নিখোঁজের সাত দিন পর লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে ফজলে রাব্বী (২২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের চন্দ্রপ্রভাবাঘ গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই বাড়িটি একজন প্রবাসীর। যে কারণে বাড়িটি ফাঁকা পড়ে ছিল।
মরদেহ উদ্ধারের সময় ওই যুবকের হাত-পা বাঁধা ছিল। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা মো. সাহেদ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া, রাব্বীর ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ফেরত দিতে এলে এদিন সন্ধ্যায় পুলিশ আরও একজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে পুলিশ তার পরিচয় জানায়নি।
লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবু তারেক দ্য ডেইলি স্টারকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সাহেদকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রাব্বী একই উপজেলার হাজীরপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব আলাদাদপুর গ্রামের বেল্লাল হোসেনের ছেলে।
গত ১৬ জানুয়ারি তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজে না পেয়ে ১৮ জানুয়ারি বেল্লাল চন্দ্রগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোর্শেদ আলম ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন, রাব্বী চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন।
‘সেপটিক ট্যাংক থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যায় স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় জানায়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্বজনরা রাব্বীর মরদেহ শনাক্ত করেছেন,’ বলেন তিনি।
রাব্বীর চাচা মো. সোহরাওয়ার্দী জানিয়েছেন, এটি তার ভাতিজার মরদেহ।
নিহত যুবকের আরেক চাচা ও হাজীরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সামছুল আলম ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘কিছু মাদকাসক্ত লোক আমার ভাতিজা ফজলে রাব্বীকে হত্যা করেছে।’
যোগাযোগ করা হলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
