-3 C
New York

হৃদয়-খুশদিলকে ম্লান করে রাজশাহীর নায়ক ওয়াসিম-শান্ত

ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা তাওহিদ হৃদয় অল্পের জন্য সেঞ্চুরিবঞ্চিত হলেন। তার ও খুশদিল শাহের ব্যাটে চড়ে রংপুর রাইডার্স চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেলেও তা যথেষ্ট হলো না। ওপেনার মুহাম্মদ ওয়াসিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ফিফটি ছুঁয়ে গড়লেন প্রায় দেড়শ ছোঁয়া রানের জুটি। ফলে ৫ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের অনায়াস জয় পেল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

রোববার বিপিএলের ম্যাচে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করে ৪ উইকেটে ১৭৮ রান করে রংপুর। এক পর্যায়ে, ১৩ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ৮০ রান। এরপর হৃদয় ও পাকিস্তানি খুশদিলের কল্যাণে দলটি শেষ ৭ ওভারে তোলে আরও ৯৮ রান। ঝড় তুলে তারা চতুর্থ উইকেটে যোগ করেন ৫১ বলে ১০৫ রান।

ইনিংসের শেষ ডেলিভারিটি ডট দেওয়া হৃদয় বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে অপরাজিত থাকেন ৯৭ রানে। ৩৯ বলে ফিফটি স্পর্শের পর ৫৬ বল মোকাবিলায় তিনি মারেন আটটি চার ও ছয়টি ছক্কা। খুশদিল ২৯ বলে চারটি চার ও তিনটি ছক্কায় করেন ৪৪ রান।

রান তাড়ায় তৃতীয় ওভারে তানজিদ হাসান তামিমকে হারানো রাজশাহী ধাক্কা সামলে নেয় দ্রুত। আমিরাতি ওয়াসিম ও তিনে নামা শান্ত চড়াও হন প্রতিপক্ষের বোলারদের ওপর। ফলে পাওয়ার প্লেতে স্কোরবোর্ডে জমা হয়ে যায় ৬২ রান। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি দলটিকে। দুজনে মিলে গড়েন ৮২ বলে ১৪২ রানের জুটি। বিপিএলের ইতিহাসে রাজশাহীর পক্ষে যে কোনো উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটির রেকর্ড এটি।

মাত্র ২৮ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করা শান্ত বিদায় নেন ৭৬ রানে। বিধ্বংসী ইনিংস খেলার পথে ৪২ বলে তিনি হাঁকান ছয়টি চার ও চারটি ছক্কা। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ওঠে তার হাতেই। ওয়াসিম অবশ্য ম্যাচ শেষ করে তবেই মাঠ ছাড়েন। তিনি ৫৯ বলে করেন অপরাজিত ৮৭ রান। তার ব্যাট থেকে আসে সাতটি চার ও চারটি ছক্কা।

গত ১ জানুয়ারি দুই দলের আগের দেখাতেও জিতেছিল রাজশাহী— মূল লড়াই টাই হওয়ার পর সুপার ওভারের রোমাঞ্চে। সাত ম্যাচে পঞ্চম জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে বিপিএলের পয়েন্ট তালিকায় দুইয়ে উঠে এসেছে তারা। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট পাওয়া চট্টগ্রাম রয়্যালস নেট রান রেটের বিচারে আছে শীর্ষে। সাত ম্যাচে তৃতীয় হারের তেতো স্বাদ পাওয়া রংপুর ৮ পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করছে তিনে।

বিস্তারিত আসছে…

Related Articles

Latest Articles