-4.6 C
New York

ক্রীড়া উপদেষ্টার বক্তব্য নিয়ে বিসিবির ব্যাখ্যা

মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে ভারতীয় মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের মন্তব্য নিয়ে নতুন আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আজ (সোমবার) স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে যে, বিশ্বকাপে খেলার ভেন্যু বিষয়ে তারা আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে।

বিবৃতিতে বিসিবি জানিয়েছে, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-এর সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় দল এবং ২০২৬ আইসিসি মেনস টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সম্পর্কিত যে যোগাযোগের কথা বলা হয়েছে, তার ব্যাখ্যা দিতে চায়।’

‘আজ ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার মাধ্যমে উল্লিখিত চিঠি মূলত বিসিবি এবং আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগের মধ্যে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের অংশ, যা বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশের দলের জন্য ঝুঁকি নিরূপণ বিষয়ক। এটি বিসিবির পক্ষ থেকে ভারতের বাইরে ম্যাচ স্থানান্তরের অনুরোধে আইসিসির কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া নয়।’

‘বিসিবি পুনরায় জানাচ্ছে যে, তারা দল এবং খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার স্বার্থে আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচগুলো ভারত ছাড়া অন্য দেশে সরানোর জন্য আইসিসির কাছে অনুরোধ জানিয়েছে। বোর্ড নিশ্চিত করেছে যে, এই বিষয়ে আইসিসির অফিসিয়াল প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা এখনও চলছে।’

বিসিবির এই ব্যাখ্যা আসিফ নজরুলের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট পরিষ্কার করেছে। এদিন ক্রীড়া উপদেষ্টা বাফুফে ভবনে গণমাধ্যমে বলেন, মোস্তাফিজ বাংলাদেশ দলে থাকলে দলের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তিনি জানান, আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগ থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশ দলের সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, ভারতের ভেন্যুতে খেলার পরিবেশ যথাযথ নয় এবং দল ও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার স্বার্থে বিকল্প ভেন্যু বিবেচনা করা উচিত।

আসিফ নজরুলের বলেন, ‘ক্রিকেটের ক্ষেত্রে আমাদের কোনো ডেভেলপমেন্ট নেই। আমরা দুটি চিঠি দিয়েছি। চিঠি দেওয়ার পর আমরা আইসিসির যে উত্তর, সেটার প্রত্যাশা করছি। এর মধ্যে একটি বিষয় ঘটেছে, যেটা আপনাদের জানানো প্রয়োজন। সেটা হচ্ছে আইসিসির যে সিকিউরিটি টিম আছে, তারা একটি চিঠি দিয়েছে। সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, তিনটি বিষয় হলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা আশঙ্কা বাড়বে।’

‘একটি হচ্ছে বাংলাদেশ দলে যদি মুস্তাফিজ অন্তর্ভুক্ত হন। দুই হচ্ছে বাংলাদেশ দলের সমর্থকরা যদি জাতীয় জার্সি পরে ঘোরাফেরা করেন। আর তৃতীয় হচ্ছে ইলেকশন যত এগিয়ে আসবে, তত নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়বে। তো আইসিসির সিকিউরিটি টিমের এই বক্তব্য সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করেছে যে, ভারতে বাংলাদেশ দলের খেলার কোনো পরিস্থিতি নেই,’ যোগ করেন তিনি। 

Related Articles

Latest Articles