বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গত ১৫ বছর যেমন আমাদের ভোটের অধিকার ও কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এখন আবার একটি দল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আপনাদের চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। আপনাদের ভোটের অধিকার কেউ যেন কেড়ে নিতে না পারে।
আজ রোববার বিকেলে ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ভোটের দিন তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে কেন্দ্রের সামনে ফজর নামাজ আদায় করবেন। এ দেশের জনগণের সঠিক সিদ্ধান্তের ওপর আগামী দিনের বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে পারবো।
তিনি বলেন, বিগত স্বৈরাচারদের নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করলে জনগণের লাভ হবে না। সুতরাং যেভাবে জনগণের লাভ হয়, আমরা সেই কাজগুলো করব। ধানের শীষকে নির্বাচিত করে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে। ধানের শীষ সরকার গঠন করতে পারলেই আমরা খালেদা জিয়া, শহীদ জিয়ার কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে পারবো। এতে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর এলাকার মানুষের ওপর বিএনপির একটু হক আছে। খালেদা জিয়া এ এলাকার সন্তান, এ এলাকার মেয়ে। স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিলে খালেদা জিয়ার সম্মান বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছরে সারা দেশে সত্যিকার অর্থে জনগণের কোনো প্রতিনিধি ছিল না। এ জন্য দেশের এই অবস্থা। কিছু সংখ্যক মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। তবে ৯৮ শতাংশ মানুষের ভাগ্যে পরিবর্তন হয়নি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলেও জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।
‘প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে আমরা এলাকার মানুষের জন্য কাজগুলো শুরু করতে পারব। এ দেশে আমাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা থাকতে হবে।’
তারেক রহমান আরও বলেন, সারা দেশের মানুষ সাক্ষী আছে, কীভাবে গত ১৫ বছর মানুষের কথা বলার অধিকার ও ভোটের অধিকারকে দাবিয়ে রাখা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে সেই স্বৈরাচার পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আজ একটি পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে। সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছি, গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু করেছি। ১২ তারিখে ধানের শীষকে নির্বাচিত করার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হবে।
