1 C
New York

প্রধানমন্ত্রীর কাছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চাইবেন পিসিবি প্রধান; শর্ত নিয়ে খবরে ভিন্নতা

১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ হবে কি না, তা নির্ভর করছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের ওপর। আইসিসি প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনার পর জট খুলছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে, পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভি আবারও তাদের প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চাইবেন। এদিকে শর্ত নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে ভিন্নতা থাকায় পুরো বিষয়টি এখনো ধোঁয়াশাপূর্ণ।

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত এসেছে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে। আইসিসি এই সিদ্ধান্ত জানার পর পিসিবির আনুষ্ঠানিক চিঠির অপেক্ষায় ছিল। সেটা পাওয়ার পর তারা অচলাবস্থা কাটাতে আলোচনা শুরু করে।

লাহোরে রোববার আইসিসির সহ-সভাপতি ইমরান খাওয়াজা পিসিবির সঙ্গে সভা করেছেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও। তিনি কাদের আহ্বানে সেখানে গিয়েছেন বা কোন ধরনের আলোচনা করেছেন, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

পাকিস্তানের জিওসুপার জানায়, দুই-একদিনের মধ্যেই বড় খবর আসতে যাচ্ছে। নাকভি তাদের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে আলাপ করে জেনে নেবেন সরকারের শেষ অবধি অবস্থান।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, আইসিসিকে নাকি তিন শর্ত দিয়েছে পিসিবি। যার মধ্যে আছে বিশ্বকাপ না খেললেও বাংলাদেশের বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ ফি কেটে না নেওয়া, বাংলাদেশকে একটি আইসিসি আসর আয়োজনের সুযোগ দেওয়া এবং বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ প্রদান। তবে ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ বলছে, পাকিস্তানের তিন শর্ত হচ্ছে—আইসিসি থেকে তাদের রাজস্ব ভাগ বাড়ানো, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ চালু এবং পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের সঙ্গে ভারতের খেলোয়াড়দের হাত মেলানোর সৌজন্যতায় বাধ্য করা।

তবে এই ব্যাপারে কোনো পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। এদিকে ২০২১ সালেই দশ বছরের জন্য আইসিসির ‘হোস্টিং রাইটস’ চূড়ান্ত হয়ে আছে। ২০৩১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ হওয়ার কথা ভারত ও বাংলাদেশে।

মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানায়। ভেন্যু বদলের তাদের দাবি আইসিসিতে নাকচ হয়ে যায় বোর্ড সভার ভোটে। ১৫ সদস্যের মধ্যে বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দিয়েছিল কেবল পাকিস্তান। বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে খেলতে রাজি না হলে স্কটল্যান্ডকে স্থলাভিষিক্ত করে আইসিসি। তাদের গণমাধ্যমগুলো তখন খবর দিয়েছিল যে, এর প্রতিবাদে পুরো বিশ্বকাপই বয়কট করবে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ বয়কট না করলেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দেয় দেশটির সরকার। এবার সেই সিদ্ধান্ত থেকেও শর্ত সাপেক্ষে সরে আসার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

 

Related Articles

Latest Articles