বিমানবিধ্বংসী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়। 

দ্বিতীয় দফায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়। 

তাবরিজ এলাকায় আইডিএফ এমন একটি অবস্থানে হামলা চালায়, যেখান থেকে গত বছরের যুদ্ধের সময় ইরান ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে অসংখ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। 

আকাশপথে আধিপত্য বিস্তারের আরেকটি লক্ষ্য হলো ইরানের ড্রোন ও অন্যান্য আকাশযান যাতে দেশটির আকাশসীমা পেরিয়ে ইসরায়েলের দিকে না আগাতে পারে, তা নিশ্চিত করা। 

গতবারের অভিজ্ঞতা বলছে, ইরানের ড্রোন ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারের ব্যাপক ক্ষতি করতে সক্ষম। 

আইডিএফ আরও জানায়, তারা এরপর আরও বেশ কয়েক দফা হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল যথারীতি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা ও আকাশ হামলা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। 

ইরানের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত কোম এলাকার একটি স্থাপনায় বিমানহামলা চালায় ইসরায়েল। 

ওই স্থাপনায় হাজারো কেজি বিস্ফোরক রাখা ছিল। এই স্থাপনা ধ্বংসের ফলে ইসরায়েল অসংখ্য সম্ভাব্য হামলার হাত থেকে বেঁচে গেছে বলে বিশ্লেষকরা মত দেন। 

রোববার সকালে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, তারা ইরানে অন্তত ৯০০ লক্ষ্যবস্তুর ওপর হামলা চালিয়েছে।

 

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া।

আজ রবিবার সকাল ১১টায় সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এর আগে আজ সকাল ৯টা ৫ মিনিটে দাপ্তরিক কাজ শুরু করতে সচিবালয়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) সূত্রে জানা গেছে, আজ প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এসব বৈঠকে নীতি নির্ধারণী অগ্রাধিকার, প্রশাসনিক বিষয় এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।