শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় দুপক্ষের সংঘর্ষে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে।
আজ শনিবার সকালে শেরপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. কামরুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এই মামলায় ২৩৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া, অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছেন আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জন।
ঘটনার দুই দিন পর গতকাল দিবাগত রাত ১২টার দিকে রেজাউল করিমের স্ত্রী মার্জিয়া বেগম বাদী হয়ে ঝিনাইগাতী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন।
কামরুল বলেন, ‘পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে, নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করা হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেউ যদি কাউকে এই মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মামলা বাণিজ্য করতে চায়, তারা পুলিশকে জানালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মামলা বাণিজ্যকারীদের চাঁদাবাজ হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে।’
এদিকে, রেজাউল করিমের হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে গতকাল বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন জেলা জামায়াতের নেতাকর্মীরা।
শহরের কলেজ মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে তারা সমাবেশ করেন। প্রশাসনের উদ্দেশে তারা বলেন, রেজাউল হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে প্রয়োজনে কঠোর আন্দোলন ঘোষণা করা হবে।
ঝিনাইগাতী উপজেলা স্টেডিয়ামে আজ জেলা জামায়াতের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
