ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একইসঙ্গে গণভোট বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি অনন্য ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো পক্ষ নেই। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন। তার ভোট যেন অন্য কেউ দিতে না পারে।’
আজ সোমবার দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ প্রশাসন এবং ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিমের উদ্দেশে বলেন, ‘এই নির্বাচন হবে একটা আনন্দের বিষয়। এখানে কেউ যেন কোনো প্রকার ভয়-ভীতি প্রদর্শন করতে না পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করতে মাঠপর্যায়ে ছয়টি টিম কাজ করবে। কারণ, এই নির্বাচনের সঙ্গে আমাদের ভাবমূর্তি, প্রতিষ্ঠানগুলোর গৌরব ও আস্থা, বিশ্ব দরবারে আমাদের অবস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান—সবকিছুই জড়িত। এ জন্য এই নির্বাচনের ব্যাপকতা অনেক বেশি—গুরুত্বের দিক থেকে।’
‘নির্বাচনের সময় অনেকেই মোবাইলে টাকা লেনদেন করে থাকেন। আমরা এ জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নির্দেশ দিচ্ছি মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারকারীদের নজরদারি করতে। কোনো প্রকার অসামঞ্জস্যপূর্ণ লেনদেন হলে বিষয়টি তদন্ত করতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যারা পেশাদার সাংবাদিক আছেন, তাদের খেয়াল রাখতে হবে, অপেশাদার কেউ যেন ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। ভোটকেন্দ্রে কারো কাছে কোনো কলম থাকবে না, শুধু পেন্সিল নিতে পারবেন।’
চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকারের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান খলিফাসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় সাংবাদিকরা।
