পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র দাবি করেছেন, চলমান সংঘাতে ২২৮ তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি আরও ৩১৪ জন আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে ইসলামাবাদ।
আজ শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা।
মুখপাত্র আরও জানান, সব মিলিয়ে তালেবানের ৭৪টি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস ও ১৮টি দখলে নিয়েছে পাকিস্তানি সেনা।
সংঘষে ২৭ পাকিস্তানি আহত হয়েছেন বলে জানান তিনি।
তালেবান সরকার দাবি করেছে, চলমান সংঘাতে তাদের আট যোদ্ধা নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন।
আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, পাকিস্তানের আগ্রাসনের পাল্টা জবাব দিয়েছে তালেবান যোদ্ধারা। এসব হামলায় ডুরান্ড লাইনের আশেপাশে ৫৫ পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন।
পাশাপাশি, কয়েকজন পাকিস্তানি সেনার মরদেহ ছিনিয়ে নেওয়া ও শতাধিক হালকা ও ভারী অস্ত্র দখলেরও দাবি করেছে তালেবান প্রশাসন।
কয়েকজন সেনাকে জীবিত অবস্থায় আটকের কথাও দাবি করা হয় বিবৃতিতে।
এসব তথ্য জানিয়েছে আফগান গণমাধ্যম টোলো নিউজ।
পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, ‘সন্ত্রাসীরা অ্যাবোটাবাদ, সোয়াবি ও নওশেরা অঞ্চলে ছোট ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করে।’
‘আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সবগুলো ড্রোনকেই ভূপাতিত করেছে’, যোগ করেন মন্ত্রী। তিনি জানান, এই হামলায় কেউ হতাহত হননি।
তিনি দাবি করেন, ‘এই ঘটনায় আরও একবার প্রকাশ পেয়েছে, আফগান তালেবান ও পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদের মধ্যে সরাসরি সংযোগ আছে।’
ইতোমধ্যে প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তান-পাকিস্তানের সংঘাতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চীন, রাশিয়া ও ইরান। দেশগুলো আলোচনার মাধ্যমে কাবুল ও ইসলামাবাদকে তাদের মধ্যে বিভেদ দূর করার আহ্বান জানিয়েছে।
