রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় এক পুলিশ সদস্যকে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে বিক্ষুব্ধ জনতার বিরুদ্ধে। এ সময় তারা বেলপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অবরুদ্ধ করে রাখেন।
আজ সোমবার দুপুরে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র গাজিউর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলার পল্লাপুকুর এলাকায় রাজশাহী-নাটোর মহাসড়কে গতকাল সন্ধ্যায় একটি বাস একটি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী নিহত হন। আহত হন আরও অন্তত সাতজন। পরবর্তীতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক পুরুষ ও এক নারীর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর নিহত শিক্ষার্থীর সহপাঠী ও স্থানীয় বাসিন্দারা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
তাদের অভিযোগ, পুলিশ বাসচালককে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে।
সূত্র জানিয়েছে, বেলপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশের একটি দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিক্ষোভকারীরা তাদের প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় তারা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে গালাগাল দেন এবং একজন উপপরিদর্শককে (এসআই) কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখেন।
গাজিউর রহমান বলেন, পুলিশ পৌঁছানোর আগেই চালক পালিয়ে যান। দুর্ঘটনার পরপরই তারা একটি ফিলিং স্টেশনে বাস রেখে গেছেন।
‘একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ায় পুলিশ জনতার মধ্যে আটকে পড়ে,’ বলেন তিনি।
গাজিউর রহমান আরও বলেন, ‘প্রায় এক ঘণ্টা পর পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করা হয়।’
‘ইতোমধ্যে বাসটি জব্দ করা হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। চালককে আটকের চেষ্টা চলছে,’ বলেন তিনি।
