-6.2 C
New York

বোলারদের দাপটে রংপুরকে হারাল সিলেট

ম্যাচের নিয়ন্ত্রণটা শুরু থেকেই নিজেদের হাতে রেখেছিল সিলেট টাইটানস। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বোলাররাই। নাসুম আহমেদের আঁটসাঁট স্পেল, শহিদুল ইসলামের আক্রমণাত্মক পেস আর মঈন আলীর কৃপণ বোলিংয়ে রংপুর রাইডার্সকে বড় স্কোর গড়ার কোনো সুযোগই দেওয়া হয়নি। এরপর ব্যাট হাতে পারভেজ হোসেন ইমনের দায়িত্বশীল ফিফটিতে সহজ জয় তুলে নেয় সিলেট।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ম্যাচে রংপুরকে ৬ উইকেটে হারায় মেহেদী হাসান মিরাজের দল। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৯.১ ওভারে মাত্র ১৪৪ রানেই গুটিয়ে যায় রংপুর। জবাবে ১৫ বল হাতে রেখেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে সিলেট। দুই দলের প্রথম দেখায় একই ব্যবধানে জয় পেয়েছিল রংপুর, এবার তারই জবাব দিল সিলেট।

কদিন আগেই রেকর্ড গড়া নাসুম এদিন শুরুতেই রংপুর শিবিরে বড় ধাক্কা দেন। কাইল মেয়ার্সকে শূন্য রানে ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচে সুর বেঁধে দেন এই বাঁহাতি স্পিনার। শেষ দিকে আরও দুটি উইকেট শিকার করার পাশাপাশি টানা চাপ সৃষ্টি করে রংপুরের রান তোলার গতি থামিয়ে রাখেন তিনি। অন্য প্রান্তে শহিদুল ইসলাম কিছুটা খরুচে হলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আঘাত হানেন। জাতীয় দলের দুই তারকা তাওহিদ হৃদয় ও লিটন দাসকে ফিরিয়ে বড় ধাক্কা দেন এই পেসার। পরে অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানকেও সাজঘরের পথ দেখান তিনি।

মঈন আলীও ছিলেন সমান কার্যকর। কৃপণ বোলিংয়ে পাকিস্তানি ব্যাটার ইফতেখার আহমেদকে ফিরিয়ে দেন এই অলরাউন্ডার। শেষ দিকে মোস্তাফিজুর রহমানের উইকেটও তুলে নিয়ে রংপুরের ইনিংসে পেরেক ঠুকে দেন তিনি। সব মিলিয়ে স্বস্তির কোনো সুযোগই পায়নি রংপুর।

খুশদিল শাহ ও মাহমুদউল্লাহ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তা দলকে বড় স্কোরে পৌঁছাতে পারেনি। খুশদিল ৩০ রান করে রানআউট হন, মাহমুদউল্লাহ করেন ২৯। এছাড়া দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পেরেছেন কেবল লিটন দাস (২২) ও ইফতেখার আহমেদ (১৭)। সিলেটের হয়ে ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন নাসুম আহমেদ। শহিদুল ইসলামও নেন ৩টি উইকেট। আর মাত্র ৮ রান খরচায় ২ উইকেট তুলে নেন মঈন আলী।

লক্ষ্য তাড়ায় তৌফিক খান ও পারভেজ হোসেন ইমনের ওপেনিং জুটিতেই জয়ের ভিত গড়ে দেয় সিলেট। দুজনে মিলে যোগ করেন ৫৪ রান। তৌফিক ফিরে গেলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন ইমন। দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ৪১ বলে অপরাজিত ৫২ রান করেন তিনি। তৌফিকের ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান। রংপুরের হয়ে নাহিদ রানা নেন দুটি উইকেট।

Related Articles

Latest Articles