বিকেল সাড়ে পাঁচটায় টস হওয়ার কথা। তার অন্তত দেড় ঘণ্টা আগেই ক্রিকেটারদের মাঠে উপস্থিত থাকার সূচি ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে টসের কোনো আয়োজনই হলো না। বরং দেখা গেল, মাঠকর্মীরা স্টাম্প উপড়ে ফেলছেন। তার কিছুক্ষণ আগেই স্টেডিয়াম ছেড়ে বেরিয়ে যান ধারাভাষ্যকাররাও। স্পষ্ট হয়ে যায়, প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচটিও আর হচ্ছে না।
বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে ম্যাচ বয়কটের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলনে নামেন দেশের ক্রিকেটাররা। প্রথম ম্যাচের আগেই তারা জানিয়ে দেন, দাবি পূরণ না হলে সব ধরনের ক্রিকেট কার্যক্রম থেকে নিজেদের সরিয়ে নেবেন। নাজমুল ইসলাম পদত্যাগ না করায় সেই সিদ্ধান্তেই অটল থাকেন ক্রিকেটাররা, ফলে তারা আর মাঠে নামেননি।
প্রথম ম্যাচের দিন বনানীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের অনড় অবস্থান স্পষ্ট করেন মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন দাস ও নুরুল হাসান সোহানসহ জাতীয় দলের শীর্ষ ক্রিকেটাররা।
ক্রিকেটাররা তখনও বলেছিলেন, তারা খেলতে আগ্রহী, মাঠে ফেরার জন্য মুখিয়ে আছেন। তবে তার আগে তাদের দাবি পূরণ হওয়া জরুরি। দ্বিতীয় ম্যাচের আগে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করা হলেও কোনো সমাধান আসেনি।
এর আগে বিসিবি অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে এম নাজমুল ইসলামকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এতেও ক্রিকেটারদের অবস্থানে পরিবর্তন আসেনি। তাদের দাবি ছিল স্পষ্ট, নাজমুল ইসলামের পদত্যাগ ছাড়া আর কোনো সমাধান গ্রহণযোগ্য নয়।
