-6.2 C
New York

সাভারে পোড়া মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক ‘পাগল’ আটক

সাভার পৌর এলাকার একটি পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টার থেকে আগুনে পোড়া দুই মরদেহে উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। 

আজ রোববার ঢাকা উত্তর ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম (ওসি) দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় সম্রাট হোসেন (৩৫) নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে সে হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত বলে মনে হচ্ছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বিস্তারিত জানানো হবে।’

যদিও স্থানীয়রা বলছেন, আটক সম্রাট হোসেনকে ‘পাগল’ বলে জানতেন তারা। দীর্ঘ ৮-১০ বছর ধরে সম্রাট সাভার মডেল থানার আসপাশের এলাকায় ঘোরাঘুরি করতেন এবং একা একাই কথা বলতেন। মাঝেমাঝে তিনি ওই পরিত্যাক্ত ভবনটিতে রাত্রি যাপনও করতেন।

এদিকে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিট।

সিআইডির( ক্রাইমসিন) উপ-পরিদর্শক মো. কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দুই মরদেহের একটি ১৪–১৫ বছর বয়সী কিশোরীর। পুড়ে যাওয়ায় অপর মরদেহটির লিঙ্গ তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি।

এ নিয়ে গত ছয় মাসে ভবনটি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে পাঁচটি মরদেহ।

পুলিশ জানায়, রোববার দুপুর ২টার দিকে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে সাভার পৌর এলাকার ওই পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলায় আগুনে পোড়া অবস্থায় মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, হত্যাকাণ্ডটি রোববার ভোরের দিকে সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে।

এর আগে গত বছরের ২৯ আগস্ট রাতে একই স্থান থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ওই যুবকের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

পরে ১১ অক্টোবর রাতে একই কমিউনিটি সেন্টার থেকে এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ গত ১৯ ডিসেম্বর দুপুরে সাভার পৌর এলাকার থানা রোড মহল্লার ওই পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলার টয়লেট থেকে এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এসব হত্যাকাণ্ডে নিহতদের কারও পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, বারবার এমন ঘটনা ঘটায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তারা ভবনটি সংস্কার করে দ্রুত পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

Related Articles

Latest Articles