0.7 C
New York

প্রশাসনের একটি অংশ পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে: জামায়াতে ইসলামী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রশাসনের একটি অংশ বিভিন্ন এলাকায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে দলটি।

নির্বাচন কমিশনে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

এর আগে তার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার কথা থাকলেও বাস্তবে বিভিন্ন জায়গায় তার ব্যত্যয় দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ইসিকে বলেছি, এই বিষয়গুলো নিয়মিত তদারকি করা দরকার। প্রশাসনের একটি অংশ বিভিন্ন জায়গায় একদিকে হেলে পড়ছে। বিশেষ করে যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশব্যাপী আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিভিন্ন জায়গায় হামলা হচ্ছে, সন্ত্রাসী কার্যক্রম হচ্ছে। আমাদের নির্বাচন অফিসগুলোতে পুলিশ বিভিন্ন অজুহাতে অভিযান চালাচ্ছে।’

ঢাকা-১৫ আসনের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, সেখানে দলটির আমির শফিকুর রহমান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।

তার ভাষ্য, ‘ঢাকা-১৫ আসনে বারবার সন্ত্রাসী কার্যক্রম হচ্ছে। মহিলাদের ওপর হামলা, হেনস্থা ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। একের পর এক এসব ঘটনা ঘটছে।’

জুবায়ের আরও বলেন, ‘আমরা রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার এবং প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের আগেও জানিয়েছি। কিন্তু দৃশ্যমান কোনো উন্নতি আমরা দেখছি না।’

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করেন।

তার দাবি, ‘আজকেও সেখানে হামলা হয়েছে। আমাদের প্রায় ১৫ জন কর্মী আহত হয়েছেন। অফিসে হামলা চালিয়ে তাদের আহত করা হয়েছে।’

বাউফলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছেন অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এই কর্মকর্তা দায়িত্বে থাকলে বাউফলের নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না। এর আগেও তিনি বিভিন্ন অজুহাতে জামায়াতের নির্বাচনী অফিসে অভিযান চালিয়েছেন। এমনকি তার সঙ্গে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে এসেছিলেন।’

নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি আছে। এর মধ্যে যদি পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে এই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না এবং প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাবে।’

Related Articles

Latest Articles