4 C
New York

মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী দ্বিতীয় রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে আরও একটি বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। 

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে পেন্টাগন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। যার ফলে ওই অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরি মোতায়েন থাকবে।

মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগোনো যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক এবং বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরি জেরাল্ড আর. ফোর্ড সম্প্রতি ক্যারিবীয় অঞ্চলে তার এসকর্ট জাহাজসহ পরিচালিত হচ্ছিল। 

চলতি বছরের শুরুতে ভেনেজুয়েলায় পরিচালিত অভিযানেও অংশ নেয় রণতরিটি।

কেন দ্বিতীয় একটি বিমানবাহী রণতরি মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যদি আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারি, তাহলে আমাদের এটি প্রয়োজন হবে। আর যদি প্রয়োজন হয়, তার জন্য এটি প্রস্তুত থাকবে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, রণতরিটির মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে অন্তত এক সপ্তাহ সময় লাগবে।

জেরাল্ড আর. ফোর্ড সেখানে গিয়ে আব্রাহাম লিংকন রণতরির সঙ্গে যোগ দেবে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে একাধিক গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, যুদ্ধবিমান ও নজরদারি বিমানও মোতায়েন করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র সবশেষ গত বছর ওই এলাকায় দুটি বিমানবাহী রণতরি মোতায়েন করেছিল। ওই বছরের জুনে তারা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর হাতে মাত্র ১১টি বিমানবাহী রণতরি থাকায় এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। সাধারণত তাদের সময়সূচি অনেক আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে।

লাতিন আমেরিকায় মার্কিন সামরিক কার্যক্রম তদারকি করা ইউএস সাউদার্ন কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা পশ্চিম গোলার্ধে ‘অবৈধ কর্মকাণ্ড এবং অশুভ শক্তির’ বিরুদ্ধে কার্যক্রমে মনোযোগ অব্যাহত রাখবে।

ট্রাম্প এই সপ্তাহেই বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি না হলে তিনি দ্বিতীয় একটি বিমানবাহী রণতরি মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর কথা বিবেচনা করছেন।

শুক্রবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি মনে করেন ইরানের সঙ্গে আলোচনা সফল হবে। 

তবে সতর্ক করে দিয়ে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘যদি তা না হয়, তাহলে ইরানের জন্য সেটা খারাপ দিন হবে।’

Related Articles

Latest Articles