সদ্যসমাপ্ত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শিরোপাজয়ী রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে রাজশাহীতে এক উষ্ণ সংবর্ধনা দেওয়া হলো। সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ট্রফি নিয়ে একটি ছাদখোলা বাসে করে পুরো শহর প্রদক্ষিণ করলেন চ্যাম্পিয়ন ক্রিকেটাররা।
গত শুক্রবার প্রতিযোগিতার দ্বাদশ আসরের ফাইনালে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ৬৩ রানের বিশাল ব্যবধানে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে উড়িয়ে দেয় রাজশাহী। টস হেরে আগে ব্যাট করে পুরো ২০ ওভার খেলে ৪ উইকেটে ১৭৪ রান তোলে রাজশাহী। জবাবে লড়াই জমাতে ব্যর্থ হয়ে ১৩ বল বাকি থাকতে স্রেফ ১১১ রানে গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওয়ারিয়র্সবাহিনী হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখানে আগে থেকেই একটি ছাদখোলা বাস তাদেরকে বরণ করে নেওয়ার জন্য অপেক্ষায় ছিল। বিপিএলের নতুন নকশার ট্রফি নিয়ে খেলোয়াড়রা বাসে ওঠার পর শুরু হয় বিজয় মিছিল— উৎসবের নগরীতে পরিণত হয় রাজশাহী।
পুলিশি পাহারায় বাসটি যখন শহরের ভেতর দিয়ে এগোচ্ছিল, তখন বহু ভক্ত-সমর্থক মোটরসাইকেলে চড়ে বিজয় মিছিলে অংশ নেন। তাদের হাতে ছিল ‘গর্বের জয়’, ‘বীরের শহর’ ও ‘জয় এসেছে, কাপ উঠেছে’ লেখাসহ বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড। আর বাসের সামনে বড় করে লেখা ছিল, ‘কাপ আইছে বাড়িতে’।
মিছিলটি বিমানবন্দর থেকে রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়ক হয়ে আমচত্বর, বিমান চত্বর ও রুয়েট ফ্লাইওভার পার হয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে পৌঁছায়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা খেলোয়াড়দের ফুল ছিটিয়ে অভিনন্দন জানান। তখন ওয়ারিয়র্সের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম বারবার ট্রফি উঁচিয়ে দর্শকদের উল্লাসে সাড়া দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে বাসটি তালাইমারি ও সাহেববাজার হয়ে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের সামনে যায়। সেখানেও শিক্ষার্থীরা বিজয়ী ক্রিকেটারদের স্বাগত জানাতে ভিড় করেন। একই দৃশ্য দেখা যায় রাজশাহী কলেজের সামনেও। এরপর লক্ষ্মীপুর, দড়িখরবোনা ও রেলগেট হয়ে মিছিলটি পবা উপজেলার নাবিল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে গিয়ে শেষ হয়।
