ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইশতেহার প্রকাশ করেছেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা।
আজ শনিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার নিজের ভেরিফায়েড পেজে এই ইশতেহার প্রকাশ করেন।
এতে তিনি গ্যাস সংকটের সমাধান, সড়ক সংস্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসন; চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা; মাদক রোধ; স্কুলের ভর্তি বাণিজ্য বন্ধ; উদ্যোক্তাদের জন্য সিডিং ফান্ডের ব্যবস্থা এবং সংসদ সদস্যের জবাবদিহিতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
তাসনিম জারা লিখেছেন, ‘ঢাকা-৯ এই শহরের প্রাণ, অথচ আমাদের সাথেই বিমাতাসুলভ আচরণ করা হয়। আমরা গুলশান-বনানীর সমান ট্যাক্স দেই, সমান বিল দেই, কিন্তু সেবা পাই তৃতীয় শ্রেণির। ভোটের সময় নেতারা আসেন, ভোট নেন, তারপর উধাও হয়ে যান। রাষ্ট্র আমাদের এটিএম মেশিন ভাবেন। টাকা নেওয়ার সময় আছেন, সেবা দেওয়ার সময় নেই।’
‘আমি পেশাদার রাজনীতিবিদ নই, আমি এই এলাকার মেয়ে। আমার কথা পরিষ্কার: ঢাকা ৯-কে অবহেলার দিন শেষ। আমরা সমান ট্যাক্স দেই, আমাদের অধিকারও সমান। আমাদের ন্যায্য পাওনা এবার আমরা বুঝে নিবো,’ উল্লেখ করেছেন তিনি।
গ্যাস সংকট, বেহাল সড়ক ও জলাবদ্ধতা সমস্যার কথা উল্লেখ করে জারা বলেন, ‘প্রতি মাসে আমরা গ্যাসের জন্য বিল দিচ্ছি। কিন্তু চুলা জ্বালালে কী বের হয়? বাতাস। গ্যাস নেই, কিন্তু বিল ঠিকই দিতে হচ্ছে। এটা এক ধরনের প্রতারণা। এর সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে আমাদের জিম্মি করে ফেলে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য অব্যবস্থাপনা। যত্রতত্র ময়লা ফেলার কারণে বাসার পাশে ও রাস্তায় দুর্গন্ধে টেকা দায়। রাস্তাগুলো বছরের পর বছর ভাঙ্গাচোরা বা কাজ চলমান অবস্থায় পড়ে থাকে।’
এসব সংকট সমাধানে পাঁচ দফা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘সংসদে আমার প্রথম কাজ হবে “সেবা না দিলে বিল নেই” (নো সার্ভিস, নো বিল) নীতির জন্য খসড়া আইন প্রস্তাব করা এবং চাপ সৃষ্টি করা। তিতাস যদি গ্যাস দিতে না পারে, তারা টাকা নিতে পারবে না। গ্যাস না থাকলে মাসিক বিল মওকুফ করার প্রস্তাব থাকবে এই বিলে।’
সিন্ডিকেট ভাঙার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘পাইপলাইন গ্যাসের ব্যর্থতার দায় নিয়ে সরকারকে এই এলাকায় ভর্তুকি মূল্যে বা ন্যায্য দামে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাধ্য করব। সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনকে চাপ দেবো।’
‘ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং বর্ষার আগেই খাল ও নর্দমা পরিষ্কার নিশ্চিত করতে আমি ওয়াসা ও সিটি করপোরেশনের ওপর কঠোর নজরদারি রাখব; ঘরের সামনে বা রাস্তায় ময়লার স্তূপ জমতে দেওয়া হবে না। আধুনিক বর্জ্য অপসারণ (সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন) ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ও এলাকার পার্কগুলোতে হাঁটার পরিবেশ উন্নত করতে সিটি করপোরেশন ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয়ে কাজ করব।’
তিনি আরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ‘রাস্তা খুঁড়ে ফেলে রাখা চলবে না। ওয়াসা বা সিটি করপোরেশন, যে-ই রাস্তা কাটবে, কাজ শেষ করার নির্দিষ্ট ‘ডেডলাইন’ থাকবে। ডেডলাইন মিস করলে ঠিকাদারকে জরিমানা গুনতে হবে।’
চিকিৎসায় অবহেলা আর মানব না উল্লেখ করে জারা বলেন, ‘ঢাকা-৯ এলাকায় আমরা ৭-৮ লাখ মানুষ বাস করি, অথচ আমাদের জন্য বড় হাসপাতাল মাত্র একটি, মুগদা মেডিকেল। এটা একটা নিষ্ঠুর কৌতুক। ৫০০ বেডের এই হাসপাতালে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ডাক্তার-নার্সরা অমানবিক চাপে কাজ করছেন, আর রোগীরা সেবা না পেয়ে ধুঁকছেন। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো ডেঙ্গু। প্রতি বছর বর্ষা এলেই লোক দেখানো মশার ওষুধ ছিটানো হয়, অথচ আমাদের প্রিয়জনরা মারা যায়।’
‘একজন ডাক্তারের হাতেই সমাধান হবে ঢাকা-৯ এর স্বাস্থ্য সমস্যা। আমি একজন ডাক্তার। আমার দেশ-বিদেশে কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে আমি এই সমস্যা সমাধানে কাজ করব,’ যোগ করেন তিনি।
সমাধানের চারটি পথ উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, মুগদা হাসপাতালে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি সচল রাখতে আমি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করব এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহিতার আওতায় আনব। এটি যেন একটি আদর্শ সেবাকেন্দ্র হয়, সেই উদ্যোগ আমি নেব।
কমিউনিটি ক্লিনিক হবে ‘মিনি-হাসপাতাল’ উল্লেখ করেছেন জারা। তিনি বলেছেন, ‘পাড়ার ক্লিনিকগুলোকে আধুনিকায়নে বিশেষ বরাদ্দ আনার উদ্যোগ নেব, যাতে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বড় হাসপাতালে ছুটতে না হয়।’
‘বৃষ্টি আসার পর ওষুধ ছিটিয়ে লাভ নেই। আমরা একটি “স্থায়ী মশা নিধন স্কোয়াড” গঠন করব, যারা সারা বছর ড্রেন পরিষ্কার ও লার্ভা নিধনের কাজ করবে। ডেঙ্গু মৌসুম আসার আগেই আমরা মশা মারব।’
অন্তঃসত্ত্বা নারীদের নিয়মিত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা এবং হাসপাতাল ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারী-বান্ধব টয়লেট ও ব্রেস্টফিডিং নিশ্চিত করতে কাজ করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
তাসনিম জারা উল্লেখ করেছেন, ‘আমাদের এলাকার রাস্তাঘাট এখন সাধারণ মানুষের নেই, চলে গেছে মাদক সিন্ডিকেটের দখলে। সন্ধ্যার পর খিলগাঁও বা বাসাবোর অলিগলি দিয়ে মা-বোনেরা হাঁটতে ভয় পান। যে শহর নারীকে নিরাপত্তা দিতে পারে না, সে শহর উন্নত হতে পারে না। আমরা ট্যাক্স দিই রাস্তার বাতির জন্য, আর সেই বাতি নষ্ট থাকে যাতে অপরাধীরা অন্ধকারে রাজত্ব করতে পারে।’
ইশতেহারে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘স্কুল, কলেজ এবং গার্মেন্টসের রাস্তায় আমি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সিসি ক্যামেরা এবং উচ্চ-ক্ষমতার ল্যাম্পপোস্ট বসাব। অন্ধকার রাস্তা মানেই অপরাধের আখড়া। আমি ঢাকা-৯ এর কোনো কোণা অন্ধকার থাকতে দেবো না।’
‘মাদকাসক্তদের আমরা ঘৃণা করব না, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করব। কিন্তু যারা মাদক ব্যবসা করে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে, তাদের আমরা এক বিন্দু ছাড় দেবো না। প্রশাসনকে সাথে নিয়ে এলাকা মাদক-ব্যবসায়ী মুক্ত করব,’ যোগ করেন তিনি।
নারীবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা নিয়েও তার পরিকল্পনা উল্লেখ করেছে জারা। তিনি বলেছেন, ‘বাসে নারীদের সিট পাওয়া যুদ্ধজয়ের মতো। আমি পরিবহন মালিক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের সাথে বসে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করব।’
‘অপরিকল্পিত কারিকুলাম আর ঘন ঘন নীতি পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের “গিনিপিগ” বানিয়ে ফেলেছে। তার ওপর আছে স্কুলের “ভর্তি বাণিজ্য”। টাকা বা সুপারিশ ছাড়া ভালো স্কুলে ভর্তি হওয়া যায় না। এই দুর্নীতি আমাদের মেধাবী সন্তানদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিচ্ছে।’
জারা আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বমানের শিক্ষা লাভ করার সুযোগ পেয়েছি। আমি চাই আমার এলাকার প্রতিটি সন্তান যেন বিশ্বমানের শিক্ষার সুযোগ পায়। তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
এমপির কোনো কোটা থাকবে না প্রতিশ্রুতি দিয়ে জারা বলেন, ‘আমি কথা দিচ্ছি, স্কুল ভর্তিতে এমপির কোনো সুপারিশ বা কোটা থাকবে না। ভর্তি বাণিজ্য আমি কঠোর হাতে দমন করব। মেধা ও স্বচ্ছতাই হবে একমাত্র যোগ্যতা।’
‘স্কুল হবে ল্যাবরেটরি: আমার বরাদ্দের টাকা দিয়ে আমি স্কুলগুলোতে আধুনিক সায়েন্স ল্যাব, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব এবং কোডিং শেখানোর ব্যবস্থা করব। এতে আমাদের ছেলেমেয়েরা ফ্রিল্যান্সিং বা উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুত হতে পারবে। প্রত্যেকটি স্কুলে লাইব্রেরি গড়ে তোলা হবে যাতে আমাদের শিশু কিশোরদের মানসিক বিকাশ যথাযথভাবে ঘটে।’
‘শুধু বইয়ের পড়া নয়, মানসিক স্বাস্থ্য, সহ-শিক্ষামূলক কার্যক্রম এবং এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার ওপর জোর দেবো। আমাদের তরুণরা যেন বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করার উপযুক্ত হয়ে গড়ে উঠতে পারে।’
শিক্ষকদের বেতন ও মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য সংসদে লড়বেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী। আরও বলেছেন, স্কুলে বুলিং বা হয়রানি বন্ধে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করব। স্কুলগুলোতে যেন অভিভাবক-শিক্ষক ফোরাম তৈরি হয় এবং তা যথাযথ ভাবে কাজ করে তা নিশ্চিত করব।
উদ্যোক্তাদের জন্য সিডিং ফান্ডের ব্যবস্থা করবেন উল্লেখ করে জারা প্রশ্ন রেখেছেন, ‘অর্থনীতি ও জীবিকা: মেধা আমাদের সবার, সুযোগ কেন কেবল ধনীদের?’
‘আমাদের অনেক তরুণ-তরুণীরা বেকার, কারণ সিস্টেম তাদের পক্ষে নেই। তাদের মেধা আছে, কিন্তু পুঁজি নেই। রাষ্ট্র কেবল বড় শিল্পপতিদের ঋণ মওকুফ করে, কিন্তু আমাদের ছোট ব্যবসায়ী বা নতুন উদ্যোক্তারা ব্যাংকের বারান্দায় ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে যায়। আমাদের মায়েরা কাজ করতে চান, কিন্তু ডে-কেয়ার সেন্টার না থাকায় সন্তানকে ঘরে রেখে তারা কাজে যেতে পারেন না। এটা অর্থনীতির ব্যর্থতা।’
আমি এমপি হলে আমার বিশেষ বরাদ্দ থেকে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য “সিডিং ফান্ড” বা প্রাথমিক পুঁজির ব্যবস্থা করব। জামানত ছাড়া সহজ শর্তে ঋণ পাওয়ার জন্য আমি ব্যাংকের সাথে লড়াই করব; প্রতিটি ওয়ার্ডে সরকারি খরচে বা ভর্তুকি দিয়ে ‘কমিউনিটি ডে-কেয়ার সেন্টার’ চালু করব। যাতে মায়েরা নিশ্চিন্তে কাজে যেতে পারেন; গৃহকর্মী থেকে শুরু করে অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিক, সবার জন্য ‘ন্যায্য মজুরি’ ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমি সংসদে কথা বলব। কেউ যেন তাদের দুর্বলতার সুযোগ না নিতে পারে; স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য ই-কমার্স প্রশিক্ষণ ও অনলাইন মার্কেট অ্যাক্সেস নিশ্চিত করব। যেন তারা শুধু দোকানে নয়, মোবাইলেও ব্যবসা করতে পারেন। আরও বেশি কাস্টমকে আকৃষ্ট করতে পারেন।
আমি ‘অতিথি পাখি’ নই, আপনাদের ঘরের মেয়ে উল্লেখ করে জারা বলেছেন, ভোটের আগে নেতারা পায়ে ধরেন, আর ভোটের পরে তাদের টিকিটিও দেখা যায় না। এমপি সাহেব থাকেন গুলশানে বা সংসদে, আর আপনারা থাকেন সমস্যায়। এমপিকে পাওয়া যেন ভাগ্যের ব্যাপার। এই সংস্কৃতি আর কতদিন?
আমি নির্বাচিত হওয়ার এক মাসের মধ্যে এলাকার প্রাণকেন্দ্রে আমার স্থায়ী অফিস চালু করব। কর্মজীবীদের সুবিধার্থে এটি সন্ধ্যায়ও খোলা থাকবে। আমি এবং আমার অফিসের স্টাফরা আপনাদের জানানো সমস্ত সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করব।
‘আপনার অভিযোগ কোনো ফাইলে চাপা পড়ে থাকবে না। আমরা ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড করব, যেখানে আপনারা দেখতে পাবেন আপনার অভিযোগের বর্তমান অবস্থা কী,’ যোগ করেছেন তিনি।
তিনি আরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আমাদের সাথে কথা বলতে কোনো “ভাই” বা “নেতা” ধরার প্রয়োজন পড়বে না।
‘আমার এলাকাবাসী, আপনাদেরকে একটা কথা বিশেষভাবে বলতে চাই। আমি কোনো পেশাদার রাজনীতিবিদ নই। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর স্বচ্ছভাবে রাজনীতি করার ও দেশ গড়ার একটা সুযোগ এসেছে তাই রাজনীতিতে এসেছি। আমার এই ইশতেহার কোনো গতানুগতিক “ফাঁকা বুলি” নয়। এটি আপনাদের সাথে আমার চুক্তি। আমি যা লিখেছি, তা কীভাবে বাস্তবায়ন করব, সেই পরিকল্পনা করেই মাঠে নেমেছি,’ বলেন তিনি।
জারা বলেছেন, ‘আপনারা অনেক নেতা দেখেছেন, অনেক প্রতিশ্রুতি শুনেছেন। এবার একজন ডাক্তারকে সুযোগ দিন, যে ডাক্তার জানে রোগ কোথায় আর ওষুধ কোনটা, যে ডাক্তার কথা রাখে, যে ডাক্তার বিপদে পাশে এসে দাঁড়ায়। এমন একজন শিক্ষিত সন্তানকে সুযোগ দিন, যে আপনাদের মাথা নত হতে দেবে না।’
ফুটবল মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেছেন, আপনারা আমার শক্তি হোন, আমি আপনাদের কণ্ঠস্বর হব। বিজয় আমাদের হবেই, ইনশাআল্লাহ।
ঢাকা-৯ আসন জেলার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪ ও ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড তথা সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা ও মান্ডা থানা নিয়ে গঠিত।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন তাসনিম জারা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী জোট গঠন নিয়ে বিতর্কের মধ্যে তিনি দল ছাড়েন। এরপর ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
