-6.2 C
New York

অবশেষে সাইফের ফিফটি, ঢাকার জয়

প্রথম আট ম্যাচে ব্যাট হাতে সংগ্রহ ছিল মাত্র ৬০ রান। সমালোচনার চাপ বাড়ছিল ক্রমশই। জাতীয় দলের সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়ার পর যেন নিজের ব্যাটিংটাই ভুলে গিয়েছিলেন সাইফ হাসান। তবে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে এসে সেই খরা কাটালেন তিনি। সাইফের ঝলমলে ফিফটির ওপর ভর করেই চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে দারুণ এক জয় তুলে নিল ঢাকা ক্যাপিটালস।

রোববার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএলের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৪২ রানে হারায় ঢাকা। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৯.৫ ওভারে ১৭০ রানে অলআউট হয় ক্যাপিটালস। জবাবে ১৯.৪ ওভার খেলেও ১২৮ রানের বেশি করতে পারেনি চট্টগ্রাম।

রংপুর রাইডার্সের সঙ্গে পয়েন্ট সমান থাকলেও রান রেটে এগিয়ে থাকায় চট্টগ্রামের জন্য খুব একটা দুশ্চিন্তার কিছু ছিল না। ঢাকার বিপক্ষে বড় ধস না নামলে কোয়ালিফায়ার নিশ্চিতই ছিল। এক পর্যায়ে সেই ব্যবধান কমে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারেনি দলটি।

১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে সেরা দুইয়ে থাকার সমীকরণ মিলাতে চট্টগ্রামের প্রয়োজন ছিল অন্তত ৭৭ রান। কিন্তু তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের তোপে ন্যুনতম লক্ষের আগেই ৭ উইকেট হারিয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তারা। শেষদিকে বড় ধস এড়াতে পাকিস্তানি ব্যাটার আমির জামালের ক্যামিও ইনিংস হারের ব্যবধান কিছুটা কমায়।

২৬ বলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন জামাল। ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংস। ১০ নম্বরে নামা শরিফুল ইসলাম দুটি ছক্কায় করেন অপরাজিত ১৪ রান। ঢাকার হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন সাইফউদ্দিন, ২০ রানের বিনিময়ে নেন ৪টি উইকেট। তাসকিন ২৮ রান দিয়ে শিকার করেন ৩টি।

এর আগে ঢাকার ইনিংসে ২৫ রানে ওপেনার উসমান খানকে হারালেও জুবাইদ আকবরির সঙ্গে ৬১ বলে ৯০ রানের দারুণ জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেন সাইফ হাসান। তখন মনে হচ্ছিল বড় সংগ্রহের পথেই এগোচ্ছে ঢাকা।

তবে আকবরির বিদায়ে বদলে যায় ম্যাচের মোড়। ব্যক্তিগত ২৯ রানে তানভীর ইসলামের বলে আউট হন এই আফগান তরুণ। পরের বলেই শূন্য হাতে ফেরেন শামিম হোসেন। কিছুক্ষণ পর থামেন সাইফও। ৪৪ বলে সমান ৫টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৭৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

এরপর আর কেউই ইনিংস গুছিয়ে নিতে পারেননি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ২০ ওভার পূর্ণ করার আগেই থেমে যায় ঢাকার ইনিংস। ফলে মাঝারি পুঁজি নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় দলটিকে।

চট্টগ্রামের হয়ে বোলিংয়ে উজ্জ্বল ছিলেন তানভীর ইসলাম, ২৫ রানে নেন ৩টি উইকেট। শরিফুল ইসলাম ও আমির জামাল নেন দুটি করে শিকার।

Related Articles

Latest Articles