বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের সোনালী দিনের কিংবদন্তি চিত্রনায়ক ইলিয়াস জাভেদ বিএফডিসিতে অনেকবার এসেছেন। আজ শেষবার আসলেন। আর কোনোদিন আসা হবে না তার।
আজ বুধবার বিকেলে এফডিসিতে শেষবারের মতো তাকে দেখতে এসেছিলেন অভিনয়শিল্পী, পরিচালক, ভক্তসহ অনেকেই।
তাদের মধ্যে ছিলেন খ্যাতিমান অভিনেতা আলমগীর, নায়ক উজ্জ্বল, পরিচালক দেওয়ান নজরুল, দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, ওমর সানী, প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু, নৃত্য পরিচালক আজিজ রেজা, জয় চৌধুরী, মুক্তিসহ অনেকেই।
জাভেদের মরদেহ রাখা হয় এফডিসির মসজিদের কাছে। সেখানে দাঁড়িয়ে শোক প্রকাশ করেন উপস্থিত সহকর্মী অভিনেতা, অভিনেত্রী, পরিচালকরা।
আসরের নামাজের পর সেখানেই হয় জানাজা। গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হন এই তারকা। এরপর ৫টার দিকে তার মরদেহ এফডিসি থেকে রওনা হয় উত্তরার দিকে।
দ্বিতীয় জানাজার পর বাদ মাগরিব ৬টা ৩৫ মিনিটে উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টর কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে।
আজ সকাল সোয়া ১১টায় উত্তরায় নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন চিত্রনায়ক জাভেদ। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮২ বছর।
১৯৬৪ সালে উর্দু ছবি ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে নায়ক হিসেবে অভিষেক হয় জাভেদের। তবে ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ সিনেমার পর দর্শকপ্রিয়তা বাড়তে থাকে তার। এই সিনেমায় তার নায়িকা ছিলেন শাবানা।
জাভেদ অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘মালেকা বানু’, ‘নিশান’, ‘পাপী শত্রু’, ‘রক্ত শপথ’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’, ‘কাজল রেখা’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘আজও ভুলিনি’, ‘কঠোর’, ‘মা বাবা সন্তান’, ‘রাখাল রাজা’, ‘রসের বাইদানী’, ‘জীবন সঙ্গী’, ‘আবদুল্লাহ’ ইত্যাদি।
