-3 C
New York

যেকোনো হামলাকে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ বিবেচনা করবে ইরান

এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা বলেছেন, তাদের বিরদ্ধে যেকোনো হামলাকে ইরান ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে দেখবে।

মধ্যপ্রাচ্যে একটি মার্কিন সামরিক বিমানবাহী রণতরীতে সামরিক সরঞ্জাম আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা আশা করি এই সামরিক তৎপরতা কোনো বাস্তব সংঘাতের উদ্দেশ্যে নয়। তবে আমাদের সামরিক বাহিনী সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। এ কারণে ইরান সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।’

কর্মকর্তা বলেন, ‘সীমিত, সীমাহীন, সার্জিক্যাল, কাইনেটিক বা যে নামই দেওয়া হোক না কেন—আমরা সেই সামরিক হামলার কঠোর জবাব দেবো।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘নৌবহর’ ইরানের দিকে এগোলেও তিনি আশা করেন সেটি ব্যবহার করতে হবে না। 

একইসঙ্গে তিনি বিক্ষোভকারীদের হত্যা বা পারমাণবিক কর্মসূচি আবার শুরু করার বিরুদ্ধে তেহরানকে সতর্কবার্তা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনে কঠোর জবারের কথা বললেও ইরানের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে—নির্দিষ্ট করে বলতে রাজি হননি ওই কর্মকর্তা।

কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরবচ্ছিন্ন সামরিক হুমকির মুখে রয়েছে। তাই হাতে থাকা সবকিছু ব্যবহার করে প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। প্রয়োজনে নতুন ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

অতীতেও উত্তেজনা বাড়লে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে। তবে সেগুলোকে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হতো।

রয়টার্সের ভাষ্য, গত বছর জুনে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে হামলার আগেও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে শক্তি বাড়িয়েছিল।

Related Articles

Latest Articles