-1 C
New York

নেদারল্যান্ডসকে গুঁড়িয়ে বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের রেকর্ড

ব্যাটিংয়ে সাইতেজা মুকামাল্লা আগ্রাসী ফিফটি হাঁকিয়ে ইনিংস বড় করলেন, শুভম রঞ্জনে দেখালেন তাণ্ডব। দুইশর কাছে পৌঁছানো শক্ত পুঁজি নিয়ে এরপর বোলিংয়ে আলো ছড়ালেন হারমিত সিং ও শেডলি ফন শ্যালকউইক। এতে নেদারল্যান্ডসকে কোনো ধরনের পাত্তাই না দিয়ে বিশাল ব্যবধানে বিধ্বস্ত করল যুক্তরাষ্ট্র।

শুক্রবার চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে ৯৩ রানে জিতেছে আমেরিকানরা। এবারের আসরে তিন ম্যাচ খেলে এটি তাদের প্রথম জয়। আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব সংস্করণ মিলিয়ে ডাচদের বিপক্ষে প্রথমবার জেতার স্বাদ পেল তারা।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে রানের ব্যবধানে এটিই এখন সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড। ২০১৪ সালের আসরে চট্টগ্রামে হংকংয়ের বিপক্ষে নেপালের ৮০ রানের জয়টি এতদিন ছিল তালিকার শীর্ষে।

টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৬ রান করে যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে ১৫.৫ ওভারে মাত্র ১০৩ রানেই গুটিয়ে যায় নেদারল্যান্ডসের ইনিংস।

তিন নম্বরে নামা মুকামাল্লা ৩০ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করে থামেন ৭৯ রানে। তার ৫১ বলের ইনিংসে পাঁচটি চার ও চারটি ছক্কা ছিল। শেষদিকে মাত্র ২৪ বলে ৪৮ রান করেন শুভম। তিনি হাঁকান তিনটি চার ও দুটি ছক্কা। দুজনের ৫৪ রানের চতুর্থ উইকেট জুটিতে লাগে ৩৫ বল। এছাড়া, অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল ২২ বলে ৩৬ ও শায়ান জাহাঙ্গীর ১৪ বলে ২০ রানের ইনিংস খেলেন।

বল হাতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন পেসার হারমিত। ৪ ওভারে মাত্র ২১ রান খরচায় ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ডাচদের মিডল অর্ডার ধসিয়ে দেন তিনি। আরেক পেসার ফন শ্যালকউইক ৩ উইকেট পান একই রান খরচায়। চলতি আসরে ৩ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি বোলার তিনি।

নেদারল্যান্ডসের ব্যাটাররা এদিন চরম ব্যর্থতার পরিচয় দেন। ১৭ বলে সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন বাস ডি লিডি। এর আগে বল হাতে ৩৭ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেন এই অলরাউন্ডার।

সুপার এইটে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে আগামী রোববার নিজেদের শেষ ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে জিততেই হবে যুক্তরাষ্ট্রকে। একইসঙ্গে গ্রুপের অন্য ম্যাচগুলোর ফলাফলের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে তাদের। দুটি করে ম্যাচ খেলে সমান ৪ পয়েন্ট নিয়ে রান ব্যবধানে ভারত শীর্ষে ও পাকিস্তান দুইয়ে আছে।

Related Articles

Latest Articles