ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ১০ জন আরোহী নিয়ে নিখোঁজ হওয়া উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ ও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, আজ রোববার মাকাসারের কাছে বান্টিমুরুং–বুলুসারাউং জাতীয় উদ্যানের বুলুসারাউং পাহাড়ের ঢাল থেকে উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে শনিবার দুপুরে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের ওই টার্বোপ্রপ উড়োজাহাজটি যোগিয়াকার্তা থেকে সুলাওয়েসি দ্বীপের মাকাসারে যাওয়ার পথে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ সংস্থার প্রধান মুহাম্মদ আরিফ আনোয়ার জানান, উদ্ধার হওয়া ধ্বংসাবশেষের মধ্যে উড়োজাহাজটির ফিউজলাজ (মূল কাঠামো) ও টেইল (পেছনের অংশ) শনাক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ধ্বংসাবশেষের কাছে থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আরিফ আনোয়ার বলেন, নিখোঁজ যাত্রীদের খোঁজে স্থলের পাশাপাশি আকাশপথেও একটি ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, উড়োজাহাজটি মাকাসারের কাছে বান্টিমুরুং–বুলুসারাউং জাতীয় উদ্যানের বুলুসারাউং পাহাড়ে আছড়ে পড়ে।
উড়োজাহাজটিতে সাতজন ক্রু সদস্য ও সামুদ্রিকবিষয়ক ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের তিনজন সরকারি কর্মচারী ছিলেন।
শনিবার এএফপি জানিয়েছিল, উড়োজাহাজটিতে তিনজন যাত্রী ও আটজন ক্রু সদস্য ছিলেন।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিস্তৃত দ্বীপপুঞ্জ ইন্দোনেশিয়া হাজারো দ্বীপের মধ্যে যোগাযোগের জন্য আকাশপথের ওপর নির্ভরশীল।
দেশটির বিমান চলাচল নিরাপত্তা রেকর্ড দুর্বল হিসেবে পরিচিত, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেখানে একাধিক প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটেছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ কালিমানতান প্রদেশ থেকে উড্ডয়নের পর ছয় যাত্রী ও দুই ক্রু সদস্য বহনকারী একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। এতে হেলিকপ্টারে থাকা সবাই নিহত হন।
এর দুই সপ্তাহেরও কম সময় পর দূরবর্তী পাপুয়া জেলার ইলাগায় আরেকটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হন।
