27.5 C
Dhaka

খাদ্য মানেই হোক নিরাপদ খাদ্য

মানুষের সব মানবিক অধিকারের বাস্তব পূর্বশর্ত হলো তার দৈহিক অস্তিত্ব। আর দৈহিক অস্তিত্বের মৌলিক শর্ত হলো খাদ্য। তাই খাদ্যের অধিকার শুধু একটি সামাজিক অধিকার নয়। এটি মানুষের জীবন, সুস্থতা, মর্যাদা ও উৎপাদনশীলতার ভিত্তি এবং পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। 

‘খাদ্য’ বলতেই তা সুষম, স্বাস্থ্যকর ও গ্রহণের জন্য নিরাপদ হবে; মানুষ যা খাবে, সেটি তার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হবে না—এটাই হবার কথা। কিন্তু আজকের বাস্তবতায় ‘খাদ্য’ এবং ‘নিরাপদ খাদ্য’ দুটি আলাদা বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

আজ ৭ জুন ২০২৬ আন্তর্জাতিক নিরাপদ খাদ্য দিবস পালিত হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য হলো, ‘সমস্যা থেকে সমাধানে—সর্বত্র নিরাপদ খাদ্য’। বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে কৃষি, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে। 

এর মধ্যে খাদ্যে ভেজাল রোধে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা ও আইনি ব্যবস্থার কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার রয়েছে। দেশব্যাপী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা, নকল ও ভেজাল খাদ্য এবং ভোগ্যপণ্য উৎপাদন, সরবরাহ ও বিপণন রোধে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও মনিটরিং বৃদ্ধি করা এবং নিরাপদ ফসল উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করতে খাদ্য নিরাপত্তা এবং খাদ্য নিরাপদতা—দুটিই জরুরি। খাদ্য নিরাপত্তা বলতে বোঝায়, সব মানুষের জন্য সবসময় পর্যাপ্ত, পুষ্টিকর ও গ্রহণযোগ্য খাদ্যের শারীরিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করা। 

খাদ্য নিরাপদতা বলতে বোঝায়, খাদ্য যেন মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর না হয় এবং প্রত্যাশিত ব্যবহার অনুযায়ী তা বিশুদ্ধ, স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত থাকে। পর্যাপ্ত খাদ্য থাকলেও যদি তা ভেজাল, দূষিত বা পুষ্টিমানে ঘাটতিপূর্ণ হয়, তবে তা খাদ্য অধিকার পূরণ করে না। বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে স্বাস্থ্যকর খাবারের জায়গা আশঙ্কাজনকভাবে দখল করে নিচ্ছে পুষ্টিগুণহীন, অনিরাপদ, অস্বাস্থ্যকর খাবার। নিরাপদ, পুষ্টিকর ও মানসম্মত খাদ্যে সব মানুষের সমান প্রবেশগম্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। 

জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে খাদ্য উৎপাদনের চাপ বেড়েছে। এই চাপ সামাল দিতে কৃষি ব্যবস্থায় রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে পুষ্টিগুণ ও গুণমান হারাচ্ছে খাদ্য। একই সঙ্গে পরিবেশও দূষিত হচ্ছে। এতে কৃষকের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। ভোক্তারাও গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ১০ দশমিক ৪ শতাংশ অপুষ্টিতে ভুগছে। পুষ্টিবিষয়ক জ্ঞানের অভাব, প্রচলিত খাদ্যাভ্যাস, অবৈজ্ঞানিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রান্না এবং খাদ্যে ভেজালের কারণে পুষ্টিগত মানের অবনতি ঘটছে।

পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শর্করা, আমিষ, ভিটামিন, খনিজ, চর্বি ও পানির সুষম উপস্থিতি প্রয়োজন। কিন্তু সার্বিক মূল্যস্ফীতি, মজুরি স্থবিরতা, টাকার অবমূল্যায়ন, কর্মসংস্থান সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধিসহ বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানাবিধ আর্থসামাজিক চাপের কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। অনেকে সুষম খাবার গ্রহণ করতে পারছেন না। কিন্তু যার পক্ষে যেটুকু খাবার গ্রহণ করা সম্ভবপর হচ্ছে, তা কতখানি নিরাপদ, সেই ঝুঁকি এড়িয়ে যাবার সুযোগ নেই। 

সম্প্রতি মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ গড়ে ২ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। কিন্তু বাংলাদেশের আদর্শ মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ থাকার কথা কমপক্ষে ৫ শতাংশ। এতে খাদ্যের গুণগত মান ও খাদ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ভবিষ্যতে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। 

একইসঙ্গে, নগরায়ন, দ্রুত শিল্পায়ন, ভৌত অবকাঠামো বৃদ্ধি এবং পরিবহন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ফলে প্রতি বছর ১ শতাংশ হারে আবাদযোগ্য জমি কমছে। কৃষিকাজে অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহারের কারণে উৎপাদিত ফসল অনেক সময় অনিরাপদ হয়ে পড়ছে।

বর্তমানে দেশের মোট জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ অপুষ্টিসহ নানা সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগে ভুগছে। এর অন্যতম কারণ অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণ। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণাকেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণের ফলে নানা অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং এতে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। 

জাতিসংঘ সতর্ক করেছে, ক্রমবর্ধমান অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণ আন্তর্জাতিকভাবে স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে দৈনিক ৮০ জন এবং বছরে ৩০ হাজার মানুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এর অন্যতম কারণ অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণ। 

সাম্প্রতিক গবেষণায় মুরগির মাংসে ভারী ধাতুর উপস্থিতির তথ্য এসেছে, খাবারে ধরা পড়ছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। এর আগেও সয়াবিন তেল, ডিমসহ নানা খাদ্যে ক্ষতিকর উপাদান পাওয়ার খবর মিলেছে।

বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে খাদ্যকে জনগণের মৌলিক প্রয়োজন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে বাস্তবে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির পথে কয়েকটি কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এখনো রয়ে গেছে । এর মধ্যে রয়েছে জনসংখ্যার চাপ ও সীমিত ভূমি, পরিবেশগত অবক্ষয়, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি, বাজারে ভেজাল ও মান নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতা, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যে কম প্রবেশগম্যতা, খাদ্য শৃঙ্খলের বিভিন্ন স্তরে মনিটরিং ঘাটতি, ভোক্তার সচেতনতার সীমাবদ্ধতা ও কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থার অভাব। 

ভোক্তা পর্যন্ত দূষণ ও ভেজালমুক্ত নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ প্রণীত হয়। এই আইন বাস্তবায়নে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে কাজ করছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ১ হাজার ৭১৩টি খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা করেছে। এর মধ্যে ৩৩ দশমিক ৩ শতাংশ নমুনায় ভেজাল, দূষণ বা পুষ্টিমানের ঘাটতি পাওয়া গেছে। 

সংস্থাটির তথ্যমতে, গত কয়েক বছরে খাদ্যে ভেজাল ও দূষণের হার বেড়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ খাদ্যে ভেজাল বা দূষণ পাওয়া গিয়েছিল। এই তথ্য দেখায়, আইন ও নীতি থাকলেও প্রয়োগে বড় ঘাটতি রয়েছে। ফলে খাদ্য ব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে ভেজাল ও অনিরাপদ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তা বাড়ছে।

আইন অনুযায়ী জনগণের নিরাপদ খাদ্যের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তবে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধু এককভাবে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সম্ভব নয়। উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মোড়কায়ন, পরিবহন, সংরক্ষণ, রান্না বা পরিবেশনের যেকোনো ধাপে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা অসাবধানতাবশত সামান্য ভুলও খাদ্যকে অনিরাপদ করতে পারে। তাই খাদ্যের নিরাপদতা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব।

জলবায়ু পরিবর্তনও খাদ্য নিরাপদতার একটি উদীয়মান ঝুঁকি। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বন্যা, জলাবদ্ধতা, ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততা এবং পানির সংকট খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে। উচ্চ তাপমাত্রা খাদ্যে ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুর বৃদ্ধি বাড়াতে পারে। বন্যা ও জলাবদ্ধতা খাদ্য, পানি ও মাটিতে দূষণ ছড়াতে পারে। লবণাক্ততা কৃষি উৎপাদন ও পানির নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলে। এসব ঝুঁকি দরিদ্র মানুষ, নারী, শিশু, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধিতাসম্পন্ন ব্যক্তি এবং ভৌগোলিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মানুষকে বেশি প্রভাবিত করে।

দেশের সব মানুষের সুস্থতার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক-খানি, উৎপাদক, ব্যবসায়ী, নীতিনির্ধারক ও ভোক্তা সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে খানি আইনের কঠোর প্রয়োগ, নিরাপদ কৃষি চর্চা, ভেজালবিরোধী নজরদারি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং খাবার নির্বাচন, প্রস্তুত ও পরিবেশনে সতর্কতার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

প্রস্তাবনা: জাতীয় পর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা এবং নিরাপদতা নিশ্চিত করার জন্য একটি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন, যা সরকারি নিয়ন্ত্রণ, উৎপাদনকারীর সম্মতি বা নীতিপালন এবং জনসচেতনতামূলক শিক্ষাকে একীভূত করবে। বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে নিম্নোক্ত প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

১। নিরাপদ খাদ্যকে শুধু দিবসভিত্তিক আলোচনা নয়, বরং নিয়মিত অগ্রাধিকার হিসেবে দেখতে হবে। এজন্য নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক নীতি, কর্মসূচি ও বাজেটকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ করতে হবে।

২। খাদ্যবাহিত রোগ, ভেজাল, দূষণ ও অন্যান্য ঝুঁকির তথ্য বিশ্লেষণ করে কোন ঝুঁকি বেশি গুরুতর তা চিহ্নিত করে সেই অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। খাদ্যবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব ও নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে। 

৩। খাদ্যবাহিত রোগের নজরদারি, খাদ্য নমুনা পরীক্ষা এবং বাজার মনিটরিং আরও শক্তিশালী করতে হবে। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, আইন প্রয়োগ ও অগ্রগতি মূল্যায়ন করতে হবে।

৪। খাদ্য ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিতে হবে, যাতে তারা নিরাপদ খাদ্য চর্চা, নতুন ঝুঁকি ও সঠিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানে। খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও পরিবেশনের প্রতিটি ধাপে সঠিক চর্চা অনুসরণ করতে হবে।

৫। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গুড হাইজিন প্র্যাকটিস (জিএইচপি) এবং হ্যাজার্ড অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ক্রিটিক্যাল কন্ট্রোল পয়েন্ট (এইচএসিসিপি) অনুসরণ করতে হবে। যাতে উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত কোথায় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা আগে থেকে শনাক্ত করা যায় এবং প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

৬। ঘরে খাবার প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশনের সময় নিরাপদ খাদ্য চর্চা মেনে চলার জন্য সরকারি উদ্যোগে সচেতনতামূলক কর্মসূচি জোরদার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিরাপদ খাদ্যের পাঁচটি মূল নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরি।

৭। স্কুল, হাসপাতাল, হোটেল, রেস্তোরাঁ, মেলা ও রাস্তার খাবারের ক্ষেত্রে বিশেষ নিরাপদ খাদ্য প্রটোকল সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রণয়ন করে সবাইকে সেটা মেনে চলার নির্দেশনা দিতে হবে। 

৮। ভোক্তার অভিযোগ ব্যবস্থাকে সহজ, ডিজিটাল ও স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর করতে হবে। অভিযোগ অনুযায়ী নিয়মিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 

৯। জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় খাদ্য নিরাপদতা ও খাদ্য নিরাপত্তাকে একসঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা করতে হবে।

 

উম্মে সালমা, সদস্য, বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক–খানি

[email protected]

 

Related Articles

Latest Articles